“আমরা পরিশ্রম করে হাজার মানুষের পোশাক বানাই। অথচ নিজের সন্তানের জন্যই পোশাক কিনতে পারি না। বোনাস তো অনেক দূরের কথা, তিন মাস ধরে বেতনই দেয় না। বেতন হইলে নিজের পোশাক কিনতে পারি, সন্তানের পোশাক কিনতে পারি। ভালো-মন্দ কিছু খাওয়াইতে পারি।” কথাগুলো বলছিলো আশুলিয়ার জেনেটিক ফ্যাশন লিমিটেড এর পোশাক শ্রমিক খাদিজা আক্তার।
কেবল খাদিজা নয়, এমন ভুক্তভোগী ‘জেনেটিক’ এর সকল পোশাক শ্রমিক।
প্রতিষ্ঠানটির আরেক পোশাক শ্রমিক বলেন, “স্বপ্ন ছিলো বেতন পাব, বোনাস পাব। হাসিখুশিভাবে ঈদ করতে যাব। কিন্তু মালিকপক্ষ এমন একটি ব্যবহার করলো। এাঁ কখনোই ভাবিনি।”
এদিকে, আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কাস ফেডারেশন ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এর যৌথ উদ্যোগে আওয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেয় জেনেটিক ফ্যাশন লিমিটেডের কর্মীরা।
তথ্য অনুযায়ী, জেনেটিক ফ্যাশন এর মত আরও অনেক গার্মেন্টস এর চিত্র এটি। কেবল ঈদের বেতন বোনাস নয়, মাসের পর মাস বেতন বকেয়া রয়েছে কর্মীদের।
এদিকে, ১৪ মার্চের মধ্যে সব পোশাক কারখানার শ্রমিকের ঈদ বোনাস পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
এর আগে, গত মাসে কেন্দ্রিয় ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য মেয়াদি ঋণ সুবিধা নিতে পারবে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
অপরাধ ও দুর্নীতি: কোটি টাকার "ঘুষ" বিতর্কে ট্রাইব্যুনালে তোলপাড়