মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর পাত্রখোলা সড়কের বিভিন্ন স্থানে রাতের আঁধারে রাষ্ট্রের গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে মদনমোহনপুর চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক মেহগনি ও অন্য মূল্যবান গাছ কাটা হচ্ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এসব গাছ কেটে পাচার করছে। গভীর রাতে বড় গাছ কেটে দ্রুত সরিয়ে নেয়া হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
গাছ কাটার এ ঘটনা শুধু মাধবপুর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। দেশের নানা স্থানেই রাষ্ট্রের বনভূমি, সড়কের পাশে এবং নদীপারের গাছ অবৈধভাবে কেটে নেয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এতে রাষ্ট্রের বিপুল সম্পদ নষ্ট হচ্ছে, পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড যদি রোধ করা না হয়, তবে শুধু স্থানীয় পরিবেশ নয়, দেশের বৃহত্তর বনভূমি ও জীববৈচিত্র্যেও বিপন্ন হবে।
দেশের বন ও গাছপালা রক্ষার জন্য কঠোর নজরদারি চালাতে হবে। গাছ ও বনভূমি রক্ষায় পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে হবে। শিক্ষামূলক প্রচার চালিয়ে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করা দরকার। রাষ্ট্রের গাছ কারণ ছাড়া বিনা অনুমতিতে কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এজন্য আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
আমরা আশা করব, মাধবপুরে রাষ্ট্রের গাছ কাটার ঘটনা যেন একটি সতর্কবার্তা হিসেব নেয়া হয়। রাষ্ট্র্রের সম্পদ রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বনভূমির সুস্থতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সবার। কেবল অভিযোগ করে বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দায় সারলে চলবে না। গাছ ও বনভূমি রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নিতে হবে বাস্তব পদক্ষেপ।
অর্থ-বাণিজ্য: অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে রডের দাম