image

ডাকসুর কনসার্টে ‘বিনা মূল্যে সিগারেট’ ও স্লোগান বিতর্ক

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় মাঠে ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনায় সমালোচনায় পড়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। অনুষ্ঠানে ওঠা নানা স্লোগান নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে আলোচনা বিতর্ক। ডাকসু সঙ্গে কনসার্টের সহ–আয়োজক ছিল ‘স্পিরিট অব জুলাই’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কনসার্টের স্থানটিতে স্টল বসিয়ে বিনা মূল্যে সিগারেট বিলি করা হয় বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। যা ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইনের লঙ্ঘন বলেও তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের তির ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের দিকে।

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনে তামাকজাত দ্রব্য কিনতে প্রলুব্ধ করতে বিনা মূল্যে বিতরণ কিংবা স্বল্প মূল্যে বিক্রি নিষিদ্ধ। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে শাস্তি হবে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড।

তুমুল সমালোচনার মুখে দুঃখ প্রকাশ করে ফেসবুকে মোসাদ্দিক আলী লিখেছেন, কনসার্ট আয়োজনে ডাকসুর পক্ষ থেকে তিনি যুক্ত থাকলেও স্পনসরের সঙ্গে যোগাযোগ, চুক্তি বা শর্ত নির্ধারণসংক্রান্ত কোনো আলোচনায় সম্পৃক্ত ছিলেন না। কনসার্টের স্পনসর প্রতিষ্ঠান ‘এক্স ফোর্স’ নিয়ে তিনি লিখেছেন, প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল যে অনুষ্ঠানের মাঠে ‘স্মোকিং’ জোন করবে। যাতে ধূমপানের কারণে কনসার্টে আসা অন্যদের সমস্যা না হয়। তিনি আরও লেখেন, কনসার্টের পুরোটা সময় ধরে গেস্ট ও স্টেজ ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মাঠে কী হচ্ছিল, সে ব্যাপারে অবগত ছিলেন না।

এদিকে, কনসার্টে উপস্থিত হয়ে মোসাদ্দিক আলী গণভোটের পক্ষে যে প্রচার চালান ও স্লোগান দেন তাতে ব্যঙ্গ করে কিছু স্লোগান ওঠে। মোসাদ্দিক ‘কোটা না মেধা’ স্লোগান দিলে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ‘কোটা, কোটা’ বলা হয়। একইভাবে ‘গোলামি না সংস্কার’ স্লোগানে ‘গোলামি, গোলামি’, ‘আপস না সংগ্রাম’ স্লোগানে ‘আপস, আপস’ বলে পাল্টা স্লোগান দেওয়া হয়। এছাড়া মোসাদ্দিকের ‘তুমি কে, আমি কে’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীরা ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’ বলে ব্যঙ্গ করেন।

‘ক্যাম্পাস’ : আরও খবর

সম্প্রতি