alt

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

গুরু রবিদাস: সমতার বার্তা ও মানবতাবাদী শিক্ষার প্রতিধ্বনি

বাবুল রবিদাস

: রোববার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১ ফেব্রুয়ারি ছিল গুরু রবিদাস জীর জন্মজয়ন্তী। সমাজে দেখা যায়, কেউ ধনী আবার কেউ গরিব। এটি কেন হয়? অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের পেছনে প্রধান কারণ হলো সম্পদের অসম বণ্টন, শোষণ, নিপীড়ন এবং প্রথাগত কুসংস্কার। পূর্বে শূদ্র শ্রেণির মানুষ প্রকাশ্যে রাস্তায় বের হতে পারত না। তারা বাজার-ঘাট করতে পারত না। শূদ্রদের ছায়া কারো গায়ে লেগে গেলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হতো। লেখাপড়ার অধিকারও তাদের ছিল না। সমাজে তাদের সর্বদা নিচের স্থানেই থাকতে হতো, প্রতিবাদ করলে শাস্তি দেয়া হতো। এর ফলে ধনী ও গরিবের মধ্যে এক চরম বৈষম্য তৈরি হয়েছিল। যোগ্যতা, শ্রম বা পরিশ্রমের ভিত্তিতে কাউকে মূল্যায়ন করা হতো না।

গুরু রবিদাস জি বারবার বলতেন, মানুষের মর্যাদা তার বংশ, ধর্ম বা সামাজিক স্তর দ্বারা নির্ধারিত হয় না। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য বা শূদ্র-সবাই সমান। প্রত্যেকের অধিকার প্রকৃতির দেয়া এবং তার নিজস্ব শ্রমের মাধ্যমে অর্জিত। পৃথিবীতে মানুষের জন্ম ও বংশবিস্তার সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিকভাবে মাতৃগর্ভের মাধ্যমে ঘটে। কিন্তু কুসংস্কার ও ভুল ধারণায় বলা হতো যে, ব্রাহ্মণরা মাথা থেকে, ক্ষত্রিয়রা বাহু থেকে, বৈশ্যরা নাভি থেকে এবং শূদ্ররা পা থেকে জন্ম নেন। এটি একেবারেই ভুল এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত। গুরু রবিদাস এই ধরনের অলৌকিক ব্যাখ্যা, কুসংস্কার ও প্রথার বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি বলতেন-“চতুর বর্ণ প্রথা ভাঙতে হবে, সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে।”

মানব সমাজ প্রায় ছয় হাজার জাতিতে বিভক্ত। চার স্তরের বিভাজন, বর্ণভেদ, অস্পৃশ্যতা ও বৈষম্য সামাজিক সম্পর্ককে দুর্বল করেছে। মানুষ বিপদে একে অপরের পাশে আসে না। কারো সমস্যার সময় সাহায্য বা সমর্থন পাওয়া যায় না। মুখে বলা হয় এক রকম, আচরণে প্রকাশ পায় আরেক রকম। গুরু রবিদাস মনে করতেন, এই প্রথা সমাজে অসাম্যকে দৃঢ় করেছে। তার সমাধান হলো-জাতপাতের বিদায়, একে অপরের প্রতি বন্ধুত্ব, আত্মীয়তা ও মানবিক সহমর্মিতা। শিক্ষা অর্জন ও বিতরণ অবশ্যক, কারণ শিক্ষিত সমাজেই সমতা ও মানবিকতার প্রসার সম্ভব।

আজকের যুগে, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ মানুষকে শিখিয়েছে যে, কাজ ও শ্রমই প্রধান। তবে অনেক ক্ষেত্রেই দলিত ও বঞ্চিত মানুষকে সমাজে ঘৃণা করা হয়, তাদের উৎপাদিত জিনিসপত্রকে অগ্রহণযোগ্য মনে করা হয়। গুরু রবিদাস বলতেন-“জ্ঞান অর্জন করে যোগ্যতা তৈরি করো, কুসংস্কার মুক্ত সমাজে একতা গড়ে তোলো।” শিক্ষিত মানুষ দেশ-বিদেশের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে নিজের মতো করে গ্রহণ করে। সমাজে ভালোবাসা, যত্ন ও সমবায়িক আচরণ সমাজকে সমৃদ্ধ করে।

শ্রমিক ও কৃষকরা দৈনন্দিন পরিশ্রমের মাধ্যমে খাদ্য, কাপড় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপন্ন করে। আবার পূরোহিত ও সন্যাসীরা পূজা-পার্বণের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অর্থ উপার্জন করে। গুরু রবিদাস মনে করতেন প্রকৃত শ্রেষ্ঠ সাধক হলো শ্রমিক ও কৃষক, কারণ তাদের পরিশ্রমেই সমাজ চলমান থাকে। তিনি বলতেন-“দুঃখী ও বঞ্চিতদের সেবা করো। ছোট-বড় সকলকে ভালোবাসো এবং সমাজে মিলে মিশে বসবাস করো।”

তিনি বর্ণ বৈষম্য, অস্পৃশ্যতা ও মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কখনোই পছন্দ করতেন না। তার মূল বার্তা হলোÑসব মানুষ সমান। ছোট-বড় বা সামাজিক স্তরের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য সহ্য করা যায় না। গুরু রবিদাস লেখনী, বক্তৃতা ও কবিতার মাধ্যমে এই সমতার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জীবিত থাকার সময় থেকে মানুষের মধ্যে মানবিক চেতনা ও সামাজিক সমতার চেতনা প্রচার করেছেন।

তার মানবতাবাদী শিক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক। বর্তমান যুগে বৈজ্ঞানিক শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং সম্মান বৃদ্ধির মাধ্যমে শুধু সমাজই নয়, পুরো মানবজাতি সমৃদ্ধ হবে। গুরু রবিদাসের বার্তা-“মানুষকে মানুষ হিসেবে গ্রহণ করো, দুঃখী ও বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াও, সমতা ও মানবতাকে প্রতিষ্ঠা করো”-এটি চিরকালীন শিক্ষার প্রতীক।

সমাজে যদি আমরা তার শিক্ষা মেনে চলি, তাহলে প্রতিটি মানুষ তার অধিকার, মর্যাদা ও সুযোগ অনুযায়ী বাঁচতে পারবে। শিক্ষা, শ্রম, ভালোবাসা ও মানবিক আচরণই সমাজে শান্তি, সমতা ও সমৃদ্ধি আনতে পারে। গুরু রবিদাসের সমতার বার্তা আমাদের প্রতিদিনের জীবনে প্রযোজ্য। এটি শুধু অতীত নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা।

[লেখক: অ্যাডভোকেট, জজ কোর্ট, জয়পুরহাট]

অপরাধ দমন না অধিকার সুরক্ষা?

ভোটের মাস, ভাষার মাস

ব্যর্থতা নৈতিক নয় কাঠামোগত: দুর্নীতি ও বাংলাদেশের সমাজবাস্তবতা

জমি ভুলে খাস হয়ে গেলে সহজে ফেরত আনবেন কীভাবে?

আমরা কি জালিয়াত জাতি?

মন্ত্রীদের জন্য বিলাসী ফ্ল্যাট

ধর্মান্ধ আর প্রতিযোগিতা: দুই সাম্প্রদায়িকের খেলা

ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী: সমাজের নতুন ব্যাধি

ছবি

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও স্বপ্নভঙ্গের বেদনা

বাড়ি ভাড়া নির্দেশিকা: ভাড়াটিয়াদের স্বার্থ সুরক্ষা নাকি দুর্ভোগের নতুন দরজা

ক্ষমতা যখন নিজেকেই তোষামোদ করে

‘খাল কেটে কুমির আনা...’

শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি

অধিকারহীনতার বৃত্তে আদিবাসী জীবন

স্লোগানে ফ্যাসিবাদ, ভোটের মাঠে আশির্বাদ!

ভাঙা-গড়া সমাজের আমূল পরিবর্তন আনে

শান্তির বৃত্তে বাঁধা বাঘ

শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি

চলচ্চিত্র শিল্প : সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা

ছবি

জলবায়ু পরিবর্তন ও গ্রিনল্যান্ড: নতুন ভূ-রাজনীতির ইঙ্গিত

ব্যাংকিং খাত: সংকট, সংস্কার ও আস্থার সন্ধান

চলচ্চিত্র শিল্প : সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা

কুষ্ঠ-সম্পর্কিত কুসংস্কার ও বৈষম্য

ব্যাংক ধসের দায় কার?

পশ্চিমবঙ্গে অহেতুক হয়রানির মূল টার্গেট মুসলমানেরাই

’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান

নির্বাচনের আগেই জানা গেল আংশিক ফল!

শীতকালীন অসুখ-বিসুখ

দিশাহীন অর্থনীতি, নিষ্ক্রিয় অন্তর্বর্তী সরকার

নরসুন্দরের পোয়াবারো

জামায়াতের ‘অক্টোপাস পলিসি’ কৌশল নাকি রাজনৈতিক বিভ্রান্তি?

ছবি

অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও গোলক ধাঁধা

আগুনের ছাইয়ে কলমের আলো

বিগ বাউন্স শেষে বিগ ক্রাঞ্চের পথে ব্রহ্মাণ্ড

সংস্কৃতি চর্চা: শিকড়, সংকট ও আগ্রাসন

শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত কারাব্যবস্থার প্রত্যাশা

tab

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

গুরু রবিদাস: সমতার বার্তা ও মানবতাবাদী শিক্ষার প্রতিধ্বনি

বাবুল রবিদাস

রোববার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১ ফেব্রুয়ারি ছিল গুরু রবিদাস জীর জন্মজয়ন্তী। সমাজে দেখা যায়, কেউ ধনী আবার কেউ গরিব। এটি কেন হয়? অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের পেছনে প্রধান কারণ হলো সম্পদের অসম বণ্টন, শোষণ, নিপীড়ন এবং প্রথাগত কুসংস্কার। পূর্বে শূদ্র শ্রেণির মানুষ প্রকাশ্যে রাস্তায় বের হতে পারত না। তারা বাজার-ঘাট করতে পারত না। শূদ্রদের ছায়া কারো গায়ে লেগে গেলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হতো। লেখাপড়ার অধিকারও তাদের ছিল না। সমাজে তাদের সর্বদা নিচের স্থানেই থাকতে হতো, প্রতিবাদ করলে শাস্তি দেয়া হতো। এর ফলে ধনী ও গরিবের মধ্যে এক চরম বৈষম্য তৈরি হয়েছিল। যোগ্যতা, শ্রম বা পরিশ্রমের ভিত্তিতে কাউকে মূল্যায়ন করা হতো না।

গুরু রবিদাস জি বারবার বলতেন, মানুষের মর্যাদা তার বংশ, ধর্ম বা সামাজিক স্তর দ্বারা নির্ধারিত হয় না। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য বা শূদ্র-সবাই সমান। প্রত্যেকের অধিকার প্রকৃতির দেয়া এবং তার নিজস্ব শ্রমের মাধ্যমে অর্জিত। পৃথিবীতে মানুষের জন্ম ও বংশবিস্তার সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিকভাবে মাতৃগর্ভের মাধ্যমে ঘটে। কিন্তু কুসংস্কার ও ভুল ধারণায় বলা হতো যে, ব্রাহ্মণরা মাথা থেকে, ক্ষত্রিয়রা বাহু থেকে, বৈশ্যরা নাভি থেকে এবং শূদ্ররা পা থেকে জন্ম নেন। এটি একেবারেই ভুল এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত। গুরু রবিদাস এই ধরনের অলৌকিক ব্যাখ্যা, কুসংস্কার ও প্রথার বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি বলতেন-“চতুর বর্ণ প্রথা ভাঙতে হবে, সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে।”

মানব সমাজ প্রায় ছয় হাজার জাতিতে বিভক্ত। চার স্তরের বিভাজন, বর্ণভেদ, অস্পৃশ্যতা ও বৈষম্য সামাজিক সম্পর্ককে দুর্বল করেছে। মানুষ বিপদে একে অপরের পাশে আসে না। কারো সমস্যার সময় সাহায্য বা সমর্থন পাওয়া যায় না। মুখে বলা হয় এক রকম, আচরণে প্রকাশ পায় আরেক রকম। গুরু রবিদাস মনে করতেন, এই প্রথা সমাজে অসাম্যকে দৃঢ় করেছে। তার সমাধান হলো-জাতপাতের বিদায়, একে অপরের প্রতি বন্ধুত্ব, আত্মীয়তা ও মানবিক সহমর্মিতা। শিক্ষা অর্জন ও বিতরণ অবশ্যক, কারণ শিক্ষিত সমাজেই সমতা ও মানবিকতার প্রসার সম্ভব।

আজকের যুগে, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ মানুষকে শিখিয়েছে যে, কাজ ও শ্রমই প্রধান। তবে অনেক ক্ষেত্রেই দলিত ও বঞ্চিত মানুষকে সমাজে ঘৃণা করা হয়, তাদের উৎপাদিত জিনিসপত্রকে অগ্রহণযোগ্য মনে করা হয়। গুরু রবিদাস বলতেন-“জ্ঞান অর্জন করে যোগ্যতা তৈরি করো, কুসংস্কার মুক্ত সমাজে একতা গড়ে তোলো।” শিক্ষিত মানুষ দেশ-বিদেশের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে নিজের মতো করে গ্রহণ করে। সমাজে ভালোবাসা, যত্ন ও সমবায়িক আচরণ সমাজকে সমৃদ্ধ করে।

শ্রমিক ও কৃষকরা দৈনন্দিন পরিশ্রমের মাধ্যমে খাদ্য, কাপড় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপন্ন করে। আবার পূরোহিত ও সন্যাসীরা পূজা-পার্বণের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অর্থ উপার্জন করে। গুরু রবিদাস মনে করতেন প্রকৃত শ্রেষ্ঠ সাধক হলো শ্রমিক ও কৃষক, কারণ তাদের পরিশ্রমেই সমাজ চলমান থাকে। তিনি বলতেন-“দুঃখী ও বঞ্চিতদের সেবা করো। ছোট-বড় সকলকে ভালোবাসো এবং সমাজে মিলে মিশে বসবাস করো।”

তিনি বর্ণ বৈষম্য, অস্পৃশ্যতা ও মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কখনোই পছন্দ করতেন না। তার মূল বার্তা হলোÑসব মানুষ সমান। ছোট-বড় বা সামাজিক স্তরের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য সহ্য করা যায় না। গুরু রবিদাস লেখনী, বক্তৃতা ও কবিতার মাধ্যমে এই সমতার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জীবিত থাকার সময় থেকে মানুষের মধ্যে মানবিক চেতনা ও সামাজিক সমতার চেতনা প্রচার করেছেন।

তার মানবতাবাদী শিক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক। বর্তমান যুগে বৈজ্ঞানিক শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং সম্মান বৃদ্ধির মাধ্যমে শুধু সমাজই নয়, পুরো মানবজাতি সমৃদ্ধ হবে। গুরু রবিদাসের বার্তা-“মানুষকে মানুষ হিসেবে গ্রহণ করো, দুঃখী ও বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াও, সমতা ও মানবতাকে প্রতিষ্ঠা করো”-এটি চিরকালীন শিক্ষার প্রতীক।

সমাজে যদি আমরা তার শিক্ষা মেনে চলি, তাহলে প্রতিটি মানুষ তার অধিকার, মর্যাদা ও সুযোগ অনুযায়ী বাঁচতে পারবে। শিক্ষা, শ্রম, ভালোবাসা ও মানবিক আচরণই সমাজে শান্তি, সমতা ও সমৃদ্ধি আনতে পারে। গুরু রবিদাসের সমতার বার্তা আমাদের প্রতিদিনের জীবনে প্রযোজ্য। এটি শুধু অতীত নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা।

[লেখক: অ্যাডভোকেট, জজ কোর্ট, জয়পুরহাট]

back to top