ঢাবির এফ. রহমান হলে নজর দিন

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে ছোট হল - এ. এফ. রহমান হল। নীলক্ষেতের পাশে সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত এই হলটি ১৯৭৬ সালে ঢাবির প্রথম বাঙালি ভিসির নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়। যেখানে ঢাবির অন্যসব হল একে অপর থেকে সর্বোচ্চ দুই মিনিটের দূরত্ব অবস্থিত, সেখানে এই হল সবার থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন। ক্যান্টিনের অবস্থা তো যাচ্ছে-তাই! খাবার মুখে তোলাও দুষ্কর! এই খাবার খাওয়ার চেয়ে অনাহারে থাকাই উত্তম! মূলত উক্ত হলের কেউই দুবেলা তৃপ্তি সহকারে খেতে পারে না। হল সংশোধন নিকট বারবার অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও বিষয়টি তাদের দৃষ্টিসীমায় আসছে না! এছাড়াও হল থেকে দুইদিন পরপর চোর ধরা পড়ে! ঢাবির অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার গণতন্ত্র তোরণের পাশে অবস্থানের পরেও নিরাপত্তা কোথায়?

আবাসন সমস্যাও রয়েছে। পর্যাপ্ত জায়গা না রেখেই নব শিক্ষার্থীদের স্থান বরাদ্দ দেওয়া হয় এ কি আদৌ সমীচীন? ছোটো একটি বিছানায় দুজন করে থাকতে হয়, যা অমানবিক ও কষ্টসাধ্যও বটে! এক্ষেত্রে হলের জন্য নতুন ভবন একটি যুগোপযোগী দাবি। এ তো গেল মৌলিক সমস্যা; অন্য সব নিয়ে আলোচনা করতে গেলে একটি উপন্যাস রচিত হয়ে যাবে।

ঢাবি প্রশাসন, ডাকসু ও হল সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি - দয়া করে এই হলে আপনাদের দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন।

হিমেল আহমেদ

‘পাঠকের চিঠি’ : আরও খবর

» মিথ্যা মামলার ঘৃণ্য প্রবণতা বন্ধ হোক

» গরিবের ঘরে শীত যেন এক নীরব অভিশাপ

» রাবিতে ন্যায়বিচারের অস্বচ্ছতা

» বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সংবাদ প্রসঙ্গে অভিযোগ ও দৃষ্টি আকর্ষণ

» মবকালচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ অপরিহার্য

» শীতে দুর্ভোগে পদ্মা চরের মানুষজন

» কোচিং-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন

» ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড: যানজট ও নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ

সম্প্রতি