কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ও রৌমারী সীমান্ত এলাকায় বুনো হাতির তান্ডবে ফসল ও সম্পদের ক্ষতির ঘটনা নতুন নয়। সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দিন কয়েক আগে ভোররাতে একদল হাতি সীমান্ত অতিক্রম করে ভুট্টা, বাদাম, বীজতলা ও ঘরের আঙিনায় রাখা আমন ধান নষ্ট করেছে। এ ছাড়া পাম্পসেট, পাইপসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও বসতঘরের বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি, তবু ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য এই ক্ষতি আর্থিকভাবে গুরুতর।
প্রতি বছর একই ধরনের ঘটনা ঘটলেও কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও এ কথা স্বীকার করছেন। সীমান্তবর্তী এলাকায় কৃষিই মানুষের প্রধান জীবিকা। ফসল নষ্ট হলে শুধু একটি মৌসুমের আয়ই কমে না, পরবর্তী চাষাবাদের প্রস্তুতিও ব্যাহত হয়। বিশেষ করে যারা আগেভাগে ধান বিক্রির পরিকল্পনা করে রাখেন, তাদের ক্ষতি আরও বাড়ে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ যেমন জরুরি, তেমনি সীমান্তবাসীর জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। হাতির চলাচলের করিডর চিহ্নিত করা ও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া দরকার। সীমান্ত এলাকায় আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। হাতির তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
সীমান্তে হাতির চলাচল প্রশ্নে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো দরকার। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত উদ্যোগ ছাড়া সীমান্ত এলাকার এই পুনরাবৃত্ত সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। সীমান্তবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
সারাদেশ: ফিশিং বোটে নিষিদ্ধ ট্রলিং সরঞ্জাম