ইউক্যালিপটাস গাছ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই গাছের বিস্তার বন্ধ করা না গেলে দেশের ভূগর্ভস্থ পানি আশঙ্কাজনকভাবে কমবে। পাশাপাশি আর্সেনিক ও জিংক সমস্যাও দেখা দেবে। তাই জীববৈচিত্র্য রক্ষাসহ, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্যের স্বার্থে ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো বন্ধ করা জরুরি।
দেশে ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো নিষিদ্ধ। ২০০৮ সালে বন ও পরিবেশ দপ্তর আইন করে এই গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করে। কিন্তু আইন থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হয় না। নিষিদ্ধ এই গাছ লাগানো হচ্ছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার গ্রামগুলোতে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
প্রশ্ন হচ্ছে, নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও অনেকেই এখনো ইউক্যালিপটাস গাছ কেন লাগাচ্ছেন। জানা যায়, এই গাছ দ্রুত বাড়ে। গাছ বিক্রি করে বেশি দাম পাওয়া যায়। এ কারণে অনেকেই এই গাছ লাগান। তবে এর ফলে পরিবেশ ও প্রকৃতির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, ঘোড়াঘাট উপজেলায় রাস্তার ধারে, পুকুরপাড়ে, বাড়ির আশপাশে, খালের ধারে, পতিত জমিতে বাগান আকারে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছ লাগিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওসমানপুর বাজার, ডুগডুগী হাট, রানীগঞ্জ বন্দর ও পৌরসভার হাটে এই গাছ কেনাবেচা হচ্ছে। নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছ বাজারে বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন সেটা আমরা জানতে চাইব।
আমরা বলতে চাই, আইন অমান্য করে ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানোর সুযোগ নেই। এই গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রি কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে। এজন্য নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। যারা নিষিদ্ধ গাছ বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে এই গাছ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করার জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এটা আমরা চাই।
নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। ক্ষতিকার গাছের বিস্তৃতি নিয়ন্ত্রণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা না গেলে একদিন প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে। কাজেই সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
ইউক্যালিপটাস গাছ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই গাছের বিস্তার বন্ধ করা না গেলে দেশের ভূগর্ভস্থ পানি আশঙ্কাজনকভাবে কমবে। পাশাপাশি আর্সেনিক ও জিংক সমস্যাও দেখা দেবে। তাই জীববৈচিত্র্য রক্ষাসহ, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্যের স্বার্থে ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো বন্ধ করা জরুরি।
দেশে ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো নিষিদ্ধ। ২০০৮ সালে বন ও পরিবেশ দপ্তর আইন করে এই গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করে। কিন্তু আইন থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হয় না। নিষিদ্ধ এই গাছ লাগানো হচ্ছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার গ্রামগুলোতে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
প্রশ্ন হচ্ছে, নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও অনেকেই এখনো ইউক্যালিপটাস গাছ কেন লাগাচ্ছেন। জানা যায়, এই গাছ দ্রুত বাড়ে। গাছ বিক্রি করে বেশি দাম পাওয়া যায়। এ কারণে অনেকেই এই গাছ লাগান। তবে এর ফলে পরিবেশ ও প্রকৃতির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, ঘোড়াঘাট উপজেলায় রাস্তার ধারে, পুকুরপাড়ে, বাড়ির আশপাশে, খালের ধারে, পতিত জমিতে বাগান আকারে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছ লাগিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওসমানপুর বাজার, ডুগডুগী হাট, রানীগঞ্জ বন্দর ও পৌরসভার হাটে এই গাছ কেনাবেচা হচ্ছে। নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছ বাজারে বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন সেটা আমরা জানতে চাইব।
আমরা বলতে চাই, আইন অমান্য করে ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানোর সুযোগ নেই। এই গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রি কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে। এজন্য নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। যারা নিষিদ্ধ গাছ বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে এই গাছ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করার জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এটা আমরা চাই।
নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। ক্ষতিকার গাছের বিস্তৃতি নিয়ন্ত্রণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা না গেলে একদিন প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে। কাজেই সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।