বিপিএল দ্বাদশ আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি রানার্স-আপ চট্টগ্রাম রয়্যালসের পেসার শরিফুল ইসলাম। ১২ ইনিংসে বল করে ২৬২ রান দিয়ে ২৬ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। সর্বোচ্চ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টেরসেরা খেলোয়াড় হয়েছে শরিফুল। এছাড়াও বিপিএলের এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারে তাসকিন আহমেদের রেকর্ড ভেঙেছেন শরিফুল। ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে এবারের বিপিএল শেষ করেন তিনি। গত আসরে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১২ ম্যাচে ২৫ উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন। যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮টি করে উইকেট নিয়েছেন সিলেট টাইটান্সের স্পিনার নাসুম আহমেদ ও চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শ্রীলঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো।
তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৭ উইকেট নিয়েছেন রাজশাহীর পেসার রিপন মন্ডল। ১৬ উইকেট নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পেসার হাসান মাহমুদ।
বেশি রান সিলেটের ইমনের
বিপিএল দ্বাদশ আসরে সবচেয়ে বেশিরান করেছেন সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ ম্যাচের ১২ ইনিংসে ৩টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩৯৫ রান করেছেন তিনি। তার ব্যাটিং গড়- ৩৯ দশমিক ৫০ ও স্ট্রাইক রেট ১৩২ দশমিক ৯৯।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেছেন রংপুর রাইডার্সের তাওহিদ হৃদয়। ১১ ম্যাচের ১১ ইনিংস ব্যাট করে ১টি সেঞ্চুরি ও ৩টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩৮২ রান করেছেন তিনি। টুর্নামেন্টের ২৯তম ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৭২ বলে ৪টি চার ও ১১টি ছক্কায় অপরাজিত ১০৭ রান করেন হৃদয়। তার ব্যাটিং গড়- ৩৮ দশমিক ২০ ও স্ট্রাইক রেট ১৩৭ দশমিক ৯০। ফাইনালে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৬২ বলে ১০০ রান করে সেরা খেলোয়াড় হন তিনি। ১৩ ম্যাচের ১৩ ইনিংসে ১টি করে সেঞ্চুরি ও হাফ-সেঞ্চুরিতে ২৭ দশমিক ৩৮ ব্যাটিং গড় ও ১৩৬ দশমিক ৩৯ স্ট্রাইক রেটে ৩৫৬ রান করেছেন তানজিদ।
চতুর্থ সর্বোচ্চ রান করেছেন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ১০১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। ৬০ বল খেলে ১০টি চার ও ৫টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজিয়েছিলেন শান্ত।
এবারের আসরে শীর্ষ পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে একমাত্র বিদেশি খেলোয়াড় রংপুর রাইডার্সের ওপেনার ইংল্যান্ডের ডেভিড মালান। ৯ ইনিংসে ৩ হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩০০ রান করেন তিনি।