image
সমারেসেট মম

সমারেসেট মম

রচনারীতি ও কথাকৃতি

সরকার মাসুদ

বিশ শতকের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্রিটিশ কথাশিল্পী উইলিয়াম সমারসেট মম (২৫ জানুয়ারি ১৮৭৪-১৬ ডিসেম্বর ১৯৬৫)। তার গল্পের এক প্রধান গুণ অনায়াস দক্ষতা। জীবনের বিচিত্র দুঃখ-বেদনা, হাসি-তামাশা-সঙ্গ-নৈঃসঙ্গ্য- অর্থহীনতার তুচ্ছতার বা অসহায়তার বোধ ইত্যাদি তার লেখায় এসেছে সাবলীলভাবে। এবং যেটা না বললেই নয়, তা হচ্ছে, সহজতা ও নৈপুণ্য তার রচনায় একই সমান্তরালে বিরাজমান।

লক্ষ করেছি, সমারসেট মমের গল্প একবার আরম্ভ হলে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলে। আর সেই গল্পের শেষটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমাদেরকে চমকে দেয়। The book Bag গল্পে ভাইয়ের বিয়ের সংবাদে বোনের ভেঙে পড়ার বিষয়টি চমক সৃষ্টি করেছে। বিখ্যাত “রেইন” গল্পের পাত্রীর মুখম-লের বর্ণনায় অবদমিত কামনা-বাসনার ছাপের উল্লেখও কম চমকপ্রদ নয়। যদি কেউ এমন প্রশ্ন করেন, মমের লেখার মান কেমন? তার উত্তরে আমি অবশ্যই বলবো, নিটোল গল্পে বিশ্বাসী ছিলেন এ ব্যক্তি। কথাসাহিত্যের সর্বজনগ্রাহী একটা মন বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিলেন সবসময়। কমবেশি সফলও হয়েছিলেন।

মম নানা ধরনের গল্পের স্রষ্টা। তিনি যেমন Rain, The letter, Before the Party, Mackintosh, The outstation, Appearance and Reality, The Facts of Life-এর মতো সিরিয়াস গল্প লিখেছেন; তেমনি Honolulu, কিংবা Pand O-এর মতো হালকা গল্পও বেরিয়েছে তার কলম থেকে। সমালোচক রেমন্ড মার্টিমারের ভাষায় এসব রচনা ‘Just stories’। মানবচরিত্র ও জীবন পরিস্থিতি সম্বন্ধে মমের ছিল গভীর অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান। Rain গল্পে স্যাডি টমস একজন বারবনিতা। সে পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষন করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ডেভিডসন, যিনি একজন পাদ্রী, যখন স্যাডির প্রতি আকৃষ্ট হন তখন পাঠক হিসেবে আমরা কৌতূহলী হয়ে উঠি। লেখক বলেছেন, এ পাদ্রী সমাজ থেকে অনৈতিক যৌন কর্মকাণ্ড বিলোপে উৎসাহী। অথচ আমরা দেখি, ওই ধরনের ক্রিয়াকলাপের দিকে ঝুঁকে আছে তার মন।

Footprints in the Jungle গল্প তুলে ধরেছে মানবসম্পর্কের জটিলতা, বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচল, গোপন ও সন্তোষপ্রদ যৌনসম্ভোগের মর্মন্তুদ পরিণতি। কার্টরাইট তার বন্ধু ব্রনসনকে মেরে ফেলেছে। এ হত্যার পেছনে আছে বন্ধুপতœী রেগির দুষিত প্ররোচনা। কারণ কার্টরাইটের সঙ্গে অবৈধ মেলামেশার ফলে রেগি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গল্পে যদিও এমন ইঙ্গিত আছে যে, নিঃসন্তান রেগি মা হতে চাইছে; তথাপি যৌনসম্ভোগই তার কাছে অধিকতর কাম্য ছিল বলে মনে হয়। কেবল সন্তানপ্রাপ্তিই যদি মূল লক্ষ হতো, রেগি তালাক দিতে পারতো ব্রনসনকে। তা না করে সে ওই সাংঘাতিক অপকর্মটি করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল কার্টরাইটকে। অবৈধ প্রণয় মানুষকে কতটা দিশাহারা ও হতবুদ্ধি করে দিতে পারে এ গল্প সেকথাই বলছে।

Profile শিরোনামের গল্পে দেখতে পাই, এর নায়িকা স্বৈরিণী হয়েও রীতিমতো মহীয়সী। আবেগের বশে সে তার চেয়ে উনিশ বছরের ছোট এক তরুণকে বিয়ে করে। কিন্তু একটা সময় আসে যখন তার সন্তানপ্রতিম স্বামীটি এক তরুণীর প্রেমে পড়ে এবং তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে স্বামীকে তালাক দেয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকে না ওই মহীয়সীর; কেননা, তরুণ স্বামী যদি কোনও কারণে অগ্রজ স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, সেক্ষেত্রে তারা আলাদা হয়ে যাবে‘ এ মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল স্ত্রীটি। এ লেখায় পরিবার বাস্তবতার ও মানসিক চাপের ছবি অনবদ্য কুশলতার সঙ্গে উপস্থাপিত।

The Letter গল্পের নয়িকা লেসলির একাধিক গুণপনা আমাদের নজর কাড়ে। কিন্তু লেসলি দ্বিচারিণী। আর সেজন্য তাকে অবশ্যই দোষ দেয়া যায়। অন্যদিকে তার প্রেমিক হ্যামন্তও নারী আসক্ত এবং বহু নারী ভোগে বিশ্বাসী। উভয়ের ওই মানসিক অবস্থা এবং দক্ষতার সঙ্গে লেখক সেটি চিত্রিত করেছেন তার প্রশংসা না করে থাকা যায় না। মমের গল্পের এসব চরিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। লেখকসুলভ কল্পনা অবশ্যই যুক্ত হয়েছে এদের সঙ্গে। ফলে এরা আমাদের মনে বিচিত্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। আমরা আনন্দিত হই, ভালোবাসা আমাদেরকে সিক্ত করে, কখনোবা আপ্লুত হই ঘৃণা-বোধে। কখনো আবার এমন অভিজ্ঞতা হয় যে আমরা বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে পড়ি।

Mr Know-All তেমনি এক গল্প যেখানে স্বামী ম্যাক্স কেলাডা নায়িকার (স্ত্রীর) বিশ্বাসঘাতকতা সম্বন্ধে অবহিত। কেলাডা কিন্তু তাকে স্বৈরিণী প্রমাণ করবার মোক্ষম সুযোগ পায়। তা সত্ত্বেও জনসমক্ষে কাজটি করতে তার মন সায় দেয় না। উল্টো, অসম্মানের কাঁটা মাথায় নিয়ে ওই স্বৈরিণীরই সম্মান রক্ষা করে। আমরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে পড়ি। গল্পটির শেষ দিকে কেলাডা বলে, If I Had a pretty Little wife I should not let hert spend a year in New York while I stayed at Kobe. এ উক্তির ভেতর অনুশোচনার স্বর ধরা পড়েছে যা আমাদেরকে স্পর্শ করে বৈকি।

