গত কয়েকদিনে জামালপুর, রংপুর ও খুলনায় পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ টিসিবির পণ্য জব্দ হয়েছে। কোথাও ইটের নিচে লুকিয়ে রাখা ভোজ্যতেল উদ্ধার হয়েছে। কোথাও ট্রাক সেলের পণ্য গুদামে মজুত ছিল। আবার কোথাও গোডাউন সিলগালা করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ধারণা করা যায়, ভর্তুকি মূল্যের পণ্য নির্ধারিত ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে বাধা তৈরি হচ্ছে।
জামালপুরে ৭২২ বোতল ভোজ্যতেল পরিত্যক্ত গুদামে লুকানো ছিল। মোড়ক তুলে ফেলা হয়েছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রংপুরে একজন ডিলার ট্রাক সেলের পণ্য গুদামে রেখে পরে বিক্রির অভিযোগে আটক হয়েছেন। খুলনায়ও অবৈধ মজুতের প্রমাণ মিলেছে। একই ধরনের অনিয়ম একাধিক জেলায় ধরা পড়া উদ্বেগজনক।
টিসিবির পণ্য নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য। রোজায় এসব পণ্যের চাহিদা বাড়ে। তখন সরবরাহে অনিয়ম বাজারে চাপ বাড়ায়। ভোক্তা বঞ্চিত হন। একই সঙ্গে সরকারের ভর্তুকি নীতিও প্রশ্নের মুখে পড়ে। যদি ডিলার পর্যায়ে জবাবদিহি না থাকে, তবে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে না।
র্যাব, পুলিশ ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে। এসব উদ্যোগ প্রয়োজনীয়। তবে শুধু অভিযানে সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না। ডিলার নির্বাচন, পণ্য উত্তোলন ও বিতরণের ডিজিটাল নজরদারি বাড়াতে হবে। কোথায় কত পণ্য গেল এবং কার কাছে বিতরণ হলো সেটা দেখভাল করতে হবে।
স্থানীয় প্রশাসন, টিসিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা দরকার। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত অডিট ও মনিটরিং চালু থাকতে হবে।
আন্তর্জাতিক: খামেনি হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতির সরাসরি লঙ্ঘন
অপরাধ ও দুর্নীতি: মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী