আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। চিনি, ভোজ্যতেল ও ডালের আমদানি গত বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে। মিলগেট পর্যায়ে চিনির দামও কমেছে। এসব তথ্য থেকে ধারণা করা যায়, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে রোজায় বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা কম।
তবে বাজার স্থিতিশীল থাকা শুধু আমদানির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। পণ্য বন্দরে খালাস, পরিবহন ও বিতরণ প্রক্রিয়া সঠিকভাবে পরিচালিত না হলে বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে। জ্বালানিসংকট, বন্দরে ধর্মঘট বা প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে মূল্য পরিস্থিতিতে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বাজার কাঠামো। কয়েকটি বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ভোজ্যতেল, চিনি ও ডালের মতো পণ্য নিয়ন্ত্রণ করে। খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের কাছ থেকেই পণ্য সংগ্রহ করেন। অভিযোগ রয়েছে, মূল্যবৃদ্ধির দায় অনেক সময় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর চাপানো হলেও সরবরাহ শৃঙ্খলের বড় অংশে কার্যকর নজরদারি কম থাকে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নীতিনির্ধারণে ভারসাম্য প্রয়োজন।
চাঁদাবাজির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামে যুক্ত হয়। এটা বন্ধ না হলে বাজারে কৃত্রিম চাপ তৈরি হতে পারে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবি রমজানে ট্রাকসেলের মাধ্যমে তেল, ডাল, চিনি, ছোলা ও খেজুর ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে। ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ভোক্তাকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহায়ক হতে পারে। তবে খোলা বাজারের স্থিতি বজায় রাখতে সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত ৩২
আন্তর্জাতিক: অভিবাসন আইন কঠোর করছে ইতালি