জাঁ-নেসার ওসমান
‘ভাইরে এইডা কী! নরসুন্দরের পোয়া বার! নরসুন্দরের পোয়া বার! মাইনে কি তিন সের!’
‘তিন সের, সে আবার কিরে, এখনতো ডিজিটাল যুগ, সের নাই, কেজি। কেজির মাঝে তুই আবার সের, পোয়া, ছটাক, এসব কোথায় পেলি??’
‘তা তুই এদের নাপিত, ক্ষৌরকার, নরসুন্দর বল আর যাই বল; সামনে আসছে শুভদিন, দলে দলে সেলুন দিন।’
‘না, কোই, আপনে কোইলেন পোয়া বার। চার পোয়ায় এক সের, অতএব ডিডাকটিভ লজিক, চার পোয়ায় এক সের, অতএব বার পোয়ায় তিনসের। সিম্পেল।’
‘ওরে, কাঠবাঙাল, এই পোয়া বার মানে বার পোয়া বা তিনসের নয়, এই পোয়া বার মানে পাশা খেলায় পোয়া বার, মানে একটি বড় দান। পোয়া বার মানে পাশা খেলায় পাশাপাশি একই সাথে দু’টো ছক্কা ও একটা এক, মানে পোয়া উঠলে’ পাশা খেলার সবচেয়ে বড় দান। বর্তমানে, অদৃষ্টে লাভের সম্ভাবনা থাকলে পোয়া বার শব্দটা ব্যবহার করা হয়।’
‘বুঝলাম আন্নে কোইলেন ভ্যাইগ্যে যুদি কুনো লাভের সুযোগ আইবো, তায়লে আন্নে কোইবেন, হালার পোয়া বার, কিন্তুক আমি কোই আন্নের ভাইগ্যে কিয়ের লাভ পাইবেন যে, ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, বিখ্যাত সুরকার, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক আর্মি দ্বারা নিহত আলতাফ মাহমুদের শালা, লিনু বিল্লাহর বৌ-গীতি বিল্লারে ডাইকা আনছেন, ব্যাপার কী?’
‘আরে শুধু ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, লিনু বিল্লাহর,বৌ-গীতি বিল্লা না আরো আছে, জাহিদ খান, শাহিদা আহসান, জুরি বাই কারিশমা...’
‘সবই তো বুঝলাম, দুনিয়ার সব সেয়ানা বিউটিশিয়ানরে ডাইক্কা আনছেন, কিন্তু কামডা কিতা? এই বড় বড় নাইপতা নিয়া কোরবেনটা কী?’
‘তা তুই এদের নাপিত, ক্ষৌরকার, নরসুন্দর বল আর যাই বল; সামনে আসছে শুভদিন, দলে দলে সেলুন দিন।’
‘হ সেলুন দিন! চুয়াডাঙ্গার সেলুন অহন বাপ বাপ বইলা লৌড়পাড়ের, আর আন্নেনি কন সেলুন দিবেন!!’
‘ওহোরে এই বাঙালের একটাই দোষ. কথায় কথায় সব নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিবে। আরে আমি বলছি তুই সেলুন দে, মানে চুল কাটার দোকান দে, বেশ কিছু টাকা সৎভাবে কামাতে পারবি।’
‘ওম্মারে এইডা কী কন, মাইনষের চুল কামায়া ট্যাকা কামামু! ক্যাম্বায়?’
‘ব্যাপারটা খুবই সোজা। দ্যেখ বাংলাদেশে সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমায় নারী পুরুষ প্রায় সমান সমান, মানে পঞ্চাশ ভাগ পুরুষ আর পঞ্চাশ ভাগ নারী।’
‘পঞ্চাশ ভাগ পুরুষ আর পঞ্চাশ ভাগ নারী’ তয় বিশ কুটি নাগরিকের...’
‘পঞ্চাশ ভাগ পুরুষ মানে দশ কোটি পুরুষ। নাবালক বাদদিলে প্রায় সাত কোটি প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ, তাদের মুখম-ল সৌন্দর্যের জন্য তোর ভাষায় নাপিত, ক্ষৌরকার, নরসুন্দর যাই বল, তাদের লাগবে।’
‘এইডা তো, পাগলেও জানে আফটার সেভ লোশন লাগাইনের লাই শেভ করন লাগবো।’
‘জ্বি আর সেভ করতে গেলে ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, লিনু বিল্লাহর বৌ-গীতি বিল্লাদের, লাগবে। আর সাথে সাথে সেভ কর ভাই সেভ কর, ব্যাংক ব্যালেন্স রিচ কর।’
‘আন্নের আশায় গুড়ে বালি পড়বো। যতই করেন চিল্লাপাল্লা আইবো এইবার দরজার পাল্লা। দেশ চালাইবো স্বয়ং...’
