পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় কৃষি উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট সার ও কেঁচো উৎপাদন দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এই সার ব্যবহার করে জমিতে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন করছেন। উদ্যোক্তারা বানিজ্যিকভাবে কেঁচো ও সার বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
উপজেলার কোনো কোনো কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় চারটি হাউজ ও চারটি রিং স্ল্যাব দিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করছেন। তারা প্যাকেটকৃত সার বিক্রি করছেন। প্রতিমাসে তারা ভালো অঙ্কের টাকা আয় করছেন।
ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের পদ্ধতিতে গোবর, শাকসবজি ও কলাগাছের টুকরা মিশিয়ে রিংয়ে কেঁচো রাখা হয় এবং চটের বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। প্রায় এক মাস পর সম্পূর্ণ কম্পোস্ট সার তৈরি হয়। উৎপাদনের খরচ এবং লাভের হিসাব অনুযায়ী, একজন উদ্যোক্তা মাসে প্রায় ১২-১৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত আয় করতে পারেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করলে ফসল ভালো হয়, খরচও কমে। ফসলে রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। পরিবেশ বান্ধব এই সার মাটির উর্বরতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নিয়মিত উদ্যোক্তাদের পরামর্শ ও সহায়তা দিলে এর উৎপাদন ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ আরও শক্তিশালী হবে বলে আমরা বিশ্বাস করতে চাই।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকেরা কেবল নিজেদের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি বিষমুক্ত, নিরাপদ এবং উৎপাদনশীল কৃষিকে উৎসাহিত করছেন। এটা অনুকরণীয় উদাহরণ। দেশের অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এ থেকে তারা প্রেরণা পেতে পারেন।
অর্থ-বাণিজ্য: ছয় মাসে এডিপি বাস্তবায়ন সাড়ে ১৭ শতাংশ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অভিবাসন প্রত্যাশীদের ভিসা যাচাইয়ে আইভিআর সেবা চালু করল ‘আমি প্রবাসী’
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিটিসিএল এর .bd ডোমেইন সেবায় মূল্যছাড়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ইউনেট ও ইয়ুথ হাব এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর