ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ফরিদপুরের সালথা, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ও মুন্সীগঞ্জ সদরসহ কয়েকটি স্থানে প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। বাগেরহাটের কচুয়ায় সংঘর্ষে আহত এক সমর্থকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে।
নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফলাফলকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে, কিন্তু তা সহিংসতায় রূপ নেয়া গ্রহণযোগ্য নয়। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা যদি সংঘর্ষে রূপ নেয়, তবে তা শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়; এটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্যও ক্ষতিকর।
বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষের পেছনে মূলত প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনার তথ্য পাওয়া গেছে। কোথাও বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে, কোথাও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গুরুত্বপূর্ণ হলেও, দীর্ঘমেয়াদে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। কারা উসকানি দিয়েছে, কারা সরাসরি জড়িত ছিল তা চিহ্নিত করা জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়া এবং সমর্থকদের সংযত থাকার আহ্বান জানানো দলগুলোর কর্তব্য। স্থানীয় প্রশাসনকে নির্বাচন-পরবর্তী সময়কে ঝুঁকিপূর্ণ ধরে পদক্ষেপ নিতে হবে।
গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের পর যদি নাগরিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা রাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগের বিষয়। নির্বাচন শেষ হলেও দায়িত্ব শেষ হয় না। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সবার জন্য সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাজনৈতিক পরিচয়নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: দেশজুড়ে বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাবের ৪ হাজারের বেশি পার্টনার আউটলেট
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে ‘পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো’ প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন