image
মোহিত কামাল / জন্ম : ২ জানুয়ারি ১৯৬০

জীবনের মুখগুলি‘

প্রসঙ্গ কথাসাহিত্যিক মোহিত কামাল

কামরুল হাসান

কথাসাহিত্যিক হিসেবেই তাকে চিনি, এটাও জানি তিনি বিরলপ্রসূ নন, বরং বলা ভালো বিরলপ্রসূদের বিপরীত। বিরলপ্রসূ হলেই যে লেখা উন্নত হবে এমন কথা হলফ করে বলা যায় না। নোবেলজয়ী কথাসাহিত্যিকগণ অবশ্য বেশিরভাগই বিরলপ্রসূ, তারা দীর্ঘসময় নিয়ে একেকটি উপন্যাস লেখেন। বস্তুত পৃথিবীর মহৎ সাহিত্যের বেশিরভাগ দীর্ঘসময় ধরে রচিত। পৃথিবীর অন্যতম মহৎ উপন্যাস ‘ওয়ার এন্ড পিস’ লিখতে লিউ টলস্টয় সময় নিয়েছিলেন ছয় বছর। জেমস জয়েসের জটিল নিরীক্ষাধর্মী উপন্যাস ‘ফেনেগানস ওয়েক’ লিখতে লেগেছিল ১৭ বছর। গুস্তাভ ফ্লবারের ধ্রুপদী উপন্যাস ‘মাদাম বোভারি’ ৫ বছর ধরে লেখা। তবে এদের সবাইকে টেক্কা দিয়েছে বরিস পাস্তারনাকের নোবেলজয়ী উপন্যাস ‘ড. জিভাগো’। সময় লেগেছিল অবিশ্বাস্য ৪৬ বছর!

এর বিপরীতে একই বছরে সর্বাধিক ২৩টি বই লিখে বিশ্ব রেকর্ড বারবারা কার্টল্যান্ড-এর। কার্টল্যান্ডের বইগুলো একটি নির্দিষ্ট ফর্মুলা মেনে লেখা রোমান্স। কোনো কোনো লেখক আছেন যেমন‘ স্প্যানিশ রোমান্স লেখক করিন টেলাডোর বইয়ের সংখ্যা এক হাজারের বেশি। বাংলা সাহিত্যে সর্বাধিক ২০০ বই লিখেছেন হুমায়ূন আহমেদ ও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। এঁরা জনপ্রিয় লেখক। বইয়ের সংখ্যা বেশি হলে লেখা তরল হয়ে যায়, এঁদের বেলায়ও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। মোহিত কামালের সর্বমোট বইয়ের সংখ্যা অবশ্য এর ধারে-কাছে নয়। তবে তিনি নিরন্তর সৃষ্টিশীল (Prolific writer), প্রতিবছর বইমেলায় তাঁর একাধিক বই প্রকাশিত হয়। মূলত জনপ্রিয় ধারার লেখক হলেও সিরিয়াস সাহিত্য রচনায় তাঁর আগ্রহ কম নয়। তাঁর এ দিকটি হুমায়ূন আহমেদের সাথে মিলে।

মোহিত কামালের উপন্যাসসমূহের মাঝে রয়েছে ‘সুস্মিতার বাড়ি ফেরা’, ‘চোরাগলি’, ‘ডাঙায় ডুবোজীবন’, ‘আঁধারে আলোর ঢেউ’, ‘কাছের তুমি, দূরের তুমি’, ‘পৃথিবীতে কে কাহার’, ‘জোছনা রাতে বাড়িয়েছি হাত’, ‘সন্দেহপ্রাচীর’, ‘বন্ধু আমার বন্ধু’, ‘আগুন কয়লায় পোড়া জীবন’, ‘সুখপাখি আগুনডানা’, ‘চেনা বন্ধু অচেনা পথ’ প্রভৃতি। তার অনেক গ্রন্থের নাম পুরনো দিনের উপন্যাসের মতো একশব্দের। যেমন ‘চাবি’, ‘ঘর’, ‘দুখু’, ‘না’, ‘মন’ প্রভৃতি। কোনো কোনো নামে দুটি শব্দের জোড় চমৎকার মেলবন্ধন সৃষ্টি করেছে। যেমন ‘স্বপ্নডানা’, ‘উড়ালমন’, ‘মরুঝড়’, ‘চাঁদমুখ’, ‘পাথরপরান’ প্রভৃতি। কোনো কোনো নাম অদ্ভুত কিসিমের। যেমন ‘বাবার শত্রু কম্পিউটার গেমস ছেলের শত্রু সিগারেট’; তবে এটি উপন্যাস নয়। সাম্প্রতিক সময়ে লেখা উপন্যাস ‘পথভ্রষ্ট ঘূর্ণির কৃষ্ণগহ্বর’ নামটি আমার পছন্দ। এ উপন্যাসটি সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছে। তার অন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাসগুলোর ভেতরে রয়েছে ‘চেনা বন্ধু অচেনা পথ’, ‘সুখপাখি আগুনডানা’, ‘উড়ালমন’। ‘তার বেশিরভাগ উপন্যাসের কলেবর সংক্ষিপ্ত, পৃষ্ঠাসংখ্যা ও দামে তাদের বেশিরভাগ দু’শ’র ঘর ছাড়ায় না। এতে বোঝা যায় তিনি দ্রুত লেখেন এবং প্রচুর লেখেন। উপন্যাস ছাড়াও লেখেন ছোটোগল্প, শিশুতোষ বই ও কিশোর উপন্যাস।

কথাসাহিত্যের সমান্তরালে তিনি মনোচিকিৎসার বই, যা বাংলাদেশে স্বল্পসংখ্যকই রচিত হয়, লিখে উপকৃত করছেন অসংখ্য মানুষের। উপন্যাসের নাম যেমন রহস্যে মোড়ানো থাকে, হদিস দেয় না ঘটনাপরম্পরার, মনোচিকিৎসার বইয়ের নামগুলো বলে দেয় কন্টেন্ট। ‘মানব মনের গতিপ্রকৃতি’, ‘মানব মনের উদ্বেগ ও বিষণœতা’, ‘ব্রেন অ্যাটাক অনিদ্রা ও মাথাব্যথা’, ‘টেনশন ও প্রতিকার’, ‘মনোসমস্যা মনোবিশ্লেষণ’ প্রভৃতি। আরেকটি প্রশংসনীয় দিক হলো এদেশে উপেক্ষিত অথচ প্রচ- জরুরি শিশু মনঃস্তত্ত্ব, শিশুর বিকাশ নিয়ে লেখা তাঁর বইগুলো। ‘শিশুর মনোজগৎ শিশুর সৃজনশীল বেড়ে ওঠা’, ‘আপনার শিশুর সৃজনশীল বেড়ে ওঠা’, ‘শিশুর বুদ্ধি ও স্মরণশক্তি কীভাবে ধারালো করা যাবে’ প্রভৃতি পুস্তক প্রতিটি মা-বাবার পড়া দরকার।

এই জনপ্রিয় লেখকের সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা দূরে থাক, পরিচয়ও ছিল না। আমি জানতাম তিনি একজন মনোচিকিৎসক এবং আমার চেয়ে এক বছরের সিনিয়র। চিকিৎসক হিসেবে অত্যন্ত সফল মানুষটির মাথায় সাহিত্য চেপে আছে প্রবলভাবে, এবং এতটাই যে তিনি ‘ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’র প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তার উচ্চাকাক্সক্ষী প্রকল্পের তালিকায় প্রথম নাম ‘শব্দঘর’ পত্রিকা। বাংলাদেশে এ মুহূর্তে বড়ো কলেবরের মানসম্পন্ন সাহিত্য পত্রিকা খুব বেশি নেই। এর একটি ‘কালি ও কলম’, অপরটি ‘শব্দঘর’। অমন একটি অসামান্য সাহিত্যপত্রিকা সম্পূর্ণ স্বউদ্যোগে প্রকাশ করা কঠিন। দুটি পত্রিকার সাথেই আমার সম্পর্ক হলো প্রথমে অনুরাগ, পরে অভিমান। ‘কালি ও কলম’-এর সাথে অভিমান এখনো ভাঙেনি, ‘শব্দঘর’-এর সাথে ভেঙেছে। অভিমান ভাঙার মূল নায়ক মোহিত কামাল, যিনি আমাকে কাছে টেনে নিয়েছেন।

এই টেনে নেবার কারণও আমার সম্পর্কে তার ঘনিষ্ঠ জানা, যা ঘটেছিল দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সার্ক সাহিত্য উৎসবে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে যোগ দেওয়া দলে আমরা দুজনেই ছিলাম। ছিলেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, কথাসাহিত্যিক ফরিদুর রহমান প্রমুখ। সার্ক সাহিত্য উৎসবটি চলে টানা চার দিন, চারদিনের সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা-রাত্রি, কেবল ঘুমাবার সময় ছাড়া একসঙ্গে কাটে, একই অতিথিশালায় থাকা, একই বাহনে চড়ে যাতায়াত ও একই ভেন্যুতে দিনব্যাপী উৎসব অংশগ্রহণ করার কল্যাণে। ফলে ঘনিষ্ঠতা জন্মানোই স্বাভাবিক। তখনই তিনি লক্ষ করেন আমি সার্ক সাহিত্য উৎসব নিয়ে বর্ণনা লিখছি। আমার লেখার ডিটেইলস তাঁর চোখ এড়ায় না এবং একজন কথাসাহিত্যিক হিসেবে তিনি তাঁর প্রশংসা করেন। বিশেষ করে তাঁকে মুগ্ধ করে আমার লেখার ভলিউম। তাঁর অভিব্যক্তিটি ছিল ‘আপনি তো একজন দানবীয় লেখক।’ নেতিবাচক শব্দটি আসলে উচ্চপ্রশংসা। কথাসাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত মোহিত কামালের ওই প্রশংসা আমাকে চমৎকৃত ও আত্মবিশ্বাসী করেছিল।

বিভিন্ন সাহিত্য উৎসব ও অনুষ্ঠান নিয়ে আমি অনেকবছর ধরেই ন্যারেটিভ লিখছি। অনেকে একে সময়ের অপচয় বললেও গত বছর যখন ‘এই নগরীর যত সাহিত্যবাসর’ গ্রন্থটি বেরুল, তখন সকলেই বলল, এটা নতুন জনরার, কেননা সাহিত্য অনুষ্ঠান নিয়ে সাহিত্য আগে কেউ লেখেননি। ডুয়ার্স সাহিত্য উৎসবে গিয়েও একই কথা শুনলাম, পশ্চিমবঙ্গে ওরকম কাজ কেউ করেননি। এই যে আমি ফিকশন না লিখে নন-ফিকশন লিখছি তা যেন জোর সমর্থন পেল। এখন এই লেখা হয়ে দাঁড়িয়েছে এক ধরনের স্বনির্মিত ফাঁদ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাকে যারা আমন্ত্রণ জানান, তারা হয়তো আমাকে ভালোবাসেন কিংবা বাসেন না। তবে তাদের সুপ্তবাসনাটি অপ্রকাশ্য নয়, তারা চান আমি যেন একটি ন্যারেটিভ লিখি।

এখন যখন ‘শব্দঘর’-এর মতো পত্রিকা অ্যাসাইনমেন্ট দেয় অনুষ্ঠান নিয়ে লেখার তখন তা ফেরানো কঠিন না হলেও বোকামি। আর ‘পড়বি তো পড় মালির ঘাড়েই’ ‘শব্দঘর’ সম্পাদক মোহিত কামাল যাকে নিয়ে লিখতে বলেন সেই কিংবদন্তি সাহিত্য সম্পাদক আবুল হাসনাত আমার প্রিয় ব্যক্তিত্ব নন। তাকে নিয়ে ফিবছর স্মরণসভার আয়োজন করে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আর সেই অনুষ্ঠানের ডিটেইলড বর্ণনা চান মোহিত কামাল। আমি লিখি অনেকটা অনুরোধে ঢেকি গেলার মতো। জীবদ্দশায় যে মানুষটিকে আমি অপছন্দ করতাম, তিনিও (হয়তো) করতেন, ভাগ্যের কী লীলাখেলা, তাকে নিয়েই আমাকে লিখতে হচ্ছে প্রতিবছর। এ নিয়ে তিনটি বর্ণনা, সবগুলোই সম্প্রসারিত, লেখা হয়েছে। আবুল হাসনাত মোহিত কামালের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের তো বটেই, তাই চোখ বন্ধ করে বলা যায় বড়ো ধরনের পরিবর্তন না হলে স্মরণসভা চলতেই থাকবে, শব্দঘরে ন্যারেটিভ প্রকাশের ডিমান্ড নোটিশও আসতে থাকবে।

মোহিত কামালের দ্বিতীয়, তাকে উচ্চাকাক্সক্ষী বলা ঠিক হবে না, প্রকল্প হলো ‘ধানমন্ডি আড্ডা’। নূর কামরুন নাহারের সাথে যৌথভাবে তিনি এ আড্ডার আয়োজন করছেন। দুজন সুপরিচিত কথাসাহিত্যিকের এ আয়োজনে যোগ দিচ্ছেন সমকালের অনেক সৃষ্টিশীল লেখক-কবি। মূল আয়োজক দুজনের নিবাস অভিজাত এলাকাটিতে, তাই ওই নাম। বিষয়ভিত্তিক অনুষ্ঠান করে আর সমকালের মেধাবী লেখকদের আলোচক হিসেবে যুক্ত করে ইতিমধ্যেই আড্ডাপ্রিয়, সংগঠনমুখী কবি-লেখকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘ধানমন্ডি আড্ডা’। আরেক কারণ এর নিয়মিত আয়োজন। প্রতি মাসে কোনো এক সোমবারের বিকেলে বসে ধানম-ি আড্ডা। আগে বসত নূর কামরুন নাহারের অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের কমনরুমে, এখন বসছে ধানম-ি ক্লাবে। এখানকার অনুষ্ঠানের কয়েকটি ন্যারেটিভ আমি লিখেছি, সবগুলো লিখতে পারিনি, সবগুলো অনুষ্ঠানে যোগও দিতে পারিনি। তবে এসবই যুক্ত হবে ‘এই নগরীর যত সাহিত্যবাসর ২’ বইতে।

এইসব বর্ণনাধর্মী লেখা, তাদের ডিটেইলস তিনি, মোহিত কামাল, পছন্দ করেন। ফিকশন রাইটার হয়েও পছন্দ করেন নন-ফিকশন। আমাকে তিনি পরামর্শ দেন বেঙ্গলে আয়োজিত বিভিন্ন সাহিত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আর লিখতে। তার ওপেন চেকটি হলো আমি যা লিখব তা তিনি ‘শব্দঘর’-এ ছাপবেন। ছাপানও। এই যেমন গত সংখ্যায় ছাপলেন দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের লেখা দুটি বইয়ের পাঠ উন্মোচন ঘিরে অনুষ্ঠানের বর্ণনা‘ যা পছন্দ হলো বিখ্যাত মানুষটির। তিনি আমাকে ফোন করে কথা বললেন।

মোহিত কামাল একজন প্রথিতযশা ব্যস্ত মনোচিকিৎসক। মনোবিজ্ঞানে তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতালের একজন প্রাক্তন পরিচালক ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এই অধ্যাপক ধানম-ির দুটো শীর্ষ ক্লিনিকে নিয়মিত রোগীর চিকিৎসা দেন। তাঁর প্রতিটি ঘণ্টার একটি অপরচুনিটি কস্ট আছে। তবু তিনি সাহিত্যের খাতিরে প্রচুর অপরচুনিটি লস করেন। সুদর্শন মানুষটি অত্যন্ত ভালোবাসেন স্ত্রীকে যাকে তিনি বিয়ে করেছেন প্রেম করে। মাহফুজা আখতার মিলি একজন চিকিৎসক এবং আমাদের ব্যাচের। এ প্রেমকাহিনির কথা আমি শুনেছি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়া আমার পরিচিত বন্ধুদের মুখে। তখন থেকেই মোহিত কামাল নামটি আমার পরিচিত। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে তার সহপাঠীদের মাঝে সবচেয়ে পরিচিত হলেন তসলিমা নাসরীন। স্ত্রীকে নিয়ে মোহিত কামাল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যান এবং রোমান্টিক সব ছবি পোস্ট করেন ফেসবুকে। দিল্লির অনুষ্ঠানেও তিনি সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। ‘শব্দঘর’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক অনুষ্ঠানে আমি দেখেছি পিতা হিসেবেও তিনি অত্যন্ত স্নেহশীল ও দায়িত্বপরায়ণ, অর্থাৎ বোহেমিয়ান মানুষটির ভেতর একজন প্রবল সংসারী মানুষ রয়েছে। তার একটি ভালো দিক হলো তিনি তরুণদের উৎসাহিত করেন। তরুণদের জন্য ‘শব্দঘর’-এর পৃষ্ঠা যেমন খোলা, তেমনি খোলা ধানম-ি আড্ডার জায়গা। সকলকে নিয়ে সামনে এগুতে চাওয়া মোহিত কামাল মোহিত করে রেখেছেন অনেককেই। তাদের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া হলো,

“ঐ খেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই,/ অসুর-পুরে শোর উঠেছে জোরসে সামাল সামাল তাই।/ কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!”

সম্প্রতি