আজকের প্রকৃতি আর আগের মতো নেই। যে রঙিন প্রজাপতি ও বাবুই, দোয়েল, শালিক পাখি একসময় গ্রামের মাঠ ও বাগানে উড়ত, আজ তারা বিরল। এর পেছনে প্রধান কারণ হলো কৃষিক্ষেত্রে অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও আগাছানাশকের ব্যবহার। এই রাসায়নিক শুধুমাত্র ক্ষতিকর পোকামাকড়কেই মারছে না, উপকারী পতঙ্গ, প্রজাপতি ও পাখি, এমনকি পুরো বাস্তুতন্ত্রকেও বিপন্ন করছে।
প্রজাপতি ও মৌমাছি ফুল থেকে ফুলে উড়ে পরাগায়নে সাহায্য করে, যা ফলমূল ও শস্যের উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য। রাসায়নিকের ফলে তারা মারা যায় বা প্রজননক্ষমতা হারায়। একইভাবে, কীটনাশকের বিষ পাখির খাদ্যে প্রবেশ করে, তাদের মৃত্যুর কারণ হয় বা প্রজনন ব্যাহত হয়। এছাড়া খাদ্যের অভাব এবং বাসস্থান নষ্ট হওয়ায় প্রজাপতি ও পাখির সংখ্যা দ্রুত কমছে।
প্রজাপতি ও পাখি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, আমাদের বাস্তুতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ। তাদের সংরক্ষণ মানে মানুষের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণ নিশ্চিত করা। তাই রাসায়নিক ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আর টেকসই কৃষি এখন সময়ের দাবি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ, প্রাণবন্ত ও সুস্থ পৃথিবী রক্ষা করা যায়।
তামান্না ইসলাম
সারাদেশ: সুনামগঞ্জে সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন
অর্থ-বাণিজ্য: মধ্যপ্রাচ্য সংকট দেশের রপ্তানি খাতে নতুন হুমকি
অর্থ-বাণিজ্য: দেশের বিমানবন্দরগুলোতে পচে যাচ্ছে পণ্য