বর্তমান সময়ে ই-সিগারেটের ব্যবহার বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকে ধারণা করেন যে এটি সাধারণ সিগারেটের তুলনায় কম ক্ষতিকর বা নিরাপদ, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ই-সিগারেটে থাকা নিকোটিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার নেশার দিকে নিয়ে যায় এবং স্বাস্থ্যের জন্য স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আজকের তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তি এবং ফ্যাশনের প্রতি অত্যধিক আকৃষ্ট। ই-সিগারেটকে প্রায়ই আধুনিকতা ও আকর্ষণের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়, যা তাদের মধ্যে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু স্বাস্থ্যের ক্ষতি এই আকর্ষণের চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর। সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কঠোর নিয়ন্ত্রণ, বিক্রয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ব্যাপক জনসচেতনতা অভিযান শুরু করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। পরিবার, শিক্ষক এবং সমাজের সবাই যদি এই প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়, তাহলে ফলাফল অনেক বেশি কার্যকর হবে।
যদি আমরা এখন সতর্ক না হই, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য চরম বিপন্ন হয়ে পড়বে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণকে নিরাপদ রাখার জন্য দ্রুত এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মুহাম্মদ শাফায়াত হুসাইন