‘জ্বি, গড়বড়টা সেখানেই ঘটেছে। এ্যতোদিন সবাই ভাবতো যতই করেন চিল্লাপাল্লা আইবো এইবার দরজার পাল্লা। কিন্তু বিধিবাম, এখন তুমি যতই করো চিল্লাপাল্লা নড়বড়ে সব দরজার পাল্লা। দেশ চালাবে স্বয়ং বিশ্বের রাজা, আমেরিকা।’
‘এ আবার কি কথা শুনাইলেন!! যতই করেন চিল্লাপাল্লা নড়বড়ে সব দরজার পাল্লা। মাইনে...’
‘হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ, কেন খোলা চোখে দেখতে পাচ্ছনা, বিদেশি সব রাষ্ট্রদূতরা আর দরজার পাল্লার ধারে কাছে আসছে না। তারা সব এখন পলাশ ঢাকা, কোকিল ডাকা, আমার এ দেশ ভাইরে, ধানের মাঠে ঢেউ খেলানো, এমন কোথাও নাই রে...বিদেশিরা সব ধানের ক্ষেতের ঢেউ গুনে বেড়াচ্ছে।’
‘বুঝলাম ভাই বড় বড় সব রাষ্ট্রনায়করা বাংলার রূপ-অপরূপ ধানের ক্ষেতের ঢেউ দ্যেখের, কিন্তু এর লগে আপনের ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, লিনু বিল্লাহর, বৌ-গীতি বিল্লা, জাহিদ খান, শাহিদা আহসান, জুরি বাই কারিশমা এগো সম্পর্ক কী??’
‘ও রে, গাড়ল এই সামান্য বিষয়টা তোর মাথায় ধরলো না...’
‘না মিয়া ভাই আঁই তো ন’বুঝির ক্যেমন কোরে, ভুটারের সাথে, ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস এই হক্কল বিউটিশিয়ানের যোগ আছে!!’
‘একটু আগে যে দেখলি সাত কোটি প্রাপ্তবয়ষ্ক ভোটার তাদের ক্ষৌর কর্ম শুরু করলে কত লোক লাগবে??’
‘সাতকুটির ক্ষৌরকর্মের জইন্য তো দেশের ব্যেবাগ নরসুন্দর আইলেও পাইরবে না। বিদেশ তেকে নাইপতা আনতে হবে যে। কিন্তু কতা হচ্ছে যে আপনের সাতকুটি লুকে ক্ষৌরকর্ম করবে ক্যান!!’
‘তুমি জেগে জেগে ঘুমাও! দেখছিস না প্রশাসনের সবাই এ্যতোদিন দরজার পাল্লার আশায় ক্ষৌরকর্ম বাদ দিয়ে ছিল। হাজার হাজার ব্লেড কোম্পানি প্রায় বন্ধ হবার জোগাড়। কিন্তু যেই দেখলো দরজার পাল্লা নড়বড়ে ব্যাস সাথে সাথে রাজপুত্র, কোটালপুত্র, মন্ত্রীপুত্র, সভাষদের আত্মীয়স্বজন সব, সব লাইন দিয়ে নাপিতের দোকানে সেভ করতে ব্যাস্ত। ব্লেড ফ্যাক্ট্রিগুলো আবার হাজার হাজার ব্লেড প্রডাকশান দিচ্ছে।’
‘আপনের কথা যদি মাইন্না নেই যে সকল পুত্ররা সেলুনে লাইন দিচ্ছে...তাহলে আমি কি ভুল দেখলাম...’
‘সেলুনে লাইনতো পড়বেই। কিন্তু তুই ভুল কি দেখলি??’
‘না দেখলাম যে, এবারের প্রার্থী ফারজানার ভইন শুরমন ফারহানাও লাইনে দাঁড়ায়ছে, হ্যায় আবার কি শেভ করবো??’
‘ও রে গাধা শুরমন ফারহানা এক্সশেপসেন অব দ্য ল... উনি লাইনে দাঁড়িয়েছেন হয়তো আই-ভ্রু’ প্লাক করবে বা গোঁফে ওয়্যাকসিং করবে, চুলে কালার করবে। জেন-জি’র প্যাখনা অনেক।’
‘হেঁ হেঁ কি যে কন মদ্দা-ব্যেডি লাইনে, এক্সশেপসেন অব দ্য ল...’
‘থাক আর কথা না বাড়িয়ে চল সবাইকে নিয়ে ক্ষৌর কর্মে লিপ্ত হোই।’
‘ঠিকই কোইছেন নাইপতার পোয়া বার।’
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
জাঁ-নেসার ওসমান
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
‘ভাইরে এইডা কী! নরসুন্দরের পোয়া বার! নরসুন্দরের পোয়া বার! মাইনে কি তিন সের!’
‘তিন সের, সে আবার কিরে, এখনতো ডিজিটাল যুগ, সের নাই, কেজি। কেজির মাঝে তুই আবার সের, পোয়া, ছটাক, এসব কোথায় পেলি??’
‘তা তুই এদের নাপিত, ক্ষৌরকার, নরসুন্দর বল আর যাই বল; সামনে আসছে শুভদিন, দলে দলে সেলুন দিন।’
‘না, কোই, আপনে কোইলেন পোয়া বার। চার পোয়ায় এক সের, অতএব ডিডাকটিভ লজিক, চার পোয়ায় এক সের, অতএব বার পোয়ায় তিনসের। সিম্পেল।’
‘ওরে, কাঠবাঙাল, এই পোয়া বার মানে বার পোয়া বা তিনসের নয়, এই পোয়া বার মানে পাশা খেলায় পোয়া বার, মানে একটি বড় দান। পোয়া বার মানে পাশা খেলায় পাশাপাশি একই সাথে দু’টো ছক্কা ও একটা এক, মানে পোয়া উঠলে’ পাশা খেলার সবচেয়ে বড় দান। বর্তমানে, অদৃষ্টে লাভের সম্ভাবনা থাকলে পোয়া বার শব্দটা ব্যবহার করা হয়।’
‘বুঝলাম আন্নে কোইলেন ভ্যাইগ্যে যুদি কুনো লাভের সুযোগ আইবো, তায়লে আন্নে কোইবেন, হালার পোয়া বার, কিন্তুক আমি কোই আন্নের ভাইগ্যে কিয়ের লাভ পাইবেন যে, ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, বিখ্যাত সুরকার, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক আর্মি দ্বারা নিহত আলতাফ মাহমুদের শালা, লিনু বিল্লাহর বৌ-গীতি বিল্লারে ডাইকা আনছেন, ব্যাপার কী?’
‘আরে শুধু ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, লিনু বিল্লাহর,বৌ-গীতি বিল্লা না আরো আছে, জাহিদ খান, শাহিদা আহসান, জুরি বাই কারিশমা...’
‘সবই তো বুঝলাম, দুনিয়ার সব সেয়ানা বিউটিশিয়ানরে ডাইক্কা আনছেন, কিন্তু কামডা কিতা? এই বড় বড় নাইপতা নিয়া কোরবেনটা কী?’
‘তা তুই এদের নাপিত, ক্ষৌরকার, নরসুন্দর বল আর যাই বল; সামনে আসছে শুভদিন, দলে দলে সেলুন দিন।’
‘হ সেলুন দিন! চুয়াডাঙ্গার সেলুন অহন বাপ বাপ বইলা লৌড়পাড়ের, আর আন্নেনি কন সেলুন দিবেন!!’
‘ওহোরে এই বাঙালের একটাই দোষ. কথায় কথায় সব নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিবে। আরে আমি বলছি তুই সেলুন দে, মানে চুল কাটার দোকান দে, বেশ কিছু টাকা সৎভাবে কামাতে পারবি।’
‘ওম্মারে এইডা কী কন, মাইনষের চুল কামায়া ট্যাকা কামামু! ক্যাম্বায়?’
‘ব্যাপারটা খুবই সোজা। দ্যেখ বাংলাদেশে সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমায় নারী পুরুষ প্রায় সমান সমান, মানে পঞ্চাশ ভাগ পুরুষ আর পঞ্চাশ ভাগ নারী।’
‘পঞ্চাশ ভাগ পুরুষ আর পঞ্চাশ ভাগ নারী’ তয় বিশ কুটি নাগরিকের...’
‘পঞ্চাশ ভাগ পুরুষ মানে দশ কোটি পুরুষ। নাবালক বাদদিলে প্রায় সাত কোটি প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ, তাদের মুখম-ল সৌন্দর্যের জন্য তোর ভাষায় নাপিত, ক্ষৌরকার, নরসুন্দর যাই বল, তাদের লাগবে।’
‘এইডা তো, পাগলেও জানে আফটার সেভ লোশন লাগাইনের লাই শেভ করন লাগবো।’
‘জ্বি আর সেভ করতে গেলে ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, লিনু বিল্লাহর বৌ-গীতি বিল্লাদের, লাগবে। আর সাথে সাথে সেভ কর ভাই সেভ কর, ব্যাংক ব্যালেন্স রিচ কর।’
‘আন্নের আশায় গুড়ে বালি পড়বো। যতই করেন চিল্লাপাল্লা আইবো এইবার দরজার পাল্লা। দেশ চালাইবো স্বয়ং...’
‘জ্বি, গড়বড়টা সেখানেই ঘটেছে। এ্যতোদিন সবাই ভাবতো যতই করেন চিল্লাপাল্লা আইবো এইবার দরজার পাল্লা। কিন্তু বিধিবাম, এখন তুমি যতই করো চিল্লাপাল্লা নড়বড়ে সব দরজার পাল্লা। দেশ চালাবে স্বয়ং বিশ্বের রাজা, আমেরিকা।’
‘এ আবার কি কথা শুনাইলেন!! যতই করেন চিল্লাপাল্লা নড়বড়ে সব দরজার পাল্লা। মাইনে...’
‘হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ, কেন খোলা চোখে দেখতে পাচ্ছনা, বিদেশি সব রাষ্ট্রদূতরা আর দরজার পাল্লার ধারে কাছে আসছে না। তারা সব এখন পলাশ ঢাকা, কোকিল ডাকা, আমার এ দেশ ভাইরে, ধানের মাঠে ঢেউ খেলানো, এমন কোথাও নাই রে...বিদেশিরা সব ধানের ক্ষেতের ঢেউ গুনে বেড়াচ্ছে।’
‘বুঝলাম ভাই বড় বড় সব রাষ্ট্রনায়করা বাংলার রূপ-অপরূপ ধানের ক্ষেতের ঢেউ দ্যেখের, কিন্তু এর লগে আপনের ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস, লিনু বিল্লাহর, বৌ-গীতি বিল্লা, জাহিদ খান, শাহিদা আহসান, জুরি বাই কারিশমা এগো সম্পর্ক কী??’
‘ও রে, গাড়ল এই সামান্য বিষয়টা তোর মাথায় ধরলো না...’
‘না মিয়া ভাই আঁই তো ন’বুঝির ক্যেমন কোরে, ভুটারের সাথে, ফারজানা শাকিল, হাবীব, কানিজ আলমাস এই হক্কল বিউটিশিয়ানের যোগ আছে!!’
‘একটু আগে যে দেখলি সাত কোটি প্রাপ্তবয়ষ্ক ভোটার তাদের ক্ষৌর কর্ম শুরু করলে কত লোক লাগবে??’
‘সাতকুটির ক্ষৌরকর্মের জইন্য তো দেশের ব্যেবাগ নরসুন্দর আইলেও পাইরবে না। বিদেশ তেকে নাইপতা আনতে হবে যে। কিন্তু কতা হচ্ছে যে আপনের সাতকুটি লুকে ক্ষৌরকর্ম করবে ক্যান!!’
‘তুমি জেগে জেগে ঘুমাও! দেখছিস না প্রশাসনের সবাই এ্যতোদিন দরজার পাল্লার আশায় ক্ষৌরকর্ম বাদ দিয়ে ছিল। হাজার হাজার ব্লেড কোম্পানি প্রায় বন্ধ হবার জোগাড়। কিন্তু যেই দেখলো দরজার পাল্লা নড়বড়ে ব্যাস সাথে সাথে রাজপুত্র, কোটালপুত্র, মন্ত্রীপুত্র, সভাষদের আত্মীয়স্বজন সব, সব লাইন দিয়ে নাপিতের দোকানে সেভ করতে ব্যাস্ত। ব্লেড ফ্যাক্ট্রিগুলো আবার হাজার হাজার ব্লেড প্রডাকশান দিচ্ছে।’
‘আপনের কথা যদি মাইন্না নেই যে সকল পুত্ররা সেলুনে লাইন দিচ্ছে...তাহলে আমি কি ভুল দেখলাম...’
‘সেলুনে লাইনতো পড়বেই। কিন্তু তুই ভুল কি দেখলি??’
‘না দেখলাম যে, এবারের প্রার্থী ফারজানার ভইন শুরমন ফারহানাও লাইনে দাঁড়ায়ছে, হ্যায় আবার কি শেভ করবো??’
‘ও রে গাধা শুরমন ফারহানা এক্সশেপসেন অব দ্য ল... উনি লাইনে দাঁড়িয়েছেন হয়তো আই-ভ্রু’ প্লাক করবে বা গোঁফে ওয়্যাকসিং করবে, চুলে কালার করবে। জেন-জি’র প্যাখনা অনেক।’
‘হেঁ হেঁ কি যে কন মদ্দা-ব্যেডি লাইনে, এক্সশেপসেন অব দ্য ল...’
‘থাক আর কথা না বাড়িয়ে চল সবাইকে নিয়ে ক্ষৌর কর্মে লিপ্ত হোই।’
‘ঠিকই কোইছেন নাইপতার পোয়া বার।’
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]