মিথ্যা মামলার ঘৃণ্য প্রবণতা বন্ধ হোক

সময়কে পুঁজি করে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল ও স্বার্থ আদায়ের মাধ্যমে লাভবান হওয়ার প্রবণতার নানা দৃষ্টান্ত আমাদের দেশে রয়েছে। বিশেষ করে কোনো ক্ষমতা পরিবর্তনের পর এক শ্রেণির সুবিধাভোগী এই প্রবণতায় মত্ত হয়ে ওঠে।

রক্তস্নাত ঐতিহাসিক ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর একটি সুবিধাবাদী মহল মামলা-মোকাদ্দমাকে ঘিরে নানা তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের যে দাবি-তা ছিল আন্দোলনকারী ও মুক্তিকামী মানুষের প্রাণের দাবি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, যারা প্রকৃত অপরাধী নয়, তাদেরকেও মামলা-মোকাদ্দমায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং সামাজিকভাবে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হচ্ছে।

কোনো ব্যক্তি যদি নিরপরাধ হন, তবে তাকে অপরাধী হিসেবে মূল্যায়ন করা অমানবিক। প্রকৃত অপরাধীর বিচার হোক এটাই সকলের কাম্য। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি মামলা যথাযথ যাচাই-বাছাই ও সুচারুভাবে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী চিহ্নিত করা জরুরি। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানি ও হেনস্থার শিকার না হন, সে বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মামলা-মোকাদ্দমাকে ব্যক্তিগত লাভের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের এই ঘৃণ্য প্রবণতা বন্ধ হোক।

নুসরাত জাহান জেরিন

‘পাঠকের চিঠি’ : আরও খবর

» ঢাবির এফ. রহমান হলে নজর দিন

» গরিবের ঘরে শীত যেন এক নীরব অভিশাপ

» রাবিতে ন্যায়বিচারের অস্বচ্ছতা

» বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সংবাদ প্রসঙ্গে অভিযোগ ও দৃষ্টি আকর্ষণ

» মবকালচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ অপরিহার্য

» শীতে দুর্ভোগে পদ্মা চরের মানুষজন

» কোচিং-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন

» ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড: যানজট ও নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ

সম্প্রতি