image
ফয়জুল ইসলাম

প্রিয় বন্ধুর মহাপ্রস্থান

নভেরা হোসেন

জানুয়ারি ২০২৫-এর ২১ তারিখ একটা ফোন এলো লেখক জিয়া হাশানের। কোনো খবর জানেন? না, কার? সুমন ভাইয়ের? না, কি খবর? জিয়া হাশান বললেন অনেকে লিখতেছে মহাপ্রস্থান। কী? এরপর যুক্তর কর্ণধার নিশাত জাহান রানাকে ফোন করতেই, নভেরা সুমন চলে গেছে। এরকম একটা দুঃসংবাদ শোনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। জানি ফয়জুল ইসলাম সুমন ভাই বেশ কিছু দিন ধরে কর্কট রোগে আক্রান্ত, চিকিৎসা চলছে, অপারেশন হয়েছে, কেমো দেয়া হয়েছে। ২০২৪-এর একুশের বইমেলায় আমার গল্পের বই “অদৃশ্য সেতু”র প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এলেন মেলার মাঠে। তখন কিছুটা অসুস্থ লাগছিল। কিন্তু তারপর যত কথা হয়েছে বলেছেন একদম সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ঘুরেও বেড়াচ্ছেন। ফেসবুকে ছবি দেখলাম সিলেটে, গাজীপুরে কোথায় কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, বিয়ের অনুষ্ঠান কালো কুর্তি পরে, দারুণ প্রাণবন্ত লাগছিল দেখতে। জাতিসংঘের সাথে গবেষণার কাজ শুরু করেছেন। একদম সব কিছু ঠিকঠাক। তবে আমি অনেকবার বলেছিলাম বঙ্গবন্ধু পোস্ট গ্রাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা হলেও বাইরে কোথাও একটা দ্বিতীয় মতামত নিতে পারতেন। কিন্তু সুমন ভাই বিদেশে যেতে চান না। হয়তো ভেবেছেন সরকারের সচিব পদে আছেন সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা পাবেন। বইমেলার পরে কানাডা প্রবাসী লেখক নাহার মনিকা আপার চলে যাওয়া উপলক্ষে বাসায় ছোট আড্ডার আয়োজন করলাম। ফয়জুল ভাই এলেন লাল পাঞ্জাবি পরে, মুখে হাসি, কোথাও অসুস্থতাটার ছিটেফোঁটা নেই। কথাসাহিত্যিক নাহার মনিকা আপা, কবি সালাহউদ্দিন শিমুল, কথা সাহিত্যিক আবু হেনা মোস্তফা এনাম, আমার হাসব্যান্ড সাঈদকে নিয়ে রাতে ছাদে দারুণ আড্ডা হলো, চাঁদের আলো-আঁধারিতে সবাই যেন খোলস ছেড়ে নিজের কথা বলতে শুরু করলো। ঐ রাতে ঘুণাক্ষরেও মনে হয়নি এটাই আমার বাসায় সুমন ভাইয়ের শেষ আসা। দিন গড়িয়ে চললো। জুলাই-আগস্ট মাসের উত্তপ্ত সময়ে প্রায় প্রতিদিন কথা হতো, দেশে কী হচ্ছে? কোন দিকে যাচ্ছি আমরা? ইত্যাদি।

রাজনৈতিক নানা ঘটনা-দুর্ঘটনায় আমাদের মন অস্থির, অশান্ত হয়ে উঠতো। লেখকদের মন দেশের ক্রান্তিলগ্নে শান্ত থাকতে পারে না। ওই সময়ে সুমন ভাই ইস্কাটনে সচিবদের নিবাসে ছিলেন একা। বললাম, তাড়াতাড়ি ওখান থেকে অন্যত্র চলে যান। মিরপুরে মায়ের কাছে চলে যান। বেশ দুশ্চিন্তায় কাটালাম ঐদিনটি। পরে জানলাম নিরাপদে আছেন, আদিবা ভাবিও গাজীপুরে নিরাপদে আছেন। এরপর রাজনৈতিক দুনিয়ায় নানা পট পরিবর্তন, আমাদের মনের প্যারামিটার ওঠানামা করছে। সুমন ভাই ওই সময়টায় পাশে থাকলেন বন্ধুর মতো। এর মধ্যে একটু কোমরে ব্যথা পেলাম ব্যয়ামের সাইকেল চালাতে গিয়ে। ডাক্তারের বাড়ি দৌড়াদৌড়ি করছি। হঠাৎ নভেম্বরের ২৩ তারিখ ইস্কাটনের বাড়িতে আহ্বান। লেখক আড্ডা। অনেকেই সেই আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন। সুমন ভাই ঐদিন জেনো তুষের আগুনের মতো জ্বলছিলেন। জন্মদিনের পূর্ব রাতে এমন একটি আনন্দঘন সময় কাটিয়ে আমরা সবাই ফয়জুল ইসলাম সুমন ভাইয়ের দীর্ঘ জীবন কামনা করে বাড়ি ফিরে এলাম, তবে লিফটে ওঠার আগে সুমন ভাইকে বিদায় জানানোর সময় মনে হলো এমন সন্ধ্যা আবার আসবে তো কখনো?

সুমন ভাইয়ের সাথে পরিচয় হওয়ার আগেই তার কথা জানতাম। কবি বিষ্ণু বিশ্বাসদের পেঁচা পত্রিকার কথা শুনেছি, দেখেছিও হয়তো নব্বইয়ের দশকে যখন আজিজ সুপার মার্কেটে লাগাতার আড্ডা দিতাম। গা-ীব, পেঁচা, নদী- এসব লিজেন্ডারি লিটল ম্যাগাজিনের কথা বাংলা সাহিত্যের খোঁজ-খবর যারা রাখেন তারা অনেকেই জানেন। শামসুল কবীর কচি, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, সাজ্জাদ শরিফ, বিষ্ণু বিশ্বাস- এদের সাথেই ফয়জুল ইসলামের লেখার শুরুটা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহারে অর্থশাস্ত্র পড়তে পড়তে কবিতার সাথে সখ্য। কবিতা দিয়ে শুরু হলেও গল্পে মূলত থিতু হয়েছিলেন। আমার বাসার আড্ডায় বলেছিলেন এক মেয়ের প্রেমে পড়ে কবিতা লিখেছিলেন কিন্তু তা পাঠযোগ্য হয়েছিল কিনা সন্দেহ ছিল। ১৯৯৮ সাল ছোট বোন আয়েশা নাফিসা ডিকু তখন, ভিকারুননিসা নুন কলেজে পড়তো, আমাদের বাসা তখন পশ্চিম ধানমন্ডি শঙ্করের জাফরাবাদের ঢালাই কারখানার মোড়ে। ডিকু সহপাঠী নীতুর সাথে কলেজে যাওয়া-আসা শুরু করলো। কোনো কারণে সার্টিফিকেট সত্যায়িত করার দরকার পড়লো, শুনলাম নীতুর ভাই সরকাররি কর্মকর্তা। আমার আব্বাও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন কিন্তু অন্যও কারো থেকে কাগজপত্র সত্যায়িত করার দরকার ছিল। নীতুর বাসায় গিয়ে আবিষ্কার করলাম সুমন ভাই যিনি নীতুর বড় ভাই, সরকারি কর্মকর্তা- তিনিই বিষ্ণু বিশ্বাসের বন্ধু। সেই থেকে একটা যোগাযোগ শুরু হলো। তারপর কখনো গড়িয়ে, কখনো ঝড়ের গতিতে দিন কাটছিল। ২০০৯-এর দিকে নিখোঁজ বিষ্ণুদাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হলো, ঢাকা থেকে আমি এ বিষয়ে বেশ তৎপর হলাম। বিষ্ণুদাদের বন্ধু মধুদার কথা জানলাম। যশোরের কবি নান্নু মাহবুবের সাথে যোগাযোগ করলাম, তার মাধ্যমে বিষ্ণুদার যশোরের গ্রামের বাড়ি, বিষয়খালীতে খোঁজ নেয়ার পর সেখান থেকে বিষ্ণুদার পশ্চিমবঙ্গের ঠিকানা পেলাম। কলকাতার কবি বিভাস রায়চৌধুরীর মাধ্যমে বিষ্ণুদার কাছ পর্যন্ত পৌঁছানো গেল। যাই হোক তারপর নানা ঘটনা ঘটলো, বিষ্ণুদার ঢাকার বন্ধুরা বিশেষ করে নিশাত জাহান রানার তত্ত্বাবধানে লেখক এনায়েত কবীর টুকুন ভাইয়ের ধানমন্ডির বাসায় বিষ্ণুকে রাখা হলো কিছুদিন। তার আগে নিশাত জাহান রানা আপার বাসায় একবার দেখা হলো। শান্তসৌম্য নিজের মধ্যে ডুবে আছেন। ওই সময়ে সাথে যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন প্রবাসী লেখক কল্যাণী রমাও সাথে ছিল। ধানমন্ডির বাসায় বিষ্ণুদাকে দেখতে গেলাম মেয়ে নির্ভানাকে নিয়ে। সঙ্গে একটি বেলি গাছের চারা । কেন যেন মনে হলো গাছটি বাঁচবে তো? ওখানে গিয়ে ফয়জুল ইসলাম সুমন ভাইয়ের সাথে দেখা। বেশ নিবিড়, ঘন কিছু সময় কাটলো। সুমন ভাইয়ের প্রাণবন্ত কথাবার্তা আমাকে আকৃষ্ট করলো। আমরা হয়তো বিষ্ণুদাকে ফিরে পেতে চাইছিলাম, আগের সময়ের মানুষটিকে কিন্তু হারানো সময় কখনো ফিরে আসে না, মানুষ বদলে যায়। হারানো কিছু খুঁজতে গিয়ে আমরা ঢুকে পড়ি নতুন এক সময়ের আবর্তে। দীর্ঘদিন পর সবার সাথে একটা ভিন্ন মাত্রার সময় কাটালাম। সুমন ভাইয়ের উজ্জ্বল উপস্থিতি, কথা। ওই সময়ে সাহিত্যের এক জটিল আবর্তে তার চলাচল। নিম্নবর্গ মানে ভারতীয় ইতিহাসবিদ রণজিৎ গুহদের তত্ত্ব অনুসারে যারা সব-অল্টার্ন সেই ব্রাত্যজনেরা মূলত ফয়জুল ইসলামের লেখার উপজীব্য, চরিত্র। গ্রামসির নিম্নবর্গ নয় এরা প্রতিটি সমাজের, প্রতিটি স্তরের অপরজন। মধ্যবিত্তের মধ্যেও যারা অপরজন তারা সাব-অল্টার্ন। কৃষকদের মধ্যে যারা শোষিত, সুবিধাবঞ্চিত তারা সাব-অল্টার্ন। ফয়জুল ইসলামের বেড়ে ওঠা ষাটের দশকে ঢাকা শহরে। তখনকার পুরানো ঢাকা, বর্তমান নতুন ঢাকা শহরের ভেতরের উল্টো শহর। নগরের ভেতরের নগর উঠে এসেছে তার লেখনীতে। মতিঝিলের অফিস পাড়ার কেরানি, পুরান ঢাকার ছা-পোষা মানুষজন, সিনেমার এক্সট্রা, শহরতলির তরুণরা সবাই চরিত্র হয়ে ধরা দিয়েছে ফয়জুল ইসলামের লেখায়। বাস্তবতার ভেতরের পরা-বাস্তবতা, জাদু-বাস্তবতা নানা কিছু মিলেমিশে আছে তার লেখায়। ‘খোয়াজ খিজিরের সিন্দুক’-এর মতো লেখা তার হাত দিয়েই সম্ভব। ফয়জুল ইসলাম লেখনীতে যেমন নিরাভরণ ব্যক্তিগত জীবনেও তেমন সাদাসিধে ।

প্রত্যেক মানুষের জীবনে নানা দুর্ঘটনা থাকে, ইচ্ছা-অনিচ্ছা থাকে। কবি সাহিত্যিকদের ক্ষেত্রে এই ঘটনা-দুর্ঘটনা, ভালোলাগা, খারাপলাগা নির্ব্যক্তিক হয়ে ধরা দেয়। লেখক ফয়জুল ইসলাম তার লেখনীতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন বিষয়বস্তুর এক নিরপেক্ষ কথনে। তার গদ্যভাষা পড়লে কখনো মনে হয় না কোথাও লেখক অতিরিক্ত প্রেম অনুভব করেছেন অথবা অতিরিক্ত ঘৃণা। বিষয়ের বাইরে থেকে নির্বস্তুকভাবে তাকে দেখা, চরিত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা, ন্যারেটিভে প্রচলিত চিন্তা-চেতনার বাইরে একটি ত্রিকোণ দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেছেন। এর ফলে তার চরিত্ররা হয়ে ওঠে অনেক বাস্তবিক, ধরাছোঁয়ার বাইরের এক সময়ের মধ্যে তাদের বসবাস। ঘুমতৃষ্ণা গ্রন্থে ঘুমতৃষ্ণা গল্পে নারী-পুরুষের পারস্পরিক দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক প্রকট হয়ে ওঠে। গল্পে কাহিনী এমনভাবে এগিয়ে গেছে যেন শাশ্বত আদিকাল থেকে পৃথিবী যেমন বহমান তেমনই নারী-পুরুষের সম্পর্কও বহমান, একে অপরকে কেটে চলে যায়। মতিঝিল পাড়ার এমন নিখুঁত, নির্ভেজাল, নির্বিকার ঠাস বুনন শুধুমাত্র ফয়জুল ইসলামের গল্পেই সম্ভব। ওনার লেখার সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যসূচক দিক হচ্ছে পর্যবেক্ষণ, চেনা প্রচলিত ধারায় তিনি দেখেন না। দশটি চোখ নিয়ে জহুরির মতো করে দেখেন আশেপাশের নগরকে এবং লেখায় নৃবিজ্ঞানীর মতো নির্বিকার থাকেন। এদুটোর সংমিশ্রণ লেখাকে করে তোলে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র। ঘুমতৃষ্ণা গল্পে মাহবুব আর সায়েকা এক পরাবাস্তব সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যায়। বিশাল সমুদ্রের দিকে যেখান থেকে ফেরা যায় না।

ঘুমতৃষ্ণা বইয়ের অন্যান্য গল্প মাছরাঙা, যৌবনের জন্য শোকগাথা, লয়ে যায় আমায়- প্রতিটি গল্পেই ফয়জুলের স্বভাবসুলভ নিরীক্ষা। সমাজের ছোট ছোট ঘটনা যা আমরা লক্ষ্য করি না, যা প্রতিনিয়ত ঘটে চলে সেসব ফয়জুল খুব ভালো করে গল্পে তুলে আনেন।

এই দেখা নির্ভেজাল, বর্ণনা চুম্বকধর্মী এবং টেনে নিয়ে যায় স্রোতের মতো। ছোটগল্পের দৈর্ঘ্য ভেঙে বড় গল্পে রূপান্তরিত হয়ে যায় তার লেখা। পুরান ঢাকা, নতুন ঢাকা, শহরের উল্টোপিঠ, টাইপিস্ট, দোকানদার, ফেরিওয়ালা, সিনেমার এক্সট্রা, পথচারী সব গল্পের চরিত্র। একটা নিম্নবর্গীয় ধারাকে তুলে ধরা। অনেকেই এই ভাষায় লেখেন কিন্তু ফয়জুল ইসলাম তাকে সাহিত্য করে তুলতে পেরেছেন।

সুমন ভাইয়ের আগারগাঁওয়ের অফিস কক্ষে যেতাম কাজে বা বেড়াতে। যুগ্ম সচিবের অফিস খুব ছিমছাম। কাজের ফাঁকে ফাঁকে কথা হতো। একদিন ওখান থেকে বইমেলায় যাবো, তা অনেকক্ষণ বসে থাকতে হবে। সুমন ভাই বললেন কবিতা পড়ো, সে ভিডিও করে নিলো আর দুপুরে খাবার জন্য স্যান্ডউইচ আনলো। একজন কলিগ এলেন কাজে, তার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন আমার বন্ধু, খুব ভালো কবিতা লেখে, গল্প লেখে। এই হচ্ছেন সুমন ভাই। আমি পরে বললাম আমি যে খুব ভালো কবিতা লিখি বললেন তাই কি? উনি বললেন আরে মিয়া আমি কবিতার কি বুঝি, তুমি তো অনেক বিখ্যাত। কলকাতায় তোমার বই বাইর হৈছে।

যতবার দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে কখনো দূরের কেউ মনে হয় নি। সহজেই আপন করে নেন। অন্যকে মর্যাদা দেন, অপর লেখককে খুঁটিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। কোনো সমস্যায় পড়লে নির্দ্বিধায় তার সাথে ভাগ করে নেয়া যায়। একজন দেশপ্রেমিক, প্রগতিশীল, আধুনিক ধ্যান-ধারণায় বিশ্বাসী মানুষ। লেখকদের জন্য সবচেয়ে যা জরুরি পর্যবেক্ষণ আর কল্পনা-ফয়জুল ইসলাম নিখুঁতভাবে তা করতেন। তার প্রতিটি বইয়ে তার স্বাক্ষর রয়েছে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে পঠন-পাঠন, লেখালেখি রয়েছে, সরকারেরউচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হলেও ছিলেন নিরহংকারী, আপাদমস্তক সৎ একজন মানুষ। চাকরি জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে কর্কট রোগে আক্রান্ত হলেন। কখনো ভয় পান নি। একদিনও তার মুখে হতাশা, ভয়, বেদনা, শঙ্কার চিহ্ন দেখিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন। এমন একজন লড়াকু মানুষের সাথে মৃত্যুর কয়েকদিন আগে কথা হয়, শেষ কথা ছিল, তুমি ভালো থাইকো নভেরা।

সম্প্রতি