বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায়, কোচিং সেন্টারের বাণিজ্যিক কর্মকান্ড শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন, সময় ও মেধাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব ক্রমেই কমছে, এবং অনেক শিক্ষার্থী অগ্রিম টাকা দিয়ে কোচিং করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু শিক্ষকও নিজের বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর জন্য স্কুল বা কলেজে সঠিক পাঠদান না করে শিক্ষার্থীদের প্রলুব্ধ করেন। অনেক কোচিং সেন্টার অর্ধেক সিলেবাস শেষ হওয়ার আগেই ক্লাস বন্ধ করে দেয়, এবং পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা দেখা যায়।
এই সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার পেছনে অভিভাবকের অসচেতনতা এবং প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব দায়ী। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ছেড়ে জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন পেশা বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। কোচিং বাণিজ্য এখন এক মারাত্মক সামাজিক ও শিক্ষাগত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা।
শরীফুল ইসলাম