কুষ্টিয়া কোর্ট রেলওয়ে স্টেশন-সংলগ্ন নারিকেল তলা নামক স্থানে রেললাইনের দুপাশঘেঁষে গড়ে উঠেছে এক অস্থায়ী মাছের বাজার। প্রতিদিন সকালের আলো ফোটার পর থেকেই বহু ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে বাজারটি রমরমা হয়ে ওঠে। বিক্রেতারা রেললাইনঘেঁষে তাদের মাছভর্তি ডালা সাজিয়ে বসে। রেললাইন থেকে তাদের মাছের ডালার দূরত্ব মাত্র কয়েক ফুট।
ট্রেন আসবে না ভেবে কখনো কখনো এ দূরত্ব মাত্র দু-এক ফুটে গিয়ে ঠেকে এমনকি মাঝেমধ্যে রেললাইনের ওপরও বিক্রেতারা তাদের মাছভর্তি ডালা সাজিয়ে রাখে। ক্রেতারা পছন্দের মাছ কেনার জন্য রেললাইনের এপাশ-ওপাশ ঘুরে বেড়ায়। যখনই ট্রেন আসে তখন বিক্রেতারা তড়িঘড়ি করে তাদের মাছভর্তি ডালা সরিয়ে নেয় এবং ক্রেতারাও নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে তাড়াহুড়ো শুরু করে দেয়। এভাবে ছোট-বড় বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। অথচ রেললাইন থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরেই সুপার মার্কেট (কাঁচাবাজার) অবস্থিত, যেখানে মাছ, মাংস, তরিতরকারি ও মুদি মালামাল কেনা-বেচার জন্য নির্দিষ্ট স্থান ভাগ করে দেয়া আছে কিন্তু দুঃখজনক ভাবে সেখানে জায়গার স্বল্পতা রয়েছে। কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি রেলস্টেশন হচ্ছে কুষ্টিয়া কোর্ট রেলওয়ে স্টেশন।
এখান দিয়ে প্রতিনিয়ত ট্রেন যাতায়াত করে যার ফলে বাজারে অবস্থানরত ক্রেতা-বিক্রেতাদের অসাবধানতা বশত মারাত্মক দুর্ঘটনা তথা প্রাণহানির মতোও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জনগণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে উক্ত বাজারটিকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।
আব্দুর রাব্বি হাসান ওয়ালিদ