মুকুল কুমার মল্লিক

বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। এ ভাষার সঙ্গে আমাদের জন্ম, বেড়ে ওঠা, চিন্তা ও অনুভূতির গভীর সম্পর্ক। বাঙালির কাছে বাংলা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। কবি রামনিধি গুপ্ত লিখেছেন- ‘নানান দেশের নানান ভাষা/বিনা স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা!’ কবি অতুলপ্রসাদ সেনের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে- ‘মোদের গরব মোদের আশা/আ মরি বাংলা ভাষা!’ মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম সতর্ক করেছিলেন মাতৃভাষাকে অবহেলা করার বিরুদ্ধে। এসব কবিতার পঙ্ক্তিতে বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা, গর্ব ও আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ পেয়েছে। ভাষা আমাদের সংস্কৃতি, সাহিত্য, ইতিহাস ও মূল্যবোধের ধারক।
ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, বাংলা একটি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ভাষা। দীর্ঘ বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এ ভাষা বর্তমান রূপ লাভ করেছে। বাংলা ভাষার প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন ‘চর্যাপদ’। প্রায় এক হাজার থেকে দেড় হাজার বছর আগে রচিত চর্যাপদের ৫১টি পদ বাংলা ভাষার আদিরূপের সাক্ষ্য বহন করে। তখনকার অক্ষররীতি ও শব্দরূপ আজকের থেকে ভিন্ন ছিল। মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলি, মঙ্গলকাব্য, পরে আধুনিক যুগে উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ ও কবিতার মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ত্রিশ কোটির বেশি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। সাহিত্য, সংগীত, নাট্যচর্চা ও গণমাধ্যমের বিকাশ বাংলা ভাষাকে বিশ্বপরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
কিন্তু এ ভাষার মর্যাদা অর্জনের পথ সহজ ছিল না। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলা ভাষার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগ নেয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও তাকে অস্বীকার করা হয়। এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ আন্দোলনে নামেন। দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে ছাত্ররা পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে প্রাণ দেন। তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করে। সেই থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। একুশ আমাদের শিখিয়েছে, আত্মমর্যাদার প্রশ্নে আপস নেই।
একুশের চেতনা পরবর্তী সময়ে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনেও প্রেরণা জুগিয়েছে। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই একুশ কেবল ভাষার অধিকার নয়, এটি গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে দিনটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। এই স্বীকৃতি অর্জনের পেছনে প্রবাসী বাঙালিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কানাডাভিত্তিক সংগঠন ‘Mother Language Lovers of the World’-এর উদ্যোগে রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম জাতিসংঘে আবেদন করেন। বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ, সদস্যরাষ্ট্রের সমর্থন এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। ১৮৮টি দেশ সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত সমর্থন করে। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের সব মাতৃভাষাভাষীর জন্য একটি ঐতিহাসিক স্বীকৃতি।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বহুমাত্রিক। পৃথিবীতে বহু ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। মাতৃভাষা রক্ষা মানে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা। ইউনেস্কো ভাষাগত বৈচিত্র্যকে মানবসভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে। একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বকে স্মরণ করিয়ে দেয়, প্রতিটি ভাষার মর্যাদা সমান। ভাষা হারালে একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হারিয়ে যায়।
তবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্বও বাড়িয়েছে। বাংলা ভাষার চর্চা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অপরিহার্য। প্রশাসন, উচ্চশিক্ষা ও বিজ্ঞানচর্চায় বাংলার ব্যবহার বিস্তৃত করতে হবে। অনুবাদ, অভিধান প্রণয়ন, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা সফটওয়্যার উন্নয়ন-এসব ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বাস্তব প্রয়োগের মধ্য দিয়ে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।
একুশ আমাদের আত্মসমালোচনার আহ্বানও জানায়। আমরা কি দৈনন্দিন জীবনে শুদ্ধ ও সচেতনভাবে বাংলা ব্যবহার করছি? নতুন প্রজন্মকে ভাষার ইতিহাস ও গুরুত্ব কতটা জানাচ্ছি? ভাষা বিকাশের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে অন্য ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করাই একুশের শিক্ষা।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের গর্বের দিন, তবে এটি আত্মতুষ্টির দিন নয়। একুশের শহীদদের স্মরণ তখনই অর্থবহ হবে, যখন আমরা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষায় সক্রিয় থাকব। বাংলা ভাষাকে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বিশ্বযোগাযোগের উপযোগী করে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষার উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক সমাজগঠনের পথে এগিয়ে চলাই হোক আমাদের প্রত্যয়।
[লেখক: সাবেক অধ্যক্ষ, ভাষা শহিদ কলেজ, গাজীপুর]
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মুকুল কুমার মল্লিক

শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। এ ভাষার সঙ্গে আমাদের জন্ম, বেড়ে ওঠা, চিন্তা ও অনুভূতির গভীর সম্পর্ক। বাঙালির কাছে বাংলা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। কবি রামনিধি গুপ্ত লিখেছেন- ‘নানান দেশের নানান ভাষা/বিনা স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা!’ কবি অতুলপ্রসাদ সেনের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে- ‘মোদের গরব মোদের আশা/আ মরি বাংলা ভাষা!’ মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম সতর্ক করেছিলেন মাতৃভাষাকে অবহেলা করার বিরুদ্ধে। এসব কবিতার পঙ্ক্তিতে বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা, গর্ব ও আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ পেয়েছে। ভাষা আমাদের সংস্কৃতি, সাহিত্য, ইতিহাস ও মূল্যবোধের ধারক।
ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, বাংলা একটি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ভাষা। দীর্ঘ বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এ ভাষা বর্তমান রূপ লাভ করেছে। বাংলা ভাষার প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন ‘চর্যাপদ’। প্রায় এক হাজার থেকে দেড় হাজার বছর আগে রচিত চর্যাপদের ৫১টি পদ বাংলা ভাষার আদিরূপের সাক্ষ্য বহন করে। তখনকার অক্ষররীতি ও শব্দরূপ আজকের থেকে ভিন্ন ছিল। মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলি, মঙ্গলকাব্য, পরে আধুনিক যুগে উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ ও কবিতার মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ত্রিশ কোটির বেশি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। সাহিত্য, সংগীত, নাট্যচর্চা ও গণমাধ্যমের বিকাশ বাংলা ভাষাকে বিশ্বপরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
কিন্তু এ ভাষার মর্যাদা অর্জনের পথ সহজ ছিল না। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলা ভাষার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগ নেয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও তাকে অস্বীকার করা হয়। এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ আন্দোলনে নামেন। দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে ছাত্ররা পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে প্রাণ দেন। তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করে। সেই থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। একুশ আমাদের শিখিয়েছে, আত্মমর্যাদার প্রশ্নে আপস নেই।
একুশের চেতনা পরবর্তী সময়ে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনেও প্রেরণা জুগিয়েছে। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই একুশ কেবল ভাষার অধিকার নয়, এটি গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে দিনটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। এই স্বীকৃতি অর্জনের পেছনে প্রবাসী বাঙালিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কানাডাভিত্তিক সংগঠন ‘Mother Language Lovers of the World’-এর উদ্যোগে রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম জাতিসংঘে আবেদন করেন। বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ, সদস্যরাষ্ট্রের সমর্থন এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। ১৮৮টি দেশ সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত সমর্থন করে। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের সব মাতৃভাষাভাষীর জন্য একটি ঐতিহাসিক স্বীকৃতি।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য বহুমাত্রিক। পৃথিবীতে বহু ভাষা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। মাতৃভাষা রক্ষা মানে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা। ইউনেস্কো ভাষাগত বৈচিত্র্যকে মানবসভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে। একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বকে স্মরণ করিয়ে দেয়, প্রতিটি ভাষার মর্যাদা সমান। ভাষা হারালে একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হারিয়ে যায়।
তবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্বও বাড়িয়েছে। বাংলা ভাষার চর্চা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অপরিহার্য। প্রশাসন, উচ্চশিক্ষা ও বিজ্ঞানচর্চায় বাংলার ব্যবহার বিস্তৃত করতে হবে। অনুবাদ, অভিধান প্রণয়ন, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা সফটওয়্যার উন্নয়ন-এসব ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বাস্তব প্রয়োগের মধ্য দিয়ে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।
একুশ আমাদের আত্মসমালোচনার আহ্বানও জানায়। আমরা কি দৈনন্দিন জীবনে শুদ্ধ ও সচেতনভাবে বাংলা ব্যবহার করছি? নতুন প্রজন্মকে ভাষার ইতিহাস ও গুরুত্ব কতটা জানাচ্ছি? ভাষা বিকাশের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে অন্য ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করাই একুশের শিক্ষা।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের গর্বের দিন, তবে এটি আত্মতুষ্টির দিন নয়। একুশের শহীদদের স্মরণ তখনই অর্থবহ হবে, যখন আমরা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষায় সক্রিয় থাকব। বাংলা ভাষাকে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বিশ্বযোগাযোগের উপযোগী করে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষার উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক সমাজগঠনের পথে এগিয়ে চলাই হোক আমাদের প্রত্যয়।
[লেখক: সাবেক অধ্যক্ষ, ভাষা শহিদ কলেজ, গাজীপুর]