পিএসসির দায়

গত ৩০ জানুয়ারি তারিখে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেই। ২০০ নম্বরের ২০০টি ওএমআর ফিল-আপ করার জন্য ২ ঘণ্টা সময় এবং পরীক্ষাও যথারীতি ১০টায় শুরু হয়। আমরা পরীক্ষার্থীরা সবাই বিষয়ভিত্তিক ধারাবাহিকতা ঠিক রেখে পরীক্ষায় সময় এবং ওএমআর ফিল-আপের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। কিন্তু আজকের এই আনকোরা প্রশ্নের ধরণ দেখে মেজাজ সপ্তমে চড়লো। প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে খোদ পিএসসির প্রণীত সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন অনুসরণ করা হয়নি তাদেরই দ্বারা যখন প্রশ্ন করা হয়েছে।

বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নের যে সিকুয়েন্স (ধারাবাহিকতা) যেমনবাংলা বিষয় থেকে প্রশ্নগুলো সব একসাথেই, গণিত থেকে হওয়া প্রশ্নাবলিও সব একসাথে থাকার কথা এবং পিএসসি প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যত্যয় এর আগে কখনো ঘটায়নি। কিন্তু এবার নজিরবিহীনভাবে এই ঘটনা ঘটালো অর্থাৎ, মানসিক দক্ষতা, ইংরেজি, বিজ্ঞান আর বাদবাকি বিষয়গুলোর সব প্রশ্নই কোনো ধারাবাহিকতা অনুসরণ না করে বিচ্ছিরি ধরনের প্রশ্ন-প্যাটার্ন জানান দিল।

খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্তত এক হাজার মানুষের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন “গ্রাউন্ড হল” কেন্দ্রে ঘড়ি যা ছিল, সেটা নামকাওয়াস্তেই ছিল এবং তিন-চতুর্থাংশ পরীক্ষার্থীই সময় দেখা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। যথারীতি সময় দেখতে না পারার কারণেই পরীক্ষায় আমার ক্যাশ ২০টি নম্বর হাতছাড়া হয়েছে! আমার মতোন এরকম ভুক্তভোগী নিশ্চয় আরো অনেকেই আছেন; যার দায় পিএসসি কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।

আশরাফ উদ্দীন রায়হান

সম্প্রতি