রাত ১০টা পর্যন্ত ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনায় ত্রুটি দেখা যাওয়ায় গণনা স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণে শুরুর দিকে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তের ভোট দিতে ভোটারদের উপস্থিতি এখন চোখে পড়ার মতো।
নির্বাচন চলাকালে পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশের সময় বাঁধা দিয়ে বহিরাগতসহ বিভিন্ন ট্যাগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি, শিবির সমর্থিত “অদম্য জবিয়ান “ প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ও তার অনুসারীরা। এসময় ওই পোলিং এজেন্টের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ায় রিয়াজুল ইসলাম।সকালে নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ। তবে ভোট চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৫ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বির সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামি ছাত্রশিবির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নং গেট এলাকা থেকে শুরু করে শান্ত চত্বর—সর্বত্রই এখন শিক্ষার্থীদের আনাগোনা। ভোটাররা বলছেন, প্রথমবার জকসু নির্বাচনে ভোট দিতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত।
হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যাবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম রিফাত বলেন, “ আমাদের ক্যাম্পাসের প্রথম নির্বাচন উপলক্ষে কালকে রাত থেকে আমরা পরিকল্পনা করে রেখেছি কাকে কাকে ভোট দিবো। আমাদের বাসার সবাই একসাথে এসেছি ভোট দিয়ে। জীবনের প্রথম ভোট দিতে পারবো এটাই আমাদের বড় প্রাপ্তি। “
মার্কেটিং বিভাগের নারী শিক্ষার্থী রাইসা ইসলাম বলেন, “ভোট দিতে একটু লেইট করে এসেছি যাতে একটু লাইন কম হয় কিন্তু এখানে এসে দেখি দীর্ঘ লাইন। তারপর ও আমার অনেক ভালো লাগছে যে ভোট দিতে পারবো। আগের দিন ভোট দিতে এসেও ভোট দিতে পারি নাই তাই একটু হতাশ হয়ে ছিলাম।”
উল্লেখ্য, জকসু নির্বাচনে মোট ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে।