ফাইনালের আগে ট্রফি উন্মোচনের ঘটনা বলা যায় নজিরবিহীন
সাধারণত টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ট্রফি উন্মোচন ও ফটোসেশনের আয়োজন থাকে। ফাইনালের আগে ট্রফি উন্মোচনের ঘটনা বলা যায় নজিরবিহীন। তবে বিপিএলের ক্ষেত্রে এসব অপ্রত্যাশিত নয়।
বিপিএল দ্বাদশ আসরের শেষদিনে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ফাইনাল শুরুর মাত্র সোয়া ঘণ্টা আগে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ট্রফিটি উন্মোচন করা হয়।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একটি হেলিকপ্টার স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাসে অবতরণ করে। সেখান থেকে ট্রফি হাতে নামেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের দুই গৌরবময় অধিনায়ক— ২০১৮ সালে নারী এশিয়া কাপজয়ী সালমা খাতুন ও ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী আকবর আলী। তারা লাল গালিচা দিয়ে হেঁটে ট্রফিটি পোডিয়ামে নিয়ে আসেন।
পোডিয়ামে ট্রফিটি লাল পর্দায় ঢাকা ছিল। ফাইনালের দুই প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (চট্টগ্রাম) ও শেখ মেহেদী হাসান (রাজশাহী) একত্রে পর্দা সরিয়ে নতুন এই স্থায়ী ট্রফিটি দর্শকদের সামনে উন্মোচন করেন। তারপর মাঠজুড়ে রঙিন ধোঁয়া ওড়ানো হয়। নতুন নকশার ট্রফিটি গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদেরও কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দেয়া হয়। সেজন্য একটি বিশেষ কার্টে করে তা পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করানো হয়। ট্রফি উন্মোচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মাঠে একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পারফর্ম করেন নাট্যশিল্পী তানজিন তিশা ও সামান্থা পারভেজ।
গত ২৬ ডিসেম্বর টুর্নামেন্ট শুরুর দিন বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ২৫ হাজার ডলার খরচ করে দুবাইভিত্তিক এক প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে ট্রফি তৈরি করা হচ্ছে। ‘ডায়মন্ড স্টাডেড’ ট্রফিটি বিপিএলের মাঝামাঝি কোনো একটা সময় ঘটা করে উন্মোচন করা হবে বলেও জানানো হয়েছিল তখন। সেটি আর হয়নি।
অবশেষে ফাইনালের আগে সেই আয়োজনটি হলো।