জানা এবং জানানোর জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। একটি জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক সংস্কার সাধনে বই আলোর মশালের মতো কাজ করে। ফলে এখানকার সর্বস্তরের মানুষ বিশেষ করে তরুণ সমাজ বই পড়ার মাধ্যমে নিজেকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। লাইব্রেরির প্রতি তরুণ সমাজের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের সুনজরের অভাবে এখনও পর্যন্ত কোনো লাইব্রেরি স্থাপন করা হয়নি।
অত্র এলাকার শিক্ষার্থীদের অভিমত, হাটহাজারীতে একটি পাবলিক লাইব্রেরি করা হলে ভিন্নধর্মী বই পড়ার সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ তাদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারবেন এবং এই পাঠ সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে। হাটহাজারীর বাসিন্দারা আশা করছেন, এখানে একটি পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপন করা হোক যেখানে নানাধর্মী বই পড়ার মাধ্যমে অজ্ঞতা দূর করা সম্ভব হবে এবং সমাজ সংস্কারে ভূমিকা রাখা যাবে। এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
তৈয়বা খানম
অর্থ-বাণিজ্য: ২০২৫ সালে সোনালী ব্যাংকের পরিচালন মুনাফায় রেকর্ড
সংস্কৃতি: মুঠোফোনের আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: দেশজুড়ে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক