মাঠের বাইরে অপেক্ষমাণ অন্যরাও ততক্ষণে ছুট দিলেন ক্রিজের দিকে। সেখানেই কিছুক্ষণ চললো মিচেল মার্শ, অ্যাস্টন টার্নারদের উদযাপন।
স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্কদের হৃদয় ভেঙে বিগ ব্যাশের শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতল পার্থ স্কর্চার্স। রোববার,(২৫ জানুয়ারী ২০২৬) বিগ ব্যাশের পঞ্চদশ আসরের ফাইনালে সিডনি সিক্সার্সকে ৬ উইকেটে হারায় পার্থ। প্রতিপক্ষকে ১৩২ রানে গুটিয়ে ১৫ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তারা।
অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-২০ টুর্নামেন্টে আগে থেকেই সবচেয়ে বেশি শিরোপা জয়ী দল পার্থ। নিজেদের মাঠে ৫৫ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেই রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করলো তারা।
বিগ ব্যাশের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে এ নিয়ে ষষ্ঠবার সিডনি সিক্সার্সের মুখোমুখি হয়ে চারবারই জিতল পার্থ স্কর্চার্স।
পার্থ স্কর্চার্সের এবারের জয়ের নায়ক বাঁহাতি পেসার ডেভিড পেইন। প্রতিপক্ষকে দেড়শ’র আগে আটকে রাখার পথে ৪ ওভারে স্রেফ ১৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তিনি। তার মতো তিন শিকার ধরতে ৩২ রান দেন আরেক পেসার জাই রিচার্ডসন। ম্যাচে ফিফটি করতে পারেননি কেউ। সর্বোচ্চ ২ ছক্কা ও ৪টি চারে ৪৪ রান করেন পার্থ স্কর্চার্সের ওপেনার মার্শ। সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ২৫ রানও করতে পারেননি কেউ।
চতুর্থ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে অষ্টম ফাইনালে খেলতে নামা সিডনি সিক্সার্স মূলত হেরে যায় ব্যাটিং ব্যর্থতায়।
আসর সেরার পুরস্কার জিতেছেন মেলবোর্ন স্টার্সের স্যাম হার্পার। ১১ ম্যাচে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩৮১ রান করেছেন তিনি এক সেঞ্চুরি ও দুই ফিফটিতে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: সিডনি সিক্সার্স ২০ ওভারে ১৩২ (স্মিথ ২৪, ফিলিপি ২৪, হেনরিকেস ২৪, শ ১৪, ডেভিস ১৯ ; রিচার্ডসন ৩/৩২, বিয়ার্ডম্যান ২/২৯, পেইন ৩/১৮, হার্ডি ১/১৬)।
পার্থ স্কর্চার্স ১৭.৩ ওভারে ১৩৩/৪ (মার্শ ৪৪, অ্যালেন ৩৬, ইংলিস ২৯* ; অ্যাবট ২/১৯, স্টার্ক ১/৩৩, এডওয়ার্ডস ১/৩১)।
ম্যাচসেরা: ডেভিড পেইন। টুর্নামেন্টসেরা: স্যাম হার্পার।
শোক ও স্মরন: সাংবাদিক প্রশান্ত ঘোষাল মারা গেছেন
অপরাধ ও দুর্নীতি: অভিনেত্রী ঊর্মিলাসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক
অপরাধ ও দুর্নীতি: স্ত্রী-সন্তানসহ আছাদুজ্জামান মিয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ
নগর-মহানগর: আহনাফের মৃত্যুর বিচারটা কইরেন: আদালতকে মা