মানিকগঞ্জের সদর হাসপাতালসহ জেলার সাতটি উপজেলার হাসপাতালে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কুকুর, বিড়াল ও শিয়ালের কামড় বা আঁচড়ে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন রোগীরা হাসপাতালে এলেও প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে সরকারি পর্যায়ে ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ থাকায় এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। একই সঙ্গে বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না বা খুব সীমিত পরিসরে মিলছে। ফলে আক্রান্ত রোগীদের অনেকেই বাধ্য হয়ে ঢাকাসহ অন্য জায়গা থেকে অতিরিক্ত দামে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছেন।
জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় হলো সময়মতো সঠিক ভ্যাকসিন নেওয়া। জেলা সদর হাসপাতালেও দীর্ঘদিন ধরে ভ্যাকসিন না থাকা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাই স্পষ্ট করে। কেবল “দ্রুত সংকট কেটে যাবে” এ ধরনের আশ্বাসে দায়িত্ব শেষ হয় না। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত নিশ্চিত করতে হবে। সংকটকালে কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দামে ভ্যাকসিন বিক্রি রোধে নজরদারি জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও টেকসই উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন কোনো সাধারণ ওষুধ নয়; এটি জীবন রক্ষাকারী। তাই এর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্বের অংশ।