গৌতম রায়
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। সবার কাছে এখন এটাই বড় প্রশ্ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবেন? বামেরা কেমন ফল করবে? বিজেপির ফল-ই বা কেমন হবে? নতুন কোন শক্তির কি আত্মপ্রকাশ ঘটবে এই ভোটে? এই প্রশ্নগুলি এখন বাংলার ভৌগলিক সীমা অতিক্রম করে গোটা ভারতের মানুষদের কাছেই উঠে আসছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের মানুষের ও নজর আছে এই প্রশ্নগুলোর দিকে।
পাঁচ বছর ধরে যেসব রাজনৈতিক ইস্যুগুলো এই রাজ্যে আবর্তিত হতে থাকে, দেখা যায়, ঠিক ভোট এলে সেসব ইস্যুগুলো আর মানুষের মনে উঠে আসে না। বিজেপি আর তৃণমূল, একে অপরের পরিপূরক দুটি রাজনৈতিক দল, নিজেদের হনুমানের পিঠে ভাগের গল্পের মতো এমন কিছু অরাজনৈতিক বিষয়কে রাজনৈতিক বলে ভোটের বাজারে চালিয়ে দেয়, যার ফলে মূল রাজনৈতিক বিষয়গুলো থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে সরে যায়।
অতীতে আমরা দেখেছি, দুর্নীতির ইস্যু যখন মমতার ক্ষমতা হারানোকে একপ্রকার নিশ্চিত করে দিয়েছে। তখন বিজেপির মস্তিষ্ক আর এস এস, প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে একশটি আসনে মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেসের জয় কে নিশ্চিত করেছে। ফলে ক্ষমতায় থেকে গেছেন মমতা। বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী প্রকাশ্যে সংবাদ মাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছিলেন, একশটি আসনে মমতার দলকে আর এস এসের জিতিয়ে দেয়ার বিষয়টি।
কী লোকসভা, কী বিধানসভা- ভোটপর্ব এগিয়ে এলেই চরম হিন্দু সাম্প্রদায়িক বিজেপি এবং প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িক তৃণমূল কংগ্রেস বিভাজনের রাজনীতি, ঘৃণার রাজনীতিকে এমন উগ্র আকারে তুলে আনে, যেখানে মানুষের জীবন-জীবিকার প্রশ্ন ঢাকা পড়ে যায়। পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে সরকারি স্তরে শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে একটা চরম অরাজক অবস্থা। ভয়াবহ দুর্নীতির জেরে যোগ্য মানুষরা চাকরি পাচ্ছেন না। আর ঘুষ দিয়ে চাকরি কেনা লোকেরা আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন।
এই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এখন পশ্চিমবঙ্গের একটা জ্বলন্ত সমস্যা। তাছাড়াও রয়েছে আরো বহু দুর্নীতির ঘটনা। গরু পাচর থেকে কয়লা- প্রতিটি ক্ষেত্রে উঠে আসছে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-পরিজনের নাম। বিষয়গুলো আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দিচ্ছেন সরাসরি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। বিষয়টি দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টে পর্যন্ত পৌঁছিয়েছে। দুর্নীতিবাজ দের বাঁচাতে প্রকশ্যে কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করাই হয়ে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতার একমাত্র উদ্দেশ্য। সেই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে জনসভাতে তিনি এমন কথা বলছেন, এমন আচরণ করছেন যাকে কখনো কোন সুস্থ মানুষের কথা বা আচরণ বলে চিহ্নিত করা যেতে পারে না।
পশ্চিমবঙ্গের প্রচারমাধ্যমের দিকে যদি নজর দেয়া যায়, তাহলে দেখা যাবে, তাদের বেশির ভাগই বিজেপির বিরুদ্ধে বামেদের যে লড়াই, কংগ্রেসের যে লড়াই- সেসব ঘিরে কার্যত নীরব। তারা একমাত্র মমতার বিজেপির বিরুদ্ধে লোক দেখানো লড়াই ঘিরেই খবর করে যাচ্ছে। একটি বারের জন্যও তারা বলছে না, আর এস এস প্রধান মোহন ভাগবত কলকাতায় এসে কতটা মসৃণভাবে সভার নামে এই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়িয়ে যাচ্ছে সে সস্পর্কে। ভাগবত ঘিরে মমতা কেন আজ পর্যন্ত একটা শব্দ উচ্চারণ করেন না, এ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তোলবার সাহস পর্যন্ত কেন এই রাজ্যের গরিষ্ঠ মিডিয়াগুলোর হলো না?
পশ্চিমবঙ্গে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের মুখে। মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামীয় ঐতিহ্য বজায় রেখে আধুনিকতার পথে যে অভিমুখ বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে হয়েছিল, তার প্রায় পুরোটাই আজ অকেজো হয়ে পড়েছে। ইসলামীয় পরম্পরা অনুযায়ী থিয়োজফির যে চর্চা মাদ্রাসাশিক্ষায় ছিল, শিক্ষক নিয়োগে মমতার সরকারের চূড়ান্ত দুর্নীতি, দলবাজি আর স্বজনপোষণের জন্যে সেই ধর্মতত্ত্বের বিষয়টা এখন এই রাজ্যের মাদ্রাসাশিক্ষায় চরম অবহেলিত।
মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ছেলেমেয়েরা চাকরি পাচ্ছে না। চাকরির দাবিতে তারা দিনের পর দিন রাজপথে অনশন, অবস্থান করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিষয়টির সুরাহার আশ্বাস দেয়ার পরেও বেশ কয়েকটা বছর কেটে গেছে। কোন সুরাহা হয়নি।
মাদ্রাসাশিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নে দুর্নীতির ঘটনায় আজকের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সেদিন তৃণমূলে থাকাকালীন পরিচালক সমিতির মাধ্যমে ভয়াবহ দর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। সে সম্পর্কে আজ পর্যন্ত না মোদির সরকার কোন ব্যবস্থা নিয়েছে। না মমতার সরকার কোন ব্যবস্থা নিয়েছে। মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে কার্যত অকেজো করে দিয়ে আবার পরিচালন সমিতির ব্যবস্থা ঘুর পথে পুনর্বহালে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়েছে মমতার সরকার। উদ্দেশ্য আরো বেশি ঘুষের মুক্তাঞ্চল তৈরি করা।
শহর-গ্রামজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সিন্ডিকেট রাজ। নিম্নবিত্ত ঘরের ছেলেরা বা যারা সেভাবে প্রথাগত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না, তাদের কাছে’ করে খাওয়ার ‘জায়গা হয়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেট রাজ। গোটা বাংলাজুড়ে এর ফলে সামাজিক ক্ষেত্রে নেমে আসছে একটা চরম অবক্ষয়। এই সিন্ডিকেট রাজ বাংলার সমাজ কাঠামোতে এমন একটা অবস্থা তৈরি করছে, যার দরুণ মানুষের কাছে রাজনীতির মৌলিক প্রশ্নটা দূরে সরে যাচ্ছে। ভাত-কাপড়ের লড়াইটা হারিয়ে যাচ্ছে।
[লেখক: ভারতীয় ইতিহাসবিদ]
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
গৌতম রায়
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। সবার কাছে এখন এটাই বড় প্রশ্ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবেন? বামেরা কেমন ফল করবে? বিজেপির ফল-ই বা কেমন হবে? নতুন কোন শক্তির কি আত্মপ্রকাশ ঘটবে এই ভোটে? এই প্রশ্নগুলি এখন বাংলার ভৌগলিক সীমা অতিক্রম করে গোটা ভারতের মানুষদের কাছেই উঠে আসছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের মানুষের ও নজর আছে এই প্রশ্নগুলোর দিকে।
পাঁচ বছর ধরে যেসব রাজনৈতিক ইস্যুগুলো এই রাজ্যে আবর্তিত হতে থাকে, দেখা যায়, ঠিক ভোট এলে সেসব ইস্যুগুলো আর মানুষের মনে উঠে আসে না। বিজেপি আর তৃণমূল, একে অপরের পরিপূরক দুটি রাজনৈতিক দল, নিজেদের হনুমানের পিঠে ভাগের গল্পের মতো এমন কিছু অরাজনৈতিক বিষয়কে রাজনৈতিক বলে ভোটের বাজারে চালিয়ে দেয়, যার ফলে মূল রাজনৈতিক বিষয়গুলো থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে সরে যায়।
অতীতে আমরা দেখেছি, দুর্নীতির ইস্যু যখন মমতার ক্ষমতা হারানোকে একপ্রকার নিশ্চিত করে দিয়েছে। তখন বিজেপির মস্তিষ্ক আর এস এস, প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে একশটি আসনে মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেসের জয় কে নিশ্চিত করেছে। ফলে ক্ষমতায় থেকে গেছেন মমতা। বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী প্রকাশ্যে সংবাদ মাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছিলেন, একশটি আসনে মমতার দলকে আর এস এসের জিতিয়ে দেয়ার বিষয়টি।
কী লোকসভা, কী বিধানসভা- ভোটপর্ব এগিয়ে এলেই চরম হিন্দু সাম্প্রদায়িক বিজেপি এবং প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িক তৃণমূল কংগ্রেস বিভাজনের রাজনীতি, ঘৃণার রাজনীতিকে এমন উগ্র আকারে তুলে আনে, যেখানে মানুষের জীবন-জীবিকার প্রশ্ন ঢাকা পড়ে যায়। পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে সরকারি স্তরে শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে একটা চরম অরাজক অবস্থা। ভয়াবহ দুর্নীতির জেরে যোগ্য মানুষরা চাকরি পাচ্ছেন না। আর ঘুষ দিয়ে চাকরি কেনা লোকেরা আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন।
