ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নির্বাচনের বাকি আর এক মাসেরও কম সময়। এখনো সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও জনআস্থার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। রাজধানীতে সুজন আয়োজিত এক সংলাপে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে এই উদ্বেগ উঠে এসেছে।
৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর লুট হওয়া বিপুলসংখ্যক অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি। কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিদের বড় অংশ গ্রেপ্তার না হওয়া আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মব সন্ত্রাসের ধারাবাহিক ঘটনাগুলো মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। এসব ঘটনার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
নির্বাচনের পরিবেশ শুধু নিরাপত্তা দিয়ে নিশ্চিত হয় না। নিরপেক্ষতা ও আস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আলোচনায় প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো রাজনৈতিক সহিংসতা। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে। চোরাগোপ্তা হামলা, গুলি, হত্যা ও বিস্ফোরণের মতো ঘটনা শুধু নির্বাচনী পরিবেশকেই ঝুঁকির মুখে ফেলছে না, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিও আস্থা কমাচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির কথা বলা হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, মানুষের উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তা ভোটের আগে-পরে ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। সামান্য অবহেলাও বড় অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
গ্রহণযোগ্য নির্বাচন শুধু একটি দিনের আয়োজন নয়। এটি একটি প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা দুইই প্রয়োজন। দায়িত্বটা অনেক বড়। নির্বাচনের বেশি দেরি নেই। নির্বাচন সামনে রেখে এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো নাগরিকদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। এজন্য আইনের শাসন দৃশ্যমান করা জরুরি।
অর্থ-বাণিজ্য: সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন
অর্থ-বাণিজ্য: কেএফসি’র মেন্যুতে নতুন সংযোজন: বক্স মাস্টার
অর্থ-বাণিজ্য: রপ্তানিতে নগদ সহায়তা আরও ছয় মাস একই থাকছে
অর্থ-বাণিজ্য: সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা ২০২৬ জারি
অর্থ-বাণিজ্য: আইপিওতে লটারি ব্যবস্থা আবারও ফিরছে
আন্তর্জাতিক: সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক মিলে গঠিত হচ্ছে ‘ইসলামিক নেটো’