চট্টগ্রামের জয়ের ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন শরিফুল। পরে সংবাদ সম্মেলনে ২৪ বছর বয়সী পেসার বলেন, মাঠে স্রেফ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে গেছেন তিনি। ‘না, না (পাঁচ উইকেটের আশা ছিল না) পরিকল্পনা ছিল যে, যখনই আমাকে বোলিংয়ে আনবে, রান চেক দিয়ে বল করব। উইকেট তো আর বলে কেউ নিতে পারে না। সেটা আসলে ভাগ্যের বিষয়। তো হয়ে গেছে।’
‘যখন রানআপ মাপছিলাম, একজন গ্রাউন্ডসম্যান আমাকে বলছিল, ‘ভাইয়া, কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি আজকে ৫ উইকেট পাবেন।’ আমি বলছি, ‘ভাই এটা তো এত সহজ না। কিন্তু আল্লাহ দিলে হতে পারে।’ তাই যখন খেলছিলাম, ভালো বল করছিলাম আমি শেষ উইকেট পর্যন্ত চিন্তা করি নাই যে, পাঁচ উইকেট পাবো। আল্লাহ হয়তো কপালে লিখে রেখেছিল, হয়ে গেছে।’
দল জেতায় আরও বেশি খুশি শরিফুল। এই ম্যাচসেরার অর্থ পুরস্কাটাও জন্মস্থানের অসহায়দের মাঝে দিয়ে দিতে চান পঞ্চগড়ের ক্রিকেটার।
‘অবশ্যই, অনেক উপভোগ করছি। বিশেষ করে আমার ভালো লাগছে, আমরা ম্যাচ জিততে পারছি। আরেকটা বিষয় আমি বলেছিলাম যে, যতদিন ক্রিকেট খেলবো আমি ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলে সেই টাকাটা আমার এলাকার যারা একটু অভাব-অনটনে থাকে তাদেরকে দেবো। আমার খুবই ভালো লাগছে যে এই অর্থটা তাদের কাছে যাবে।’
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে হাসান ইসাখিলকে ফিরিয়ে শিকার ধরা শুরু করেন শরিফুল। উইকেটটি নেয়ার পর মাথায় এক হাত রেখে নাচতে দেখা যায় তাকে। এই উদযাপনের রহস্য খোলাসা করলেন তিনি।
‘কোনো পরিকল্পনা ছিল না। আমি মাথায় হাত দিয়েছিলাম। নাঈম (নাঈম শেখ) আমাকে এসে বলল, ‘দে দে ড্যান্স দে, ড্যান্স দে।’ পরে ওইটা ঝোঁকে হয়ে গেছে আর কী, সত্যি কথা। নাঈম আমার ভালো বন্ধু, আমরা সবসময় একসঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে খেলছি, তো তালে তালে হয়ে গেছে।’
এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে রান রেইটে এগিয়ে থেকে টেবিলের শীর্ষে উঠল আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম।