পুরান ঢাকায় রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স নেই-ফায়ার সার্ভিসের প্রধান কর্মকর্তার মুখ থেকে শোনা গেছে এমন কথা। ফায়ার সার্ভিস বলছে, এসব গুদামের অনুমোদন নেই, লাইসেন্স নবায়ন করা হয় না, আগের সব লাইসেন্স বাতিল। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অভিযেগ রয়েছে, দেশে রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সমন্বয় নেই। কোথায় কোন কারখানা হবে, কোন এলাকায় দাহ্য দ্রব্য রাখা যাবে না-এ সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো সমন্বিত নীতি নেই। যে প্রকল্পে রাসায়নিক নিরাপত্তার নীতি তৈরির কথা ছিল, তা আলোর মুখ দেখেনি। দুর্ঘটনা ঘটলেই আলোচনায় আসে, পরে সব থেমে যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সমস্যার সমাধানের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আমাদের কাছে আছে। তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা নেই। সব সংস্থাকে একই টেবিলে আনার শক্তিশালী কাঠামোও গড়ে ওঠেনি। কাগজে অনেক আইন আছে, অনেক নীতি আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ নেই, কারখানায় এলপিজি বা রাসায়নিক ব্যবহারে নেই সঠিক নকশা। আর আবাসিক এলাকায় কারখানা বা গুদাম তো আইনগতভাবেই নিষিদ্ধ হওয়া সত্তেও দিব্যি চলছে।
পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টা, নয়া বাজার, ওয়াহিদ ম্যানশনসহ প্রতিটি আগুনের ঘটনা আমাদের বারবার সতর্ক করেছে। প্রশ্ন হয়েছে আমরা কী ব্যবস্থা নিয়েছি।
পুরান ঢাকাসহ আবাসিক এলাকায় সব রাসায়নিক গুদাম ও বিপজ্জনক কারখানা অপসারণ করা জরুরি। একটি শক্তিশালী রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ফায়ার সার্ভিস, সিটি করপোরেশন, শ্রম দফতরসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করার বিকল্প নেই। শ্রমিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, ড্রিল ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
অরিক্ষিত রাসায়নিক গুদামের এই বিপদ শুধু কারখানার শ্রমিক বা মালিকের নয়। এটি পুরো শহরের বাসিন্দাদের জীবনের ঝুঁকি। তাই এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট নীতি ও আইন অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
পুরান ঢাকায় রাসায়নিক গুদামের লাইসেন্স নেই-ফায়ার সার্ভিসের প্রধান কর্মকর্তার মুখ থেকে শোনা গেছে এমন কথা। ফায়ার সার্ভিস বলছে, এসব গুদামের অনুমোদন নেই, লাইসেন্স নবায়ন করা হয় না, আগের সব লাইসেন্স বাতিল। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অভিযেগ রয়েছে, দেশে রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সমন্বয় নেই। কোথায় কোন কারখানা হবে, কোন এলাকায় দাহ্য দ্রব্য রাখা যাবে না-এ সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো সমন্বিত নীতি নেই। যে প্রকল্পে রাসায়নিক নিরাপত্তার নীতি তৈরির কথা ছিল, তা আলোর মুখ দেখেনি। দুর্ঘটনা ঘটলেই আলোচনায় আসে, পরে সব থেমে যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সমস্যার সমাধানের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আমাদের কাছে আছে। তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা নেই। সব সংস্থাকে একই টেবিলে আনার শক্তিশালী কাঠামোও গড়ে ওঠেনি। কাগজে অনেক আইন আছে, অনেক নীতি আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ নেই, কারখানায় এলপিজি বা রাসায়নিক ব্যবহারে নেই সঠিক নকশা। আর আবাসিক এলাকায় কারখানা বা গুদাম তো আইনগতভাবেই নিষিদ্ধ হওয়া সত্তেও দিব্যি চলছে।
পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টা, নয়া বাজার, ওয়াহিদ ম্যানশনসহ প্রতিটি আগুনের ঘটনা আমাদের বারবার সতর্ক করেছে। প্রশ্ন হয়েছে আমরা কী ব্যবস্থা নিয়েছি।
পুরান ঢাকাসহ আবাসিক এলাকায় সব রাসায়নিক গুদাম ও বিপজ্জনক কারখানা অপসারণ করা জরুরি। একটি শক্তিশালী রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ফায়ার সার্ভিস, সিটি করপোরেশন, শ্রম দফতরসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করার বিকল্প নেই। শ্রমিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, ড্রিল ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
অরিক্ষিত রাসায়নিক গুদামের এই বিপদ শুধু কারখানার শ্রমিক বা মালিকের নয়। এটি পুরো শহরের বাসিন্দাদের জীবনের ঝুঁকি। তাই এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট নীতি ও আইন অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই।