রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের অভিযোগ, কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণের নামে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। প্রত্যেক কার্ডধারীর কাছ থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্র মানুষের হাতে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু স্থানীয় ডিলারদের কারসাজিতে এই উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে ডিলাররা কার্ডধারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুরনো কার্ড জমা রেখে নতুন কার্ড দিচ্ছে। উপকারভোগীরা অভিযোগ করেছেন, টাকা না দিলে কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে গড়িমসি করা হয়।
ডিলারদের দাবি, নতুন কার্ড দেওয়ার খরচ হিসেবে এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, অনলাইন কার্ডের ফটোকপি ব্যবহার করে একাধিকবার চাল নেওয়ার প্রবণতা রোধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কার্ড দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো নির্দেশনা কি সরকার দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এ ধরনের অর্থ আদায় অবৈধ।
এমন ঘটনা যে শুধু গোয়ালন্দে ঘটছে তা নয়। দেশের অনেক স্থানেই রাষ্ট্রের নানান কর্মসূচি ঘিরে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সুবিধা যদি দুর্নীতির কারণে তাদের কাছে যথাযথবাবে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই কর্মসূচির উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়ে যায়।
আমরা বলতে চাই, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ডিলারদের দৌরাত্ম্য কমাতে এবং দুর্নীতিমুক্ত বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কঠোর তদারকি থাকতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য নিরাপদ ও সহজ পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন, যাতে তারা ভয়মুক্তভাবে তাদের কথা বলতে পারেন। খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের অভিযোগ, কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণের নামে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। প্রত্যেক কার্ডধারীর কাছ থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্র মানুষের হাতে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু স্থানীয় ডিলারদের কারসাজিতে এই উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে ডিলাররা কার্ডধারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুরনো কার্ড জমা রেখে নতুন কার্ড দিচ্ছে। উপকারভোগীরা অভিযোগ করেছেন, টাকা না দিলে কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে গড়িমসি করা হয়।
ডিলারদের দাবি, নতুন কার্ড দেওয়ার খরচ হিসেবে এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, অনলাইন কার্ডের ফটোকপি ব্যবহার করে একাধিকবার চাল নেওয়ার প্রবণতা রোধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কার্ড দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো নির্দেশনা কি সরকার দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এ ধরনের অর্থ আদায় অবৈধ।
এমন ঘটনা যে শুধু গোয়ালন্দে ঘটছে তা নয়। দেশের অনেক স্থানেই রাষ্ট্রের নানান কর্মসূচি ঘিরে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সুবিধা যদি দুর্নীতির কারণে তাদের কাছে যথাযথবাবে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই কর্মসূচির উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়ে যায়।
আমরা বলতে চাই, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ডিলারদের দৌরাত্ম্য কমাতে এবং দুর্নীতিমুক্ত বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কঠোর তদারকি থাকতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য নিরাপদ ও সহজ পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন, যাতে তারা ভয়মুক্তভাবে তাদের কথা বলতে পারেন। খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।