সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে থাইল্যান্ডে। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে ইতোমধ্যে থাইল্যান্ডে গেছেন বাংলাদেশের পুরুষ ও নারী ফুটসাল দল। বাংলাদেশে ফুটসাল খেলাটি এখনও একেবারেই নতুন ও বিকাশমান হলেও এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে নতুন যাত্রার সূচনা করতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। রোববার, (১১ জানুয়ারী ২০২৬) ব্যাংককে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও ইরানি কোচ সাঈদ খোদারাশি দলের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেন, যেখানে উঠে আসে অভিজ্ঞতার অভাব সত্ত্বেও ভালো করার প্রত্যয়।
ফুটবল মাঠে দীর্ঘদিনের বিচরণ থাকলেও ফুটসালের কোর্টে নিজের নতুনত্ব স্বীকার করে সাবিনা খাতুন বলেন, ‘আমি অনেক বছর ধরেই বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে খেলছি। তবে ফুটসাল আমার জন্য একেবারেই নতুন। আমি এখানে এসেছি এবং আশা করছি আমরা ফুটসালেও ভালো করবো। আমাদের দলটা বেশ ভালো এবং আমি দলকে সাহায্য করবো।’
প্রস্তুতির ঘাটতি থাকলেও আশাবাদী অধিনায়ক, ‘আমাদের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। তবে আমরা সময় খুব কম পেয়েছি এবং ফুটসালে আমরা সবাই নতুন। তবুও আমি আশাবাদী, ইনশাআল্লাহ টুর্নামেন্টে আমরা ভালো করবো।’
দেশে ফুটসালের অবকাঠামো না থাকায় দল গঠনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেন প্রধান কোচ সাঈদ খোদারাশি। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় বাছাইয়ের জন্য আমরা প্রায় এক মাসের মতো সময় পেয়েছি। আপনারা জানেন, বাংলাদেশে ফুটসালের প্রচলন নেই, তাই সব খেলোয়াড়ই মূলত ফুটবল থেকে আসা।’ তবে কোচের দৃষ্টি সুদূরে। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিভার ওপর আস্থা রেখে তিনি বলেন, ‘শুরুর জন্য প্রতিটি দেশেরই একটি ভালো পরিকল্পনা ও শক্ত ভিত্তি দরকার। আমি আশা করি ভবিষ্যতে সাফের মাধ্যমে দলগুলো আরও এগিয়ে যাবে এবং ইনশাআল্লাহ একদিন বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের পথে হাঁটবে।’ শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর একে একে ভুটান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও মালদ্বীপের মোকাবিলা করবেন সাবিনারা।