রেজাউল করিম খোকন
মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ফারুক আহমেদকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন দেশে মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনায় অভিজ্ঞ ফারুক আহমেদকে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ দিয়েছিল সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার। তিনি ছিলেন ডিএমটিসিএলের প্রধান পদে প্রথম বিশেষজ্ঞ। এর আগে এই পদে শুধু আমলারাই দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বিএনপি সরকার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেয়ার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনছে। কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন ও পরিবর্তনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তার একটি হলো ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ। সম্প্রতি এই পদ থেকেই ফারুক আহমেদকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাকে এমন সময় সরানো হলো, যখন তিনি মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ঋণদাতা, ঠিকাদার ও পরামর্শকদের ওপর চাপ তৈরি করছিলেন।
মেট্রোরেল বাংলাদেশে প্রথম। এ কারণে আমলাতন্ত্রের বাইরে গিয়ে বাস্তব কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন একজনকে এমডি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এর ইতিবাচক ফলও দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু এই নিয়োগ বাতিল করা পুরনো ধারায় ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
ফারুক আহমেদ গত বছর ফেব্রুয়ারিতে তিন বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এক বছরের মাথায় তার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। ডিএমটিসিএলের এমডি পদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই নিয়োগ থেকে ধারণা পাওয়া যায়, ডিএমটিসিএলের মতো একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আবারও আমলাদের দিয়ে পরিচালিত হবে।
২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরুর সময় জাপানি পরামর্শকরা সুপারিশ করেছিলেন, অন্তত ২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন একজন পেশাদারকে এমডি হিসেবে নিয়োগ দেয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে সেই সুপারিশ দীর্ঘদিন উপেক্ষিত ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ডিএমটিসিএলে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বিজ্ঞপ্তি দেয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল যাচাই-বাছাই করে ফারুক আহমেদকে ওই পদের জন্য নির্বাচন করে।
সাম্প্রতিক সময়ে ঠিকাদারদের কাছ থেকে মানহীন পণ্য গ্রহণে অস্বীকৃতি, সরবরাহ করা নিম্নমানের পণ্য বদলে দিতে বাধ্য করা এবং প্রকল্পের ত্রুটি সংশোধনের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিলেন ডিএমটিসিএলের এমডি। এতে কিছু ঠিকাদার অসন্তুষ্ট ছিলেন। ঋণদাতা সংস্থা জাইকাও তার ব্যয় কমানোর উদ্যোগে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিল না। এসব বিষয় তার অপসারণের পেছনে ভূমিকা রেখেছে কি না- সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রত্যাহারের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে তাকে বহাল রাখার দাবিতে আন্দোলনের খবরও সামনে এসেছে। কয়েক মাস আগে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দেয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে তার উদ্যোগ আলোচিত হয়েছিল। তাকে রাখা বা না রাখা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমেও এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেকের মতে, জেলা প্রশাসক হিসেবে মো. ইকবাল হোসেন সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছিলেন। এতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।
বর্তমান সময়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সততা ও জবাবদিহি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ প্রায়ই শোনা যায়। এমন বাস্তবতায় একজন কর্মকর্তা যদি ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন, তা মানুষের কাছে স্বস্তির বিষয় হয়ে ওঠে। আন্দোলনে অংশ নেয়া মানুষজনও মূলত সেই আস্থার জায়গা থেকেই তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
একটি নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক নয়। অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রশ্ন হলো, যারা দায়িত্ব পালনের সময় দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সততার পরিচয় দিয়েছেন, তাদের সরিয়ে দেয়া কতটা প্রয়োজনীয় বা যুক্তিসঙ্গত- সেই প্রশ্ন এখন জনমনে উঠছে।
গত বছরের ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসে বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় দুর্নীতিকে দেশের বড় সমস্যাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দুর্নীতি দমনে বিএনপির ধারাবাহিক উদ্যোগ রয়েছে। সেই বক্তব্য অনেকের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করেছিল।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিদের সরিয়ে দেয়ার ঘটনা নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকের প্রশ্ন, এসব পরিবর্তন কি সত্যিই প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, না কি অন্য কোনো বিবেচনায় করা হচ্ছে।
সরকার যদি দুর্নীতি দমন ও প্রশাসনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করতে চায়, তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও যুক্তি থাকা জরুরি। দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাজে লাগানোই রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক। অন্যথায় প্রশাসনে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।
জনগণ সব সময় একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রত্যাশা করে। সেই প্রত্যাশা পূরণ করাই যে কোনো সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
[লেখক: অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার]
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রেজাউল করিম খোকন
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ফারুক আহমেদকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন দেশে মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনায় অভিজ্ঞ ফারুক আহমেদকে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ দিয়েছিল সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার। তিনি ছিলেন ডিএমটিসিএলের প্রধান পদে প্রথম বিশেষজ্ঞ। এর আগে এই পদে শুধু আমলারাই দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বিএনপি সরকার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেয়ার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনছে। কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন ও পরিবর্তনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তার একটি হলো ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ। সম্প্রতি এই পদ থেকেই ফারুক আহমেদকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাকে এমন সময় সরানো হলো, যখন তিনি মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ঋণদাতা, ঠিকাদার ও পরামর্শকদের ওপর চাপ তৈরি করছিলেন।
মেট্রোরেল বাংলাদেশে প্রথম। এ কারণে আমলাতন্ত্রের বাইরে গিয়ে বাস্তব কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন একজনকে এমডি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এর ইতিবাচক ফলও দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু এই নিয়োগ বাতিল করা পুরনো ধারায় ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
ফারুক আহমেদ গত বছর ফেব্রুয়ারিতে তিন বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এক বছরের মাথায় তার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। ডিএমটিসিএলের এমডি পদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই নিয়োগ থেকে ধারণা পাওয়া যায়, ডিএমটিসিএলের মতো একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আবারও আমলাদের দিয়ে পরিচালিত হবে।
২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরুর সময় জাপানি পরামর্শকরা সুপারিশ করেছিলেন, অন্তত ২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন একজন পেশাদারকে এমডি হিসেবে নিয়োগ দেয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে সেই সুপারিশ দীর্ঘদিন উপেক্ষিত ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ডিএমটিসিএলে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বিজ্ঞপ্তি দেয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল যাচাই-বাছাই করে ফারুক আহমেদকে ওই পদের জন্য নির্বাচন করে।
সাম্প্রতিক সময়ে ঠিকাদারদের কাছ থেকে মানহীন পণ্য গ্রহণে অস্বীকৃতি, সরবরাহ করা নিম্নমানের পণ্য বদলে দিতে বাধ্য করা এবং প্রকল্পের ত্রুটি সংশোধনের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিলেন ডিএমটিসিএলের এমডি। এতে কিছু ঠিকাদার অসন্তুষ্ট ছিলেন। ঋণদাতা সংস্থা জাইকাও তার ব্যয় কমানোর উদ্যোগে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিল না। এসব বিষয় তার অপসারণের পেছনে ভূমিকা রেখেছে কি না- সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রত্যাহারের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে তাকে বহাল রাখার দাবিতে আন্দোলনের খবরও সামনে এসেছে। কয়েক মাস আগে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দেয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে তার উদ্যোগ আলোচিত হয়েছিল। তাকে রাখা বা না রাখা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমেও এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেকের মতে, জেলা প্রশাসক হিসেবে মো. ইকবাল হোসেন সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছিলেন। এতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।
বর্তমান সময়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সততা ও জবাবদিহি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ প্রায়ই শোনা যায়। এমন বাস্তবতায় একজন কর্মকর্তা যদি ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন, তা মানুষের কাছে স্বস্তির বিষয় হয়ে ওঠে। আন্দোলনে অংশ নেয়া মানুষজনও মূলত সেই আস্থার জায়গা থেকেই তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
একটি নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক নয়। অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রশ্ন হলো, যারা দায়িত্ব পালনের সময় দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সততার পরিচয় দিয়েছেন, তাদের সরিয়ে দেয়া কতটা প্রয়োজনীয় বা যুক্তিসঙ্গত- সেই প্রশ্ন এখন জনমনে উঠছে।
গত বছরের ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসে বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় দুর্নীতিকে দেশের বড় সমস্যাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দুর্নীতি দমনে বিএনপির ধারাবাহিক উদ্যোগ রয়েছে। সেই বক্তব্য অনেকের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করেছিল।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিদের সরিয়ে দেয়ার ঘটনা নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকের প্রশ্ন, এসব পরিবর্তন কি সত্যিই প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, না কি অন্য কোনো বিবেচনায় করা হচ্ছে।
সরকার যদি দুর্নীতি দমন ও প্রশাসনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করতে চায়, তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও যুক্তি থাকা জরুরি। দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাজে লাগানোই রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক। অন্যথায় প্রশাসনে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।
জনগণ সব সময় একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রত্যাশা করে। সেই প্রত্যাশা পূরণ করাই যে কোনো সরকারের প্রধান দায়িত্ব।
[লেখক: অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার]