স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে রাউন্ড রবিন লীগ শেষ করেছে বাংলাদেশ। সবগুলো ম্যাচ জয়ের তৃপ্তি নিয়ে। এবার ফাইনাল ভারতের বিপক্ষে, যাদেরকে ইতোমধ্যে একবার হারিয়েছে মেয়েরা। সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরতে হলে আবার ভারতকে হারাতে হবে, বাংলাদেশ কোচ পিটার জেমস বাটলার এখন সেই ছক কষছেন।
বুধবার, (০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) নেপালের বিপক্ষে বেঞ্চের শক্তি পরখ করে নিতে সেরা একাদশে ৭টি পরিবর্তন আনেন বাটলার। তৃতীয় মিনিটে প্রতিমা মুন্দার গোলে এগিয়ে যায় দল। এরপর অবশ্য খেলায় গতি ও আক্রমণের ধার কমে। সেটা বাড়াতে আলপি আক্তার, শান্তি মার্দি, সুরভি আকন্দ প্রীতিদের নামান তিনি। আলপির হ্যাটট্রিকে মেলে প্রত্যাশিত জয়। সবমিলিয়ে রাউন্ড রবিন লীগে দলের পারফরম্যান্সে খুশি বাটলার।
‘নেপালের বিপক্ষে যখনই খেলি, আমাদের লড়াই করতে হয়। কেননা, তারা যোদ্ধা এবং সমান প্রচেষ্টা ও কমিটমেন্ট নিয়ে তাদের বিপক্ষে আমাদের লড়তে হয়। আমার মনে হয়, মেয়েরা সেটা খুবই ভালোভাবে করতে পেরেছে, বিশেষ করে শুরুর ১৫-২০ মিনিট। এরপর আমাদের গতি কিছুটা কমেছিল।
‘৭টি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কয়েকজনকে বিশ্রাম দেয়ার জন্য। কেননা আমার মনে হয়, আপনি ততটাই শক্তিশালী দল, যতটা আপনার বেঞ্চ শক্তিশালী। মৌমিতা ছিল অসাধরণ, সুরভি রানী আসলেই ভালো করেছে। আজকের ম্যাচ থেকে অনেক ইতিবাচক দিক এবং শিক্ষণীয় বিষয় আছে আমাদের।’
দুদিন পরই শিরোপা লড়াইয়ে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ; যাদের রাউন্ড রবিন লীগে ২-০ গোলে হারিয়েছিলেন অর্পিতা-আলপিরা। সেই জয়ের পুনরাবৃত্তির লক্ষ্য বাটলারের।
‘আমরা তাদের একবার হারিয়েছি, এখন আবারও হারাতে হবে। আমরা সবসময় যেভাবে খেলি, সেভাবেই খেলবো। যদি তারা ফাইনালের আগে এই মাঠে আমাদেরকে বা দুই দলকে ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে এখানে অনুশীলন করবো। আশা করি, তারা সেটা দিবে।’
‘কিন্তু আমার মনে হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এখানে আমরা যা পাচ্ছি তার সবকিছুইÑ অন্য সবকিছুই বোনাস। মেয়েরা দুর্দান্ত ভালো করেছে। আমি সত্যিই, সত্যিই মেয়েদের নিবেদন ও মনোযোগ নিয়ে সন্তুষ্ট এবং আশা করি, আমরা কাজটি শেষ করতে পারবো। ভারতের বিপক্ষে খেলা কঠিন হবে, কারণ তাদের কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। তারা শক্তিশালী, লম্বা, শারীরিকভাবে শক্তিশালী এবং এটি কঠিন ম্যাচ হবে।’
বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরিতে এর আগে দুইবার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। ২০২১ সালে ১-০ গোলের জয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে ম্যাচ কমিশনারের সেই আলোচিত ‘টস কা-ের’ পর দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছিল সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।
সারাদেশ: চট্টগ্রাম বন্দরে আজও অচলাবস্থা
অপরাধ ও দুর্নীতি: ১৭ মাসে রাজনৈতিক সংঘাতে নিহত ১৯৫: এইচআরএসএস