এই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এখন পশ্চিমবঙ্গের একটা জ্বলন্ত সমস্যা। তাছাড়াও রয়েছে আরো বহু দুর্নীতির ঘটনা। গরু পাচর থেকে কয়লা- প্রতিটি ক্ষেত্রে উঠে আসছে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-পরিজনের নাম। বিষয়গুলো আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দিচ্ছেন সরাসরি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। বিষয়টি দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টে পর্যন্ত পৌঁছিয়েছে। দুর্নীতিবাজ দের বাঁচাতে প্রকশ্যে কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করাই হয়ে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতার একমাত্র উদ্দেশ্য। সেই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে জনসভাতে তিনি এমন কথা বলছেন, এমন আচরণ করছেন যাকে কখনো কোন সুস্থ মানুষের কথা বা আচরণ বলে চিহ্নিত করা যেতে পারে না।
পশ্চিমবঙ্গের প্রচারমাধ্যমের দিকে যদি নজর দেয়া যায়, তাহলে দেখা যাবে, তাদের বেশির ভাগই বিজেপির বিরুদ্ধে বামেদের যে লড়াই, কংগ্রেসের যে লড়াই- সেসব ঘিরে কার্যত নীরব। তারা একমাত্র মমতার বিজেপির বিরুদ্ধে লোক দেখানো লড়াই ঘিরেই খবর করে যাচ্ছে। একটি বারের জন্যও তারা বলছে না, আর এস এস প্রধান মোহন ভাগবত কলকাতায় এসে কতটা মসৃণভাবে সভার নামে এই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়িয়ে যাচ্ছে সে সস্পর্কে। ভাগবত ঘিরে মমতা কেন আজ পর্যন্ত একটা শব্দ উচ্চারণ করেন না, এ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তোলবার সাহস পর্যন্ত কেন এই রাজ্যের গরিষ্ঠ মিডিয়াগুলোর হলো না?
পশ্চিমবঙ্গে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের মুখে। মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামীয় ঐতিহ্য বজায় রেখে আধুনিকতার পথে যে অভিমুখ বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে হয়েছিল, তার প্রায় পুরোটাই আজ অকেজো হয়ে পড়েছে। ইসলামীয় পরম্পরা অনুযায়ী থিয়োজফির যে চর্চা মাদ্রাসাশিক্ষায় ছিল, শিক্ষক নিয়োগে মমতার সরকারের চূড়ান্ত দুর্নীতি, দলবাজি আর স্বজনপোষণের জন্যে সেই ধর্মতত্ত্বের বিষয়টা এখন এই রাজ্যের মাদ্রাসাশিক্ষায় চরম অবহেলিত।
মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ছেলেমেয়েরা চাকরি পাচ্ছে না। চাকরির দাবিতে তারা দিনের পর দিন রাজপথে অনশন, অবস্থান করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিষয়টির সুরাহার আশ্বাস দেয়ার পরেও বেশ কয়েকটা বছর কেটে গেছে। কোন সুরাহা হয়নি।
মাদ্রাসাশিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নে দুর্নীতির ঘটনায় আজকের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সেদিন তৃণমূলে থাকাকালীন পরিচালক সমিতির মাধ্যমে ভয়াবহ দর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। সে সম্পর্কে আজ পর্যন্ত না মোদির সরকার কোন ব্যবস্থা নিয়েছে। না মমতার সরকার কোন ব্যবস্থা নিয়েছে। মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে কার্যত অকেজো করে দিয়ে আবার পরিচালন সমিতির ব্যবস্থা ঘুর পথে পুনর্বহালে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়েছে মমতার সরকার। উদ্দেশ্য আরো বেশি ঘুষের মুক্তাঞ্চল তৈরি করা।
শহর-গ্রামজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সিন্ডিকেট রাজ। নিম্নবিত্ত ঘরের ছেলেরা বা যারা সেভাবে প্রথাগত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না, তাদের কাছে’ করে খাওয়ার ‘জায়গা হয়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেট রাজ। গোটা বাংলাজুড়ে এর ফলে সামাজিক ক্ষেত্রে নেমে আসছে একটা চরম অবক্ষয়। এই সিন্ডিকেট রাজ বাংলার সমাজ কাঠামোতে এমন একটা অবস্থা তৈরি করছে, যার দরুণ মানুষের কাছে রাজনীতির মৌলিক প্রশ্নটা দূরে সরে যাচ্ছে। ভাত-কাপড়ের লড়াইটা হারিয়ে যাচ্ছে।
[লেখক: ভারতীয় ইতিহাসবিদ]