যৌনতাকেন্দ্রিক কামনা-বাসনা ঘুরেফিরে এসেছে সমারসেট মমের গল্প-উপন্যাসে। The Painted veil উপন্যাসের নায়িকা কিটিও দ্বিচারণের জন্য দূষ্য। কিটি দাম্পত্য জীবনে অসুখী। সে মনে করে ড. ফেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া তার ঠিক হয়নি। এবং যথারীতি সে তার কাক্সিক্ষত পুরুষকে আবিষ্কার করে টাউনসেন্ডের মধ্যে। এজন্য পাঠক হিসেবে আমরা সদ্য বিধবা কিটির কামোন্মাদনাপূর্ণ অতৃপ্ত ও অস্থির নারীমনকে দায়ী করতেই পারি। কিটির দ্বিচারিণী হয়ে ওঠার পেছনে তার প্রতি আকৃষ্ট, বিবাহিত টাউনসেন্ডও কি কম দায়ী নয়? মমের সাড়া জাগানো উপন্যাসগুলোর মধ্যে প্রথমে আমি উল্লেখ করবো Of Human Bondage (1915), Liga of Lambath (1897), The Moon and Sixpence (1919), Hero (1901) I Cakes and Ale (1930) । আর Of Human Bondage-কে রাখবো সবার ওপরে। মানুষ-যে শেষ পর্যন্ত ভাবাবেগের দাস এবং সে কারণেই সে অব্যাখ্যেয়, অদ্ভুত আচরণ করে থাকে; জীবনের অভাবনীয় পরিস্থিতির চাপ চেনা মানুষদেরকে করে তোলে ‘অচেনা’‘ এসব কথাই লেখক বলতে চেয়েছেন Of Human Bordage-এ। কেন্দ্রীয় চরিত্র ফিলিপ কেরি মানসিকভাবে ছিন্ন হয়েছে আদর্শ ও জীবনবাস্তবতার দ্বন্দ্বে। Cakes and Ale তুলে ধরেছে মুক্ত মনের অধিকারী আধুনিক মানুষের সংকট। সততা, অকাপট্য ও যৌনস্বাধীনতা এবং এসবের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিক্রিয়া এ উপন্যাসের অন্যতম বিষয়বস্তু। কেন্দ্রীয় চরিত্র রোসি ড্রিফিল্ড প্রাগুক্ত অকপটতার ও যৌনস্বাধীনতার কারণেই সামাজিক রক্ষণশীলতার শিকার হয়েছে। জুটেছে নির্বিচার গণনিন্দা। শিল্পীর ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যপূর্ণ জীবনদৃষ্টি সৌন্দর্য সম্পর্কিত যে ধারণার জন্ম দেয় সেটাই The moon and sixpence-এর প্রধানতম থিম। শিল্পীকে সত্যনিষ্ঠ হতে হবে, এমনকি তা যদি অন্যের ক্ষতির কারণও হয়‘ এ কথাও লেখক বলতে চেয়েছেন এখানে। লেখক কথিত সৌন্দর্যভিত্তিক এ সত্য কোনোভাবেই universal ruth নয়, বরং তা individual truth সন্ধান করেছেন। লিজা কেম্পের সংক্ষিপ্ত জীবন ও মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে Liza of Lambeth-এর গল্প। লিজা ওয়েস্টমিনিস্টার ব্রিজ রোডের কাল্পনিক ভেরে স্ট্রিটে তার বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে থাকতো। কারখানার কর্মী লিজা উনিশ বছর বয়স হওয়ার আগেই বেছে নেয় আত্মহননের পথ। এ উপন্যাস কেবল গরিব মানুষ অধ্যুষিত এলাকার জীবনচিত্র তুলে ধরেনি, সমাজে প্রবল মূল্যবোধকেও আঘাত করেছে।

সমারসেট মম নন্দিত ও নিন্দিত উভয় ধরনের বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি একই সঙ্গে অসাধারণ গল্প বলিয়ে এবং অতুল চরিত্রনির্মাতা। সে দিক থেকে তিনি ফরাসি কথাশিল্পী গি দ্য মোপাসাঁর ভাবশিষ্য। একটা জায়গায় বড় পার্থক্য আছে। মোপাসাঁ প্লটের জন্য চরিত্র নির্মাণ করতেন। মমের বেলায় দেখা যাচ্ছে, চরিত্রই কাহিনীর গড়ন ও গতি নিয়ন্ত্রণ করছে। মম গল্প-উপন্যাসে নাটকের উপযোগী সংলাপ ব্যবহার করেছেন। স্মর্তব্য, এ লেখক নাট্যকারও ছিলেন; যার হাত দিয়ে রচিত হয়েছে ‘The Breadwinner’-এর মতো কালজিৎ নাটক। জ্যাক লন্ডন, ডি. এইচ. লরেন্স, ভার্সিনিয়া উল্ফ, আলবেয়র কামু, জেমস জয়েস, ফ্রান্ৎস কাফকা প্রমুখ ছিলেন তার সমকালিক লেখক। এদের অনেকেই তাদের লেখায় মার্কসবাদ, পরাবাস্তববাদ, অস্তিত্ববাদ, ফ্যয়েডতত্ত্ব প্রভৃতি ব্যবহার করেছেন। এসব ভাবনা কাজে লাগিয়ে সার্থক সৃষ্টিও সম্ভব করে তুলেছেন। সমারসেট মম দীর্ঘ সহিত্যিক জীবনে কখনোই এসব মতবাদ অনুসরণ করেননি। বিশেষ কোনো আন্দোলনেও যোগ দেননি, যদিও এগুলোর প্রতি তার সমর্থন ছিল। সমকালের কোনো বড় সমস্যাকেও উপজীব্য করেনি তার কথাসাহিত্য। এসব থেকে নিজেকে সযত্নে দূরে রেখে লেখক নিজের বিশ্বাসের পথে অবিচল এগিয়ে গেছেন।

পাঠকের মনোযোগ অবিচ্ছিন্ন রাখার অসাধারণ কৌশল রপ্ত করেছিলেন সমারসেট মম। অজস্র লেখক-কথাসাহিত্যিক করেছেন পৃথিবীতে। ‘কথাসাহিত্যের ভাষা’ আয়ত্ত করতে পেরেছেন যাঁরা তাঁদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। লরেন্সের বা হেমিংওয়ের মতো আকর্ষণী গদ্য লিখেছেন অল্প কিছু লেখক। বাংলা সাহিত্যে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী, মাহমুদুল হক প্রমুখের গদ্য খাকিটা এ জাতীয়। গল্পের বুননে ও ভাষায় সামান্য ওস্তাদী সত্ত্বেও মম কিছু ক্ষেত্রে অতিরেক এড়াতে পারেননি। দু’টি গল্প থেকে উদাহরণ দেবো। লেখকের অভ্যাস ছিল বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার সময় বড় থলেতে বই ভরে নেয়া। The book Bag গল্পের প্রথম দুটি অনুচ্ছেদে তার ব্যক্তিগত সেই অভ্যাসের বর্ণনা আছে। কিন্তু গল্পের জন্য ওই বয়ানের প্রয়োজন ছিল না। তৃতীয় অনুচ্ছেদ থেকে আরম্ভ হলেও গল্পটি আঙ্গিকের দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতো না। আবার বই বিষয়ক আলোচনা এবং বায়রনের ব্যক্তিগত জীবনের বিশেষ এক ঘটনারও উল্লেখ গল্পটিতে বাক্যসংখ্যা বৃদ্ধি করা ছাড়া আর কিছু যোগ করতে পারেনি। Honolulu গল্পে সূচনা অংশে ভ্রমণ নিয়ে লেখকের মতামত, লবণ মিশিয়ে কফি খাওয়ার বিচিত্র কথা এবং নারীর হালকা স্বভাবের প্রতি কটাক্ষমূলক যে ইঙ্গিত আছে সেসবও আমার কাছে তেমন প্রাসঙ্গিক মনে হয়নি। ভাষাজনিত এমন অতিরেক মমের গল্পে অসংখ্যবার দেখা গেছে তা কিন্তু নয়।

স্পষ্টতা, স্বতঃস্ফূর্ততা ও মিতব্যয়িতা সমারসেট মমের কথা- গদ্যের লক্ষ্যযোগ্য ও গুণাবলি। তার সাহিত্যে প্রযুক্ত গদ্যের, বিশেষ করে পরিণত বয়সের গদ্যের, স্বচ্ছতা ও সৌন্দর্য প্রসঙ্গে সমালোচক রেমন্ড মার্টিমার বলেছিলেন, “It would be difficult to find examples of clumsy writing in Mr. Maugham’s late work..” গল্পকে আকর্ষণীয় করে তোলর জন্য লেখক প্রায়শই প্রথাগত কাহিনিকে স্থাপন করেছেন অপরিচিত পরিবেশের ভেতরে। এতে করে গল্পে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। পরিচিত ও মামুলি বিষয়-আশয়ও তার উপস্থাপনার গুণে হয়ে উঠেছে অসাধারণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

উইলিয়াম সমারসেট মমের জীবৎকালে তাঁর লেখালেখি নিয়ে বিতর্কের শেষ ছিল না। তাঁর সম্বন্ধে ‘ব্যবসায়ী লেখক’, ‘নারী বিদ্বেষী লেখক’, ‘শাদামাটা গল্পকার’ প্রভৃতি কথা বহুবার উচ্চারিত হয়েছিল। ঊনষাট বছর আগে দেহত্যাগ করেছেন এ লেখক। তাঁর লেখালেখির প্রতি পাঠকের আগ্রহ স্তিমিত হয়নি, বরং তা আরও বেড়েছে। মম নিজেকে ‘দ্বিতীয় শ্রেণির প্রথম সারির লেখক’ মনে করতেন; কিন্তু আমার মতে, তাঁর স্থান প্রথম শ্রেণিতেই। প্রাবন্ধিক-সমালোচক রবার্ট ডাইচেস মমকে ‘accomplished professional writer’ বলেছিলেন। আমার মনে হয়েছে, এটাই তর সম্বন্ধে সবচেয়ে সঠিক কথা। জনতোষ হয়েও একজন লেখক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন যদি তার থাকে জীবনের গভীর অভিজ্ঞতা আর তা ফুটিয়ে তোলার যোগ্য গল্পভাষা, সেই সঙ্গে মর্মগ্রাহী দৃষ্টিভঙ্গি। মমের বেলায় ঠিক এমনটাই ঘটেছিল।

সম্প্রতি