বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভরাডুবি
বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সব সদস্যকে ৫০ লাখ রুপি করে জরিমানা করেছে পিসিবি। তবে এই শাস্তি নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নন সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। তার মতে, পারফরম্যান্সের তুলনায় এই শাস্তির পরিমাণ খুবই নগণ্য এবং এটি এক ধরনের ‘সংকীর্ণমনা’ চিন্তা। আরও কঠোর শাস্তির পক্ষে তিনি।
টি-২০ বিশ্বকাপে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে নয়, বরং স্রেফ খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য এই বড় অংকের জরিমানা করা হয়েছে। টানা চতুর্থবারের মতো আইসিসি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলো পাকিস্তান। ২০২৬ বিশ্বকাপের সুপার এইট থেকে বিদায় নেয়ার পরেই পিসিবি খেলোয়াড়দের ওপর এই শাস্তির খড়গ নামিয়ে আনে। জানা গেছে, গ্রুপ পর্বে ভারতের সঙ্গে ৬১ রানে হারার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। শর্ত ছিল, দল সেমিফাইনালে যেতে পারলে এই জরিমানা মকুব করা হবে।
সামা টিভির সঙ্গে আলাপকালে আফ্রিদি এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তটি বোঝা সত্যিই কঠিন। এটি একটি সংকীর্ণমনা চিন্তাভাবনা। ৫০ লাখ রুপি খুবই সামান্য পরিমাণ অর্থ। এই টাকা দিয়ে কী হবে? এটি তো শাস্তির মতো শোনায় না।’
আফ্রিদি মনে করেন, ‘টাকা জরিমানা করে কোনো লাভ হবে না। বরং যারা পারফর্ম করতে পারেননি, তাদের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফেরত পাঠানো হোক।’ তিনি মনে করেন, ‘এমন কিছু খেলোয়াড় আছে যাদের অন্তত দুই বছর জাতীয় দলের ধারেকাছেও রাখা উচিত নয়।’