alt

মতামত » সম্পাদকীয়

মহেশপুরে অনুমোদনহীন করাত কল

: শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহের মহেশপুরে চলছে অনেক অবৈধ করাত কল। এগুলোর লাইসেন্স নেই, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, নেই অগ্নিনিরাপত্তা সনদ কিংবা কর-সংক্রান্ত ন্যূনতম নথিও। তবু এসব করাত কল নির্বিঘেœ কাঠ কাটা, বিক্রি ও পরিবহন করে যাচ্ছে।

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বসতবাড়ির পাশে, এমনকি স্কুল-কলেজের আশেপাশে অবৈধ করাত কল স্থাপন এক অবহেলার দৃষ্টান্ত। করাত কল থেকে নির্গত কাঠের গুঁড়ো বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। শব্দদূষণ তো আছেই। করাত কলের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার মহেশপুরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ধীরে ধীরে সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা সম্ভব নয় যদি না তদারকি কাঠামো অকার্যকর হয়ে পড়ে। বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন কী করছে সেটা আমরা জানতে চাইব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তালিকা তৈরির কথা বলছেন। প্রশ্ন হলো, এত বছর ধরে এ তদারকি কোথায় ছিল? কোনো অবৈধ প্রতিষ্ঠান রাতারাতি গড়ে ওঠে না। প্রশাসনিক নীরবতা ও দুর্বল মনিটরিংই করাতকল মালিকদের সাহসী করে তোলে।

আমরা বলতে চাই, অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু তালিকা তৈরি যথেষ্ট নয়। অবিলম্বে অভিযান চালাতে হবে। লাইসেন্স প্রক্রিয়া কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। করাত কল অবশ্যই নিয়ম মেনে স্থাপন করতে হবে, তাদের নিয়ম মেনে চলতে উৎসাহিত করতে হবে। করাত কলগুলোকে যথাযথ অনুমোদনের আওতায় আনা গেলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশও অনেকটাই নিরাপদ হবে বলে আমরা আশা করতে চাই।

বিদ্যালয়ের মাঠ দখলমুক্ত করুন

থমকে আছে সেতু নির্মাণের কাজ

হাকালুকি হাওরে মাছ লুট: প্রশাসন কী করছে

রাঙ্গাবালীর সংরক্ষিত বন ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

টিসিবির পণ্য নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি কাম্য নয়

কক্সবাজারে পাহাড়ের মাটি কাটা বন্ধ করুন

দারিদ্র্যের নতুন ঢেউ

তাজরীনের ১৩ বছরের ক্ষত ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার কোথায়?

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

চরাঞ্চলের বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করুন

অসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি থামাতে হবে

কাঠ পাচার বন্ধে ব্যবস্থা নিন

ফিরে এল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে জিও ব্যাগ ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ

দুই দফা ভূমিকম্প: এখনই প্রস্তুতির সময়

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি

গভীর রাতে সাংবাদিককে তুলে নেয়ার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে হবে

সাময়িকী কবিতা

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ

স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে অনিয়ম কাম্য নয়

ছবি

শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে চাই সচেতনতা

গাজনার বিলে জলাবদ্ধতা দূর করতে ব্যবস্থা নিন

বাল্যবিয়ে: সংকট এখনো গভীর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়: সব প্রশ্নের কি মীমাংসা হলো?

কুষ্টিয়ায় গাছ কাটার ‘গোপন টেন্ডার’ নিয়ে বিতর্কের অবসান হোক

ধান কেনায় অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিন

লালমনিরহাটের বিসিক শিল্পনগরীর দুরবস্থা

তৃণমূলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবস্থা নিন

শ্রীপুরের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যবস্থা নিন

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে ক্লাস, পদক্ষেপ জরুরি

শিশু ধর্ষণচেষ্টা: সালিসের নামে প্রহসন কাম্য নয়

বিশুদ্ধ পানির প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ আমলে নিন

সুপেয় পানির জন্য মোরেলগঞ্জের মানুষের অপেক্ষার অবসান হবে কবে

কেন একজন নিরপরাধ মানুষকে কিসের আগুনে পুড়ে মরতে হলো

জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ সুরাহা করুন

রাজধানীতে প্রকাশ্যে হত্যা: আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ

tab

মতামত » সম্পাদকীয়

মহেশপুরে অনুমোদনহীন করাত কল

শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহের মহেশপুরে চলছে অনেক অবৈধ করাত কল। এগুলোর লাইসেন্স নেই, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, নেই অগ্নিনিরাপত্তা সনদ কিংবা কর-সংক্রান্ত ন্যূনতম নথিও। তবু এসব করাত কল নির্বিঘেœ কাঠ কাটা, বিক্রি ও পরিবহন করে যাচ্ছে।

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বসতবাড়ির পাশে, এমনকি স্কুল-কলেজের আশেপাশে অবৈধ করাত কল স্থাপন এক অবহেলার দৃষ্টান্ত। করাত কল থেকে নির্গত কাঠের গুঁড়ো বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। শব্দদূষণ তো আছেই। করাত কলের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার মহেশপুরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ধীরে ধীরে সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা সম্ভব নয় যদি না তদারকি কাঠামো অকার্যকর হয়ে পড়ে। বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন কী করছে সেটা আমরা জানতে চাইব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তালিকা তৈরির কথা বলছেন। প্রশ্ন হলো, এত বছর ধরে এ তদারকি কোথায় ছিল? কোনো অবৈধ প্রতিষ্ঠান রাতারাতি গড়ে ওঠে না। প্রশাসনিক নীরবতা ও দুর্বল মনিটরিংই করাতকল মালিকদের সাহসী করে তোলে।

আমরা বলতে চাই, অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু তালিকা তৈরি যথেষ্ট নয়। অবিলম্বে অভিযান চালাতে হবে। লাইসেন্স প্রক্রিয়া কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। করাত কল অবশ্যই নিয়ম মেনে স্থাপন করতে হবে, তাদের নিয়ম মেনে চলতে উৎসাহিত করতে হবে। করাত কলগুলোকে যথাযথ অনুমোদনের আওতায় আনা গেলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশও অনেকটাই নিরাপদ হবে বলে আমরা আশা করতে চাই।

back to top