টি-২০ চ্যালেঞ্জ কাপে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল অগ্রণী ব্যাংক দল। সোমবার, (০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে অগ্রণী ২ উইকেটে হারিয়েছে অদ্বিতীয়কে।
পূর্বাচলের জাতীয় ক্রিকেট মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিধৃারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৬১ রান পায় অদ্বিতীয়। ২৯ রানে ৩ উইকেট হারায় অদ্বিতীয়।
এক প্রান্ত দলের রানে চাকা সচল রেখে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে থামেন শাহানুর রহমান। ৭৭ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর জুটি বেঁধে অদ্বিতীয়কে লড়াকু পুঁজি এনে দেন মোহাইমিনুল খান ও ইজহারুল ইসলাম। দু’জনের ৮৪ রানের জুটিতে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬১ রান পায় অদ্বিতীয়। ৫ ছক্কায় ২০ বলে ৩৯ রান করেন ইজহারুল। ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৪২ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাইমিনুল। জবাবে ওপেনার শাহরিয়ার ১৭ বলে ৩৩ ও সাইফুল ২১ বলে ৩৪ ও রানের সাথে অধিনায়ক নবিন ইসলামের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে ৩ বল বাকী থাকতে জয় পায় অগ্রণী। ছয় নম্বরে নেমে ৪৭ রানের খেলেন নবিন। তার ৩১ বলের ইনিংসে ২টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল। শাওন গাজী ৩ উইকেট নেন। এই জয়ে ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠল অগ্রণী। ৫ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে আছে অদ্বিতীয়।
পিকেএসপির মাঠে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে অপরাজেয় ৩ উইকেটে হারিয়েছে দুর্বারকে। পিকেএসপির মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি দুর্বার। প্রিন্সের বোলিং তোপে ১৯.৪ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয় দুর্বার। ফাহিম মুনসি ২২ বলে ৩৪, ইরফান সাবরি তাকরির ১৬ বলে ৩৩ রান করেন। পঞ্চম বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে ৪ ওভারে ১৩ রানে ৪ উইকেট নেন প্রিন্স। ১৩৭ রান তাড়া করতে নেমে ৫৭ রানে ৪ উইকেট হারায় অপরাজেয়। ছয় নাম্বারে নামা সালেহিন ৪টি চার ও ৫ ছক্কায় ২১ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন তিনি। পরে জয় নিশ্চিত করেন প্রিন্স (৫)ও রায়হান উদ্দিন(১২)। নাহিদ হাসান ও শাওন কাজি ২টি করে উইকেট নেন।
ক্রিকেটার্স একাডেমি গ্রাউন্ডে তৃতীয় জয়ের দেখা পেয়েছে অদম্য। তারা ১১ রানে হারিয়েছে অনির্বানকে। নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ১৭৬ রানের সংগ্রহ পায় অদম্য। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ২৪ বলে ৫৫ রান করেন রিফাত। অনির্বানের সুমন ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন। জবাবে ওপেনার ইমরান হোসেন ব্যক্তিগত ১৬ রানে আউট হলে দ্বিতীয় উইকেটে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার মুহাম্মদ ফজলে রাব্বি ও মুহাম্মদ সুজন। জুটিতে ৫১ রান যোগ করে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ফজলে ৩৫ ও সুজন ৪৩ রানে থামলে, পরের দিকে আর কোন ব্যাটার দলকে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি। ২১ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলেও দলের হার রুখতে পারেননি ইফতেখারুজ্জামান। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান করে অনির্বান।