যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দলমত নির্বিশেষে সকলকে এক করার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হলো খেলাধুলা। আমরা একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী, স্বচ্ছল করতে চাই। ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গণকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সোমবার, (২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) ক্রীড়া পরিষদে জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশন/ অ্যাসোসিয়েশন/ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত ‘ক্রীড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক এক পরামর্শমূলক সভায় তিনি একথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিগত এক বছরে দেশের ক্রীড়াঙ্গণের সফলতা, ব্যর্থতা এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে প্রতিটি ফেডারেশনকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে একটি বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা তৃণমূল পর্যায় থেকে একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করতে চাই। পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর আনুষ্ঠানিক নির্বাচন সম্পন্ন করব। ক্রীড়াবিদদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা কাজ করছি। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের একটি নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ক্রীড়া ফেডারেশনকে তাদের জাতীয় খেলোয়াড়দের তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। এই তালিকা যাচাই-বাছাই করে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা তাদের পাশে দাঁড়াবো। তিনি আরও জানান, প্রতিভাবান খেলোয়াড় অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিটি পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপরই শুরু করা হবে।
সভায় নিষ্ক্রিয় ফেডারেশনগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সমজাতীয় ফেডারেশনগুলোকে একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া ক্রীড়া সামগ্রীর ওপর ট্যাক্স কমানো এবং বিদ্যমান তফসিলভুক্ত ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ডকে খেলাধুলায় বিনিয়োগ করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।