বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গত নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির যে অভিযোগ উঠেছিলো, তা খতিয়ে দেখতে এবার নড়েচড়ে বসেছে সরকার।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) এই নির্বাচনের যাবতীয় অনিয়ম, সরকারি হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার অপব্যবহার তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং এনএসসির চেয়ারম্যান আমিনুল হকের নির্দেশনায় এই কমিটি কাজ শুরু করতে যাচ্ছে। মূলত বিভিন্ন ক্লাব ও বিভাগীয় কাউন্সিলরদের পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে এনএসসিতে দুই দফায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের যুগ্ম সচিব মো. সোলায়মান খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের বিসিবি নির্বাচনে ব্যাপক কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে এই কমিটি। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানকে এই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ ক্রীড়া সাংবাদিক এটিএম সাইদুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সালেহ আকরাম সম্রাট। এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই কমিটির প্রধান কাজ হবে গত নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কারচুপি হয়েছে কি না তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা।
এ জন্য তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ করবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া দেশের প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বোর্ডের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সে বিষয়েও সুপারিশ করবে এই শক্তিশালী কমিটি।
অপরাধ ও দুর্নীতি: স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাই যানজট নিরসনের চাবিকাঠি: আইজিপি