বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে মাহমুদউল্লাহ
আগের ৯ টি-২০ বিশ্বকাপের ৮টিতেই খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এখন তার সেই অধ্যায় শেষ। দর্শক হিসেবেই তাই তাকিয়ে থাকার কথা বিশ্বকাপে। তবে আগ্রহ খুব একটা পাচ্ছেন না তিনি। বাংলাদেশ দলই যে নেই! অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান জানান, বিশ্ব আসরে খেলতে না পেরে ক্রিকেটাররা সবাই হতাশ।
টি-২০ বিশ্বকাপের দশম আসর শুরুর দিনই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা এখন ব্যস্ত ঘরোয়া টি-২০ কাপে। এই বিশ্বকাপ হারিয়ে গেছে এদেশের ক্রিকেট থেকে।
বিশ্বকাপ শুরুর দিনে শনিবার, (০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেন, বিশ্বকাপে না থাকার ধাক্কা অনুভব করছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ‘সত্যি বলতে, যেহেতু বাংলাদেশ নেই, আমার দল যদি না থাকে, তাহলে আমার খুব একটা ওরকম আগ্রহও কমে গেছে। তবে বিশ্বকাপ এত বড় টুর্নামেন্ট এবং আমি নিশ্চিত যে, ক্রিকেটাররাও এটা মিস করছে, আমি শুনেছি বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে। কমবেশি সবার সঙ্গেই কথা হয়েছে।’
‘তবে এটা আমাদের হাতে নেই। এটা অবশ্যই মেগা টুর্নামেন্ট এবং দিনশেষে সবাই এটির অংশ হতে চায়। তবে যা হওয়ার তো হয়েছেই।’
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বাদ পড়ার যাবতীয় ঘটনাবলীর সূত্রপাত মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়া থেকেই। তবে বাঁহাতি এই পেসার নিজে ব্যাপারটি নিয়ে খুব ভাবিত নয় বলে বিতর্কের গভীরে যেতে চাইলেন না মাহমুদউল্লাহ।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো সাবেক অধিনায়ক আবার তুলে ধরলেন ক্রিকেটারদের বঞ্চনার কথাই।
‘এই জিনিসগুলো নিয়ে মন্তব্য করা খুব কঠিন। অনেক রাজনৈতিক ব্যাপার এখানে সম্পৃক্ত।’ ‘দিনশেষে ক্রিকেটাররা বঞ্চিত হয়েছে। তবে যেহেতু এটা সরকারের সিদ্ধান্ত, অ্যাবসলিউটলি ফাইন।’
বিশ্বকাপে যেতে না পারার ফাঁকা সময়ের কিছুটা কাজে লাগাতে আয়োজন করা হয়েছে তিন দলকে নিয়ে চার ম্যাচের অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ কাপ। সেটির প্রশংসা করে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ক্রিকেটারদেরকেই যেন প্রাধান্য দেয়া হয়।
‘ক্রিকেটাররা যেন বঞ্চিত না হয়, এটা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। আশা করি, বিসিবির এই ভাবনা আছে। এজন্যই তারা এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে, ক্রিকেটারদের জন্য। দিনশেষে ক্রিকেট ও ক্রিকেটাররা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারাই মূল স্টেকহোল্ডার।’