ঝিনাইদহের মহেশপুরে চলছে অনেক অবৈধ করাত কল। এগুলোর লাইসেন্স নেই, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, নেই অগ্নিনিরাপত্তা সনদ কিংবা কর-সংক্রান্ত ন্যূনতম নথিও। তবু এসব করাত কল নির্বিঘেœ কাঠ কাটা, বিক্রি ও পরিবহন করে যাচ্ছে।
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বসতবাড়ির পাশে, এমনকি স্কুল-কলেজের আশেপাশে অবৈধ করাত কল স্থাপন এক অবহেলার দৃষ্টান্ত। করাত কল থেকে নির্গত কাঠের গুঁড়ো বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। শব্দদূষণ তো আছেই। করাত কলের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার মহেশপুরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ধীরে ধীরে সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা সম্ভব নয় যদি না তদারকি কাঠামো অকার্যকর হয়ে পড়ে। বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন কী করছে সেটা আমরা জানতে চাইব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তালিকা তৈরির কথা বলছেন। প্রশ্ন হলো, এত বছর ধরে এ তদারকি কোথায় ছিল? কোনো অবৈধ প্রতিষ্ঠান রাতারাতি গড়ে ওঠে না। প্রশাসনিক নীরবতা ও দুর্বল মনিটরিংই করাতকল মালিকদের সাহসী করে তোলে।
আমরা বলতে চাই, অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু তালিকা তৈরি যথেষ্ট নয়। অবিলম্বে অভিযান চালাতে হবে। লাইসেন্স প্রক্রিয়া কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। করাত কল অবশ্যই নিয়ম মেনে স্থাপন করতে হবে, তাদের নিয়ম মেনে চলতে উৎসাহিত করতে হবে। করাত কলগুলোকে যথাযথ অনুমোদনের আওতায় আনা গেলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশও অনেকটাই নিরাপদ হবে বলে আমরা আশা করতে চাই।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ঝিনাইদহের মহেশপুরে চলছে অনেক অবৈধ করাত কল। এগুলোর লাইসেন্স নেই, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, নেই অগ্নিনিরাপত্তা সনদ কিংবা কর-সংক্রান্ত ন্যূনতম নথিও। তবু এসব করাত কল নির্বিঘেœ কাঠ কাটা, বিক্রি ও পরিবহন করে যাচ্ছে।
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বসতবাড়ির পাশে, এমনকি স্কুল-কলেজের আশেপাশে অবৈধ করাত কল স্থাপন এক অবহেলার দৃষ্টান্ত। করাত কল থেকে নির্গত কাঠের গুঁড়ো বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। শব্দদূষণ তো আছেই। করাত কলের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার মহেশপুরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ধীরে ধীরে সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা সম্ভব নয় যদি না তদারকি কাঠামো অকার্যকর হয়ে পড়ে। বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন কী করছে সেটা আমরা জানতে চাইব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তালিকা তৈরির কথা বলছেন। প্রশ্ন হলো, এত বছর ধরে এ তদারকি কোথায় ছিল? কোনো অবৈধ প্রতিষ্ঠান রাতারাতি গড়ে ওঠে না। প্রশাসনিক নীরবতা ও দুর্বল মনিটরিংই করাতকল মালিকদের সাহসী করে তোলে।
আমরা বলতে চাই, অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু তালিকা তৈরি যথেষ্ট নয়। অবিলম্বে অভিযান চালাতে হবে। লাইসেন্স প্রক্রিয়া কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। করাত কল অবশ্যই নিয়ম মেনে স্থাপন করতে হবে, তাদের নিয়ম মেনে চলতে উৎসাহিত করতে হবে। করাত কলগুলোকে যথাযথ অনুমোদনের আওতায় আনা গেলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশও অনেকটাই নিরাপদ হবে বলে আমরা আশা করতে চাই।