image
নারী ফুটবল লীগের ফাইল ছবি

নারী ফুটবল লীগ না থাকার চেয়ে ভালো: বাটলার

ক্রীড়া বার্তা পরিবেশক

বাংলাদেশ নারী ফুটবল লীগ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলার। প্রতিযোগিতাটিতে ভারসাম্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘাটতি থাকলেও, একেবারে কোনো লীগ না থাকার চেয়ে এটিকে ভালো বিকল্প হিসেবে দেখছেন এই ইংলিশ কোচ।

দুই সপ্তাহের ছুটি শেষে গত ৪ জানুয়ারি ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফেরেন বাটলার। ছুটিতে থাকলেও দূর থেকেই তিনি লীগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

১১ দলের এই টুর্নামেন্টের শুরুতেই ২৩-০ ও ১২-০ গোলের মতো একপেশে ফলাফল লীগের প্রতিযোগিতামূলক কাঠামো নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

বাটলার এর আগে ভুটান লীগে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিয়েও সমালোচনা করেছিলেন বাটলার। তার মতে, সেখানে খেলার গতি ছিল ‘হাঁটার মতো’ এবং অতিরিক্ত একপেশে স্কোরলাইনের কারণে খেলোয়াড়দের প্রকৃত প্রতিযোগিতামূলক উন্নয়ন হয়নি। একই চিত্র এখন ঢাকার নারী লীগেও দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবু পুরো লীগকে বাতিল করে দিতে রাজি নন বাটলার। বরং এটিকে ভবিষ্যতের জন্য একটি ভিত্তি হিসেবে দেখছেন তিনি ‘যদি অন্তত চারটি দল সমান মানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে, তাহলে সেখান থেকে কিছু গড়ে তোলা সম্ভব। এটি এখনও শেখার একটি বড় ধাপ। পাঁচ রাউন্ড পার হওয়ার পরও যদি ভারসাম্য থাকে, তখন আমি আরও আশাবাদী হবো।’

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে নারী ফুটবল লীগ। মাত্র এক মাসের একটু বেশি সময়ে প্রায় ৫৫টি ম্যাচ আয়োজন করা হচ্ছে। এত ঘন ঘন ম্যাচ আয়োজন নিয়ে নতুন শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন বাটলার। বিশেষকরে ১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হতে যাওয়া এশিয়ান কাপ অভিযানের ঠিক আগে।

বাটলার বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হলো খেলোয়াড়দের বার্নআউট। তবে না খেলার চেয়ে খেলাই ভালো। কিন্তু ১২-০ বা ২৩-০ ব্যবধানে জয় কোনো শক্তিশালী লীগ তৈরিতে সহায়ক নয়।’

এখন বাটলারের মনোযোগ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দিকে। চলতি মাসের শেষ দিকে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে দলটির দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই দায়িত্ব শেষ হওয়ার কথা। এরপর এশিয়ান কাপের প্রস্তুতির লক্ষ্যে জাতীয় দলের ক্যাম্প আয়োজন নিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

‘খেলা’ : আরও খবর

» মোস্তাফিজের সঙ্গে যা হয়েছে তা হতাশার: মিকি আর্থার

সম্প্রতি