ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ আগেও ছিল। দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সেখানে অনিয়ম-দুর্নীতি হচ্ছে বলে জানা গেছে। শুধু নাম বদলেছে, ব্যক্তি বদলেছে; কিন্তু ঘুষের পরিমাণ ও পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, পৌরসভার আওতাধীন আবাসিক জমির ক্ষেত্রে শতকপ্রতি ২০ হাজার টাকা, বাস্তু ও স্থাপনাবিহীন জমির জন্য শতকপ্রতি ৫ হাজার টাকা এবং ওয়ারিশ সত্ত্বের জমি রেজিস্ট্রির জন্য শতকপ্রতি ১ হাজার টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে সেবাপ্রার্থীদেরকে। এছাড়া, হিন্দু বিধবা নারীদের জমি বিক্রির ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা এবং নামের ভুল সংশোধনের জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। পাওয়ার দলিল থেকে কবলা করতে গেলেও ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। এসব অভিযোগ গত ৩০ জুলাই উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উত্থাপিত হয়েছে, যেখানে সদস্যরা জমি গ্রহীতাদের ভোগান্তির বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
দলিল লেখকদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তবে লাইসেন্স হারানোর ভয়ে তারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারছেন না। জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই দুর্নীতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলের মতোই এখনও জমি গ্রহীতাদের বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। সপ্তাহে তিনদিন রেজিস্ট্রির কাজে প্রায় ৪-৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।
এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, ব্যবস্থায় কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। সময় বদলেছে, ব্যক্তি বদলেছে, দুর্নীতির ধরন একই রয়ে গেছে। জমি রেজিস্ট্রির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রক্রিয়া এভাবে দুর্নীতির কবলে পড়ে থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে না। এই দুর্নীতির শৃঙ্খল ভাঙতে হলে কঠোর তদারকি, স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এই অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়। সমাজের সব স্তরে দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।
রোববার, ২৪ আগস্ট ২০২৫
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ আগেও ছিল। দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সেখানে অনিয়ম-দুর্নীতি হচ্ছে বলে জানা গেছে। শুধু নাম বদলেছে, ব্যক্তি বদলেছে; কিন্তু ঘুষের পরিমাণ ও পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, পৌরসভার আওতাধীন আবাসিক জমির ক্ষেত্রে শতকপ্রতি ২০ হাজার টাকা, বাস্তু ও স্থাপনাবিহীন জমির জন্য শতকপ্রতি ৫ হাজার টাকা এবং ওয়ারিশ সত্ত্বের জমি রেজিস্ট্রির জন্য শতকপ্রতি ১ হাজার টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে সেবাপ্রার্থীদেরকে। এছাড়া, হিন্দু বিধবা নারীদের জমি বিক্রির ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা এবং নামের ভুল সংশোধনের জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। পাওয়ার দলিল থেকে কবলা করতে গেলেও ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। এসব অভিযোগ গত ৩০ জুলাই উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উত্থাপিত হয়েছে, যেখানে সদস্যরা জমি গ্রহীতাদের ভোগান্তির বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
দলিল লেখকদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তবে লাইসেন্স হারানোর ভয়ে তারা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারছেন না। জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই দুর্নীতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলের মতোই এখনও জমি গ্রহীতাদের বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। সপ্তাহে তিনদিন রেজিস্ট্রির কাজে প্রায় ৪-৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।
এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, ব্যবস্থায় কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। সময় বদলেছে, ব্যক্তি বদলেছে, দুর্নীতির ধরন একই রয়ে গেছে। জমি রেজিস্ট্রির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রক্রিয়া এভাবে দুর্নীতির কবলে পড়ে থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে না। এই দুর্নীতির শৃঙ্খল ভাঙতে হলে কঠোর তদারকি, স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এই অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়। সমাজের সব স্তরে দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।