সুন্দরবনের চাঁদপাই ও পূর্ব বনাঞ্চলে চোরা শিকারিদের ফাঁদে আটকপড়া চিত্রল হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে। বনরক্ষীরা মালা ফাঁদসহ অন্যান্য ফাঁদ তুলে হরিণকে বনে ছেড়ে দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধরনের ফাঁদ শুধু হরিণকে বিপদের মুখে ফেলে না, বরং বাঘের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে।
নির্বিচারে হরিণ শিকার করা হলে বাঘের প্রয়োজনীয় খাদ্যের প্রাপ্যতা সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক সময় হরিণ ধরা ফাঁদে বাঘও আটকা পড়তে পারে। ফাঁদে আটকে বাঘ আহত হতে পারে, মৃত্যুও ঘটতে পারে। ২০২৪ সালের জরিপ অনুযায়ী সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা ছিল ১২৫। বাঘ সংরক্ষণে ২০১৮-২০২৭ সালের টাইগার অ্যাকশন প্ল্যানে হরিণের প্রাপ্যতা বাঘের সংখ্যা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বন বিভাগ তথ্য অনুযায়ী, চোরা শিকারিরা মালা, ছিটকা, হাঁটা ও গলা ফাঁদ ব্যবহার করে। সর্বাধিক ব্যবহৃত হচ্ছে মালা ফাঁদ। গত কয়েক মাসে সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বন বিভাগের নানাস্থানে হাজার হাজার ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে এবং কয়েকশ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া অনেক শিকারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বন কর্মকর্তারা জানান, ফাঁদ উদ্ধারে এবং বাঘ ও হরিণ রক্ষায় টহল বাড়ানো হয়েছে। স্মার্ট প্যাট্রল টিম নিয়োগ করা হয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে। তবে হরিণের বাজারে চাহিদা ও বনজ সম্পদ সংগ্রহকে কেন্দ্র করে ফাঁদ পাতার সমস্যা থেকে মুক্তি মেলেনি।
আমরা বলতে চাই, হরিণ শিকার প্রতিরোধে এবং বাঘের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নিতে হবে। ফাঁদ তৈরির উৎস বন্ধ করা জরুরি। নিয়মিত তল্লাশি চালাতে হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া না হলে সুন্দরবনের খাদ্যশৃঙ্খল ও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
অর্থ-বাণিজ্য: ২০২৫ সালে সোনালী ব্যাংকের পরিচালন মুনাফায় রেকর্ড
সংস্কৃতি: মুঠোফোনের আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: দেশজুড়ে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক