সু-স্বাস্থ্যই মানুষের ভালো থাকার মূল উপকরণ। প্রতিটি সৃষ্টিজীব নিয়মিত চেষ্টা করে চলে নিজের স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনের জন্য। বর্তমান সময়ে বিশুদ্ধ পানির গুরুত্ব অনস্বীকার্য। দেশের বহু অঞ্চলে এখনো মানুষ দূষিত ও অস্বাস্থ্যকর পানি ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছে।
বলা হয়ে থাকে, ‘পানির অপর নাম জীবন।” তবে জীবনদায়ী পানি নিরাপদ ও বিশুদ্ধ হতে হবে। একজন সুস্থ মানুষের দৈনিক দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। খাবার ও ব্যবহারের পানি অতিরিক্ত আয়রনযুক্ত হওয়ার কারণে তারা ডায়রিয়া, টাইফয়েড, হেপাটাইটিসসহ নানা জলবাহিত রোগ এবং এলার্জি জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে। সুস্থ্য জীবন রক্ষার মূল শর্তই হলো নিরাপদ পানি; কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ মৌলিক অধিকার থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী বঞ্চিত।
প্রতিটি পর্যায়ে পানিকে ফিল্টার করা, ফুটিয়ে ব্যবহার করা অথবা নিরাপদ উৎস থেকে সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ জোরদার করা, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং মেস কতৃপক্ষের এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। তাই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতার মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে।
রেজাউল হক রিয়াদ
অর্থ-বাণিজ্য: ২০২৫ সালে সোনালী ব্যাংকের পরিচালন মুনাফায় রেকর্ড
সংস্কৃতি: মুঠোফোনের আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: দেশজুড়ে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক