alt

opinion » editorial

সৈয়দপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের দুর্দশা

: রোববার, ২৪ আগস্ট ২০২৫

নীলফামারীর সৈয়দপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে গর্ভবতী মা, প্রসূতি ও শিশুদের জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ২০১৩ সালে, ২০ লাখ টাকা মূল্যের একটি অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকের পদ না থাকায় এবং চালক নিয়োগ না হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সটি গ্যারেজে পড়ে থেকে অকেজো হয়ে গেছে। ফলে, উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ জরুরি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মুমূর্ষ রোগীদের রংপুর বা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে। বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স বা মাইক্রোবাসের উপর নির্ভর করতে গিয়ে তাদের বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

উক্ত চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক প্রসূতি নারী সেবা নেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত ১৬ ধরনের সেবার মধ্যে কয়টি সেবা পাওয়া যায় আর কয়টি পাওয়া যায় না সেটা একটা প্রশ্ন। চিকিৎসাকন্দ্রে রোগ নির্ণয়ের জন্য কোনো ল্যাব নেই। ফলে রোগীদের বাইরের ল্যাব থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এমনকি একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন থাকলেও তা চালানোর জন্য দক্ষ লোকের অভাবে অব্যবহৃত পড়ে আছে। জরাজীর্ণ ভবনে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম, আর গ্যারেজে অ্যাম্বুলেন্সের চারপাশে আগাছার জঙ্গল গজিয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সম্প্রতি কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন। তাকে অ্যাম্বুলেন্স ও চালকের সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যার কথা জানানো হয়েছে। তিনি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এক যুগ ধরে অ্যাম্বুলেন্স অকেজো পড়ে থাকার পরও কেন এই সমস্যার সমাধান হয়নি? চালকের পদ সৃষ্টি এবং নিয়োগের মতো একটি সাধারণ প্রক্রিয়া এত বছর ধরে ঝুলে থাকা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছাড়া আর কী হতে পারে?

এই পরিস্থিতি শুধু সৈয়দপুরের নয়, দেশের অনেক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেরই বাস্তবতা। সরকারি বরাদ্দ ও সুবিধা থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা, তদারকি ও বাস্তবায়নের অভাবে সেগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সেবার মান বাড়াতে হলে অ্যাম্বুলেন্স সচল করা, দক্ষ চিকিৎসক ও ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে দুর্নীতির অভিযোগ আমলে নিন

নারী ও শিশু নির্যাতনের উদ্বেগজনক চিত্র

ভবদহের জলাবদ্ধতা: শিক্ষা ও জীবনযাত্রার উপর অব্যাহত সংকট

জমি রেজিস্ট্রিতে ঘুষের বোঝা: সাধারণ মানুষের ভোগান্তি

মবের নামে মানুষ হত্যা : সমাজ কোথায় যাচ্ছে?

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ : কেন প্রশ্ন তোলা যাবে না

সুন্দরবন রক্ষায় টেকসই ব্যবস্থা নিন

মামলা, গ্রেপ্তার, জামিন : প্রশ্নবিদ্ধ আইনের শাসন

শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো নির্মাণ : ঐক্য ও উদ্যমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

বন্যা ও ভাঙন : দ্রুত ব্যবস্থা নিন

অ্যান্টিভেনমের সরবরাহ নিশ্চিত করুন

ভূমি অফিসে ঘুষ বন্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিন

জন্ম নিবন্ধনে জটিলতা দূর করা জরুরি

‘সাদা পাথর’ লুটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিন

সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিন

তরুণদের জন্য আলাদা বুথ! সিদ্ধান্ত কার? কেন?

চিকিৎসক সংকটে জীবননগরের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত

গণপিটুনির সংস্কৃতি রুখতে হবে এখনই

সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতনের ঘটনার বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন

ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবায় ভোগান্তির অবসান ঘটান

সড়কে মৃত্যু : দুর্ঘটনা নাকি অব্যবস্থাপনার ফল?

অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর

নির্বাচনের ঘোষণায় স্বস্তি, তবে আছে অনেক চ্যালেঞ্জ

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’: কিছু জিজ্ঞাসা

বয়স্ক ভাতা পেতে আর কত অপেক্ষা

ডিএনডি এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

গণঅভ্যুত্থানের এক বছর: প্রত্যাশায় কী প্রাপ্তি

অবৈধ মিনি পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

অজগর হত্যা : বন্যপ্রাণীর সুরক্ষায় চাই জনসচেতনতা

লেভেল ক্রসিংয়ে প্রাণহানি : অব্যবস্থাপনার দুর্ভাগ্যজনক চিত্র

ঠাকুরগাঁওয়ে জলাতঙ্ক টিকার সংকট দূর করুন

পাহাড় কাটা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিন

বনমালীনগরে পাকা সড়কের জন্য আর কত অপেক্ষা

সার বিতরণ ব্যবস্থায় অনিয়ম বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন

গাবতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংকট দূর করুন

গ্যাস অপচয় ও অব্যবস্থাপনার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই

tab

opinion » editorial

সৈয়দপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের দুর্দশা

রোববার, ২৪ আগস্ট ২০২৫

নীলফামারীর সৈয়দপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে গর্ভবতী মা, প্রসূতি ও শিশুদের জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ২০১৩ সালে, ২০ লাখ টাকা মূল্যের একটি অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকের পদ না থাকায় এবং চালক নিয়োগ না হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সটি গ্যারেজে পড়ে থেকে অকেজো হয়ে গেছে। ফলে, উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ জরুরি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মুমূর্ষ রোগীদের রংপুর বা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে। বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স বা মাইক্রোবাসের উপর নির্ভর করতে গিয়ে তাদের বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

উক্ত চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক প্রসূতি নারী সেবা নেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত ১৬ ধরনের সেবার মধ্যে কয়টি সেবা পাওয়া যায় আর কয়টি পাওয়া যায় না সেটা একটা প্রশ্ন। চিকিৎসাকন্দ্রে রোগ নির্ণয়ের জন্য কোনো ল্যাব নেই। ফলে রোগীদের বাইরের ল্যাব থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এমনকি একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন থাকলেও তা চালানোর জন্য দক্ষ লোকের অভাবে অব্যবহৃত পড়ে আছে। জরাজীর্ণ ভবনে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম, আর গ্যারেজে অ্যাম্বুলেন্সের চারপাশে আগাছার জঙ্গল গজিয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সম্প্রতি কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন। তাকে অ্যাম্বুলেন্স ও চালকের সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যার কথা জানানো হয়েছে। তিনি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এক যুগ ধরে অ্যাম্বুলেন্স অকেজো পড়ে থাকার পরও কেন এই সমস্যার সমাধান হয়নি? চালকের পদ সৃষ্টি এবং নিয়োগের মতো একটি সাধারণ প্রক্রিয়া এত বছর ধরে ঝুলে থাকা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছাড়া আর কী হতে পারে?

এই পরিস্থিতি শুধু সৈয়দপুরের নয়, দেশের অনেক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেরই বাস্তবতা। সরকারি বরাদ্দ ও সুবিধা থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা, তদারকি ও বাস্তবায়নের অভাবে সেগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সেবার মান বাড়াতে হলে অ্যাম্বুলেন্স সচল করা, দক্ষ চিকিৎসক ও ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি।

back to top