স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের ভেতরের বায়ূ দূষণের একটি প্রধান উৎস হলো মশা মারার কয়েল। কয়েলের ধোঁয়া শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে ফুসফুসকে আক্রমণ করে, অক্সিজেনের প্রক্রিয়া ব্যাহত করে এবং শিশুসহ সকলের স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এতে ছোট-বড় সবাই ঝুঁকিতে থাকে, বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীরা। কয়েলের প্রধান উপাদান ডি-ট্রান্স এলেথ্রিন হলো সিন্থেটিক কীটনাশক, যা অতিরিক্ত বা ভুলভাবে ব্যবহারে মাথা ব্যথা, বমি, ক্লান্তি, পেশী দুর্বলতা এবং শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, এতে থাকা অ্যাডজুভেন্ট উপাদান দীর্ঘ মেয়াদে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশার কয়েলের পরিবর্তে মশারি ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। পাশাপাশি সরকারী উদ্যোগে খাল, নালা, পুকুরে মশা ও ডিম ধ্বংস করার জন্য নাশক ঔষধ প্রয়োগ করা, ভ্রমণের সময় মোটা পোশাক পরিধান করা ও প্রয়োজনমতো মশা ধ্বংসক ঔষধ সঙ্গে রাখা জরুরি। এর মাধ্যমে ঘরের বায়ূ দূষণ কমানো সম্ভব এবং মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা যায়।
বাবুল রবিদাস
অপরাধ ও দুর্নীতি: খাবার খাইয়ে পিটিয়ে হত্যা: পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা