শ্রীপুরে এবার অনেক বাড়িতে, ফ্যাক্টরীতে আগুন লেগেছে । আগুন লাগার কারণ ও প্রতিকার দুটোতেই ভয়ানক হয়ে উঠছে শ্রীপুর। যদি একটু খেয়াল করেন তবে দেখবেন টিনের ঘরগুলোর চাল ছুঁয়ে বিদ্যুতের তার
ঝুলিয়ে রাখা হয় । প্রতিনিয়ত লোড বাড়লেও তার পরিবর্তন না করার কারণে যে কোনো সময় বৈদ্যতিক আগুন লাগার সম্ভাবনা থেকে যায় । আরেকটি কারণ হল সিলিন্ডার। এই সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ হলে অনেক ক্ষেত্রেই বোঝা যায়না। এরতমও হয় যে আগুন দিয়ে বেখেয়ালে থাকার কারণে আগুন লাগার পর তা আর নেভানো যায়না । এবার আসুন প্রতিকারের বিষয়ে ।
শ্রীপুওে জমি নিয়ে যত বিরোধ দেখবেন তার অধিকাংশ রাস্তা বিষয়েক । যারাই বড় বড় বাড়ি করছেন তাদের কোনো প্রশস্থ রাস্তা নেই । এমনকি ছয়তলা ফ্ল্যাটের রাস্তা তিন ফুট এমন অনেক আছে । ফায়ার সার্ভিস যেয়ে আগুন নেভাবে তার কোনো উপায়তো নেইই বরং মৃত্যু কুপে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে বাধ্য হয় মানুষ। পৌরসভার কোনো ধরণের ভবিষ্যৎ প্লানিং এ আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি । রাস্তা বিহীন বাড়ির অনুমতি যারা দিয়েছেন এবং যারা রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়েননি তারা দুজনেই অপরাধী ।
রাস্তা যারা আটকে দেন বা রাস্তার জন্য যারা জায়গা ছাড়েননা তাদের আইনগতভাবে শাস্তি হওয়া প্রয়োজন নয়?
কিন্তু আইন থাকলেও এক্ষেত্রে ভূক্তভোগী বরাবরই অসহায় । রাস্তার ইট খুলে নিয়ে যাওয়ার মত যেখানে ঘটনা অহরহ সেখানে আগুন থেকে বাঁচবার জন্য রাস্তা চাওয়া যেন সত্যিই দরূহ ব্যপার !আগুন যেভাবে ধরছে এটা বন্ধ করতে হবে দ্রুত । যেখানেই বাড়ি করুন আগে রাস্তার ব্যবস্থা করুন ।
এখন এ বিষয়গুলো অগ্নি প্রতিরোধের প্রধান বিষয় বলে মনে করি। আশা করি সরকার থেকেও সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন সবাই ।
সাঈদ চৌধুরী