গরিবের ঘরে শীত যেন এক নীরব অভিশাপ

শীত এলেই তার অভিশপ্ত রশ্মিতে অসহায়-গরিব মানুষের কষ্ট বেড়ে যায় বহুগুণ। রাত হয়ে যায় চীনের মহাপ্রাচির। যেন সে হারিয়ে ফেলে তার অবসানের হুঁশ। রাতভর হাড় কাঁপানো শীত। পশ্চিম এর শোঁ শোঁ বাতাস শরীর টা যেন এক টুকরো বরফ খন্ডে পরিনত হয়ে যায় ।বাজারে পড়ে থাকা এক অসহায় বৃদ্ধ মানুষ টা থর থর করে কাপছে আর হয়তো মৃত্যু দেবতাকে সে তিরস্কার করছে।

শীত থেকে বাঁচতে বিত্তবানরা কত না উপায়ে শীত নিবারণ করেন। কিন্তু ছিন্নমূল অসহায় শীতার্ত মানুষ একটুখানি উষ্ণতার জন্য তাকিয়ে আছে পূর্বাকাশের দিকে, সূর্য উঠবে, তার উষ্ণতা ছড়িয়ে দেবে, আর কিছুক্ষণ পর তার শরীরের অসহনীয় ঠান্ডা হয়তো একটু কমবে। শীত যেন গরিবের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন গুলো এগিয়ে আসলে ছিন্নমূল, অসহায়-গরীব শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘব হবে।

ছিন্নমূল,অসহায়-গরীব শীতার্ত মানুষের শীতের কষ্ট লাঘব করা বা তাদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা কোনো একক ব্যক্তি বা সংস্থার কাজ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সরকারি, বেসরকারি এবং ব্যক্তিগত সম্মিলিত ও টেকসই প্রচেষ্টা। স্বল্পমেয়াদি সমাধানের মধ্যে সবচেয়ে জরুরি হলো শীতকালে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র, যেমন- কম্বল, জ্যাকেট, মোজা ইত্যাদি বিতরণ করা। এই উদ্যোগে সমাজের বিত্তবান শ্রেণি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

পরিমল চন্দ্র রায়

‘পাঠকের চিঠি’ : আরও খবর

» ঢাবির এফ. রহমান হলে নজর দিন

» মিথ্যা মামলার ঘৃণ্য প্রবণতা বন্ধ হোক

» রাবিতে ন্যায়বিচারের অস্বচ্ছতা

» বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সংবাদ প্রসঙ্গে অভিযোগ ও দৃষ্টি আকর্ষণ

» মবকালচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ অপরিহার্য

» শীতে দুর্ভোগে পদ্মা চরের মানুষজন

» কোচিং-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন

» ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড: যানজট ও নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ

সম্প্